জেনে নিন কান থেকে মাথার সমস্যা, করণীয়

মাথা ঘোরা আসলে কীযে সকল সাধারণ উপসর্গ নিয়ে রোগীরা ডাক্তারের শরনাপন্ন হয়, মাথাঘোরা তার মধ্যে একটি অন্যতম উপসর্গ। এই মাথা ঘোরা বিভিন্ন রকমের হতে পারে। শরীরের ভারসাম্যহীনতা, পড়ে পাওয়া, মুচ্ছা যাবে বলে মনে হওয়া, মস্তিষ্কে শুন্যতা, মাথায় ঘুর্নীর মত হওয়া বা পারিপার্শ্বিক পৃথিবী ঘুরছে মনে হওয়া।

ইংরেজিতে এ গুলোকে Dizziness বলে। কেউ যখন বলে যে, সে নিজে ঘুরছে বা পারিপার্শ্বিক পৃথিবীটা ঘুরছে সেটাকে vertigo বলে। আর এই ধরণের মাথা ঘোরা সাধারণত: কান তথা অন্তকর্ণের জন্যই হয়ে থাকে।

কান সম্পর্কে দুটি কথা

অন্তকর্ণ এর দুটি অংশ। সামনের অংশকে বলে ককলিয়া যা শ্রবণশক্তি নিয়ন্ত্রণ করে এবং পিছনের অংশকে বলে ভেস্টিবিউল যা মাথার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। অন্তকর্ণের ঝিল্লির মধ্যে তরল পদার্থ ও অতি সুক্ষ চুল সাদৃশ্য সংবেদনশীল অঙ্গ থাকে যা মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট স্থানে মাথার অবস্থান সম্পর্কে সংকেত পাঠায়।

শরীর ও মাথার নিয়ন্ত্রণ

মস্তিষ্কের বিশেষ অংশ যেমন-সেরিবেলাম, সেরিব্রাম, ব্রেইনস্টেম, শরীর ও মাথার ভারসাম্যতা এবং অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করে। চামড়া, মাংসপেশী, হাড় জোড়া ও চক্ষু, শরীরের অবস্থান সম্পর্কে সংকেত পাঠায় মস্তিষ্কের ঠিকানায়। এগুলোর কোনোটাতেই স্বাভাবিক কার্য প্রক্রিয়ার ব্যাঘাত ঘটলে বিভিন্ন তীব্রতায় মাথাঘোরা রোগ হয়ে থাকে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

উপসর্গ

মস্তিষ্ক, চামড়া, মাংসপেশী, হাড় জোড়া এবং চক্ষুর কোন রোগ হলে শরীরের ভারসাম্যহীনতা, মস্তিষ্কে শুন্যতা, সংজ্ঞাহীনতা, হাল্কা ঘুনী হয়ে থাকে সঙ্গে বমি বমি ভাব, বমি, নিস্টেগামস হয়ে থাকতে পারে। অন্তকর্ণের কোন রোগ হলে মূলত: তীব্র ঘুর্নী হয়ে থাকে সঙ্গে বমি ভাব, বমি, নিস্টেগমাস, ভারসাম্য হীনতা ও শ্রবন শক্তি কম হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ থাকতে পারে। কিছু অতি সাধারণ অন্তকর্ণের রোগ যা মাথা ঘোরা সৃষ্টি করে। বিনাইন প্যারঅক্সিস্মাল পজিশনাল ভাইটাইগো এটি একটি অতি সাধারণ উপসর্গ।

হঠাত্ করে মাথা কোনো নির্দিষ্ট অবস্থানে নিলে মাথা ঘোরা শুরু হয়। সাধারণত শোবার সময় মাথা এদিক ওদিক করলে, নামাজ পড়লে বা মাথা হেলিয়ে কোন কাজ করলে এই জাতীয় মাথা ঘোরা শুরু হয়। বয়সজনিত কারণে, মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হলে অন্তকর্ণের ঝিল্লির ভিতরের তরল পদার্থের কিছু পরিবর্তনে এই রোগ হয়। সুখের বিষয় এই যে, এই ধরণের vertigo বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়না এবং ধীরে ধীরে সেরে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে এর চিকিত্সা প্রয়োজন হয়।

মিনিয়ার্স ডিজিজ

এই রোগে হঠাত্ করে মাথা ঘোরা শুরু হয়, সাথে বমি ভাব, বমি, ভারসাম্যহীনতা, শ্রবণ শক্তি সাময়িক কমে যাওয়া, নিস্টেগমাস থাকতে পারে। এর স্থায়ীত্ব হয় কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক দিন। অন্তকর্ণের ঝিল্লির কারণেই এই রোগ হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ওষুধের সাহায্যে চিকিত্সা করা হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রপ্রচার এর প্রয়োজন হতে পারে।

ভেস্টিবিউলার নিউরোনাইটিস

ভাইরাসজনিত কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। নিকট অতিত অথবা বর্তমানে ফ্লু হয়ে থাকতে পারে। এই রোগের মাথা ঘোরার স্থায়িত্ব সাধারণত বেশি হয়ে থাকে। পূর্ণ বিশ্রাম সাথে কিছু ওষুধ এর একমাত্র চিকিত্সা।

ল্যাবিরিনাথাইটিস

অন্তঃকর্ণে ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া জনিত প্রদাহ হলে এই রোগ হয়। কানে কম শুনতে পাওয়া, বমি, বমি ভাব, চোখের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, ভারসাম্যহীন থাকা স্বাভাবিক। অনেক সময় ল্যাবিরিনাথাইটিস-এর আশে পাশে কোন প্রদাহ হলে মাথা ঘোরা হয়ে থাকে। একে সেরাস ল্যাবিরিনথাইটিস বলে।

একুইস্টিক নিউরোমা

কানের ভেতরের সুড়ঙ্গ পথে ক্যানাল বা সিপি এ্যানজেল-এ এধরনের টিউমার হতে পারে। তবে এতে শুধু একদিকের শ্রবণ শক্তি কমে যায়। কেবলমাত্র অস্ত্রপ্রচার এর সাহায্যে এর চিকিত্সা করা হয়ে থাকে।

অন্যান্য কারণ

কানের আরো কিছু সাধারণ কারণে মাথা ঘোরা রোগ হয়। যেমন মধ্যকর্ণে প্রদাহ, ইউস্টাশিয়ান টিউবের বন্ধ থাকা বা প্লেনে ভ্রমণে বেরো ট্রমা হওয়া, কানে শক্ত খৈল কানের পর্দায় চাপ প্রয়োগ করলে মাথা ঘোরা রোগ হতে পারে।

কান ছাড়া অন্য যে সব কারণে মাথা ঘোরা রোগ হতে পারে

১. মস্তিষ্কের বিশেষ জায়গায় রক্তের সঞ্চালন কম হওয়া, রক্তক্ষরণ হওয়া, মস্তিষ্কের টিউমার কিংবা মাল্টিপাল স্ক্রোরোসিস হলে।

২. রক্ত স্বল্পতা, রক্তচাপ হঠাত্ কমে গেলে

৩. উপর থেকে নিচে তাকালে

৪. মাইগ্রেন হলে

শেষ কথা

মাথা ঘোরা রোগ অনেক কারণেই হতে পারে। এর জন্য পরিপূর্ণ পরীক্ষা নিরীক্ষা করার প্রয়োজন, বিশেষ করে তীব্র ঘুর্নী বা vertigo হলে অবশ্যই কোনো নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত্। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করা ঠিক হবে না। এতে লাভের চেয়ে ক্ষতি হবার আশঙ্কা থেকে যায়।

রোগীর অবস্থা শুনে ও দেখে সারাদেশের যে কোনো জেলায় বিশ্বস্ততার সাথে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।

 

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

(শতভাগ বিশ্বস্ত ও প্রতারণামুক্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান)

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত)

01960-288007

01762-240650

01834-880825

01777-988889 (Imo/whats-app)

শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, ডায়াবেটিস,অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা),ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর , আলসার, টিউমার, বাত-ব্যথা, দাউদ-একজিমা ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

 

2,603 জন পড়েছেন

Recommended For You

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়