Health logo

নারী-পুরুষের যৌন সমস্যা ও সমাধান

একজন পরিণত বয়সের নারী বা পুরুষের কাছে যে সমস্যাটি সব সময় প্রকট হয়ে দেখা দেয় তা হলো নানা ধরনের ও নানা আকারের যৌ’ন সমস্যা। যার মধ্যে রয়েছে যৌ’ন দুর্বলতা অর্থাৎ যৌ’ন সঙ্গমে অনীহা, লি’ঙ্গের উত্থান না হওয়া, অকালে অসময়ে দ্রুত বী’র্যপাত, অতিমাত্রায় স্বপ্নদোষ, যৌ’নসঙ্গমে ভীতি, বন্ধ্যাত্ব ইত্যাদি।

এসব কারণে অনেক সময়ই দম্পতিরা মানসিক অশান্তিতে ভোগেন। বিবাহিত, অবিবাহিত এমনকি যৌ’ন ক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেনি এমন অনেকেই কিন্তু এই সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

আসলে আমাদের সমাজে অধিকাংশ মানুষেরই এ বিষয়ে সংকোচ বা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, লোকলজ্জার ভয় বেশি থাকায় এবং লোকলজ্জার কারণে প্রকৃত তথ্য থেকে অনেকে বঞ্চিত হন, তেমনি প্রচলিত কুসংস্কারের কারণে সমাজে বাসা বাঁধে এ সমস্যা।

যৌ’ন দুর্বলতায় নারী বা পুরুষ উভয়েই আক্রান্ত হতে পারেন, তবে যৌ’ন কাজে নারীর ভূমিকা অনেকখানি পরোক্ষ বিধায় পুরুষকেই এই সমস্যা নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হতে দেখা দেয়।

একজন পুরুষের যৌ’ন বিষয়ক শারীরবৃত্তীয় কাজগুলো কী কী? যেমন : ১. যৌ’ন ইচ্ছা (সেক্সুয়াল ডিজায়ার) জাগ্রত হওয়া, ২. লিঙ্গোত্থান (ইরেকশন) হওয়া, যা পুরুষাঙ্গে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়া বা সঠিকভাবে চলাচল করার কারণে হয়, ৩. পুরুষাঙ্গ দিয়ে প্রয়োজন মতো বী’র্য নির্গত হওয়া। তবে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি বিষয়ও জেনে নেওয়া যেতে পারে, আর তা হলো পুরু’ষাঙ্গের শিথিলতা।

Nk

এসবের মধ্যে পুরুষের লি’ঙ্গ উত্থানে সমস্যা (ইরেকটাইল ডিজফাংশন)টিই প্রকট সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। এই সমস্যাটি নানাবিধ কারণে হতে পারে। এর বড় একটা কারণ হলো মনস্তাত্ত্বিক। এছাড়া কিছু হরমোনের অভাব অথবা মস্তিষ্কের রোগের কারণেও এমনটি হতে পারে। পুরুষাঙ্গের রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়া কিংবা শিরার যথেষ্ট পরিমাণ রক্ত ধারণ করতে না পারাটাও এমন সমস্যার জন্ম দেয়। কারণগুলোকে ঠিকভাবে চিহ্নিত করলে একটা স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে।

এছাড়াও দ্রুত বী’র্যপাত অনেক পুরুষের জন্যে একটি কমন সমস্যা। আমাদের দেশে শতকরা ৮০% লোক এই সমস্যায় ভুগছেন। তার প্রধান কারণ পর্ণ আসক্তি, অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ও মানসিক দুশ্চিন্তা। এছাড়াও যৌ’ন সমস্যার মধ্যে আরো রয়েছে বিবাহিত-অবিবাহিত পুরুষের স্বপ্নদোষ সমস্যা। দ্রুত বী’র্যপাত রোধ, লিঙ্গ অকেজো, লিঙ্গের অসারতা, স্বপ্নদোষ রোধে ‘নাইট কিং’ (Night King) বেশ কার্যকরভাবে কাজ করে।

add all nk last

এই ঔষধটিতে কোনো প্রকার কেমিক্যাল ও প্রিজারভেটিভ নেই। তাই এই ঔষধ সেবনের মাধ্যমে হারানো যৌবনশক্তি ফিরে পাওয়া সম্ভব। কেমিক্যাল ও প্রিজারভেটিভ না থাকার কারণে এর কোনো বিরূপ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও নেই। নিশ্চিন্তে এই ঔষধ সেবন করে দীর্ঘক্ষণ যৌ’ন সঙ্গম করা যায়।

Night King সঠিক মাত্রায় ব্যবহারে নারী-পুরুষের যৌ’ন ক্ষমতা পরিমিত মাত্রায় বৃদ্ধিসহ দেহের প্রাণশক্তি বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করে। তাছাড়াও ‘নাইট কিং’ দেহে স্পার্ম (শুক্রানু-ডিম্বানু) বৃদ্ধি করে নারীর বন্ধাত্ম মুক্তি ও পুরুষের পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তি দেয়।

এটি দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ রাখে। রোগ-জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে স্বাস্থ্যের সার্বিক উন্নতি সাধন করে। এটি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

এটি নিম্ন রক্তচাপ বৃদ্ধি করে। দেহের কোলেস্টেরেল নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে এবং শরীরের রক্তচাপের মাত্রা স্বাভাবিক করে। নিয়মিত সেবন করলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা সমাধানে দারুণভাবে কাজ করে।

 

মোটকথা Night King ব্যবহারে : ১. সহ’বাসকে আনন্দময় করবে। শরীরে অনুভূতি প্রচুর থাকে। ২. লি’ঙ্গ দীর্ঘক্ষণ শক্ত থাকে। ৩. সহ’বাসের সময় আপনার মনোবল বাড়িয়ে় তুলবে। ৪. আপনাকে দীর্ঘসময় সহ’বাসে সহায়তা করবে। ৫. সেনসিটিভিটি ভালো হয়। ৬. কোনোপ্রকার সাইড ইফেক্ট বা বিরূপ পাশর্^প্রতিক্রিয়া নেই। শরীর ব্যথাও হয় না, মাথা ঠান্ডা থাকে। ৭. সহজে বীর্যপাত হয় না। ৮. সেবনের ৩০ মিনিট পর থেকে কার্যকারিতা শুরু হয় সারারাত সতেজ অনুভূতি থাকে। ৯. একবার সহবাস শেষ হবার পরও পেনিস বা লিঙ্গ শক্ত থাকে। মোট কথা সেক্সুয়াল সমস্যার কার্যকর সমাধানে দ্রুত সাড়া দেয়।

Night King এন্ডোক্রাইন গ্ল্যান্ডের ক্রিয়াশক্তি বৃদ্ধি এবং হরমোনাল নিঃসরণ স্বাভাবিক করে। দুর্বল ও অক্ষম নার্ভসমূহকে সবল, সতেজ ও কর্মক্ষম করে। যৌ’নশক্তি বৃদ্ধি করতে অতীব কার্যকরী ও নিরাপদ। এতে কোনো প্রকার রাসায়নিক পদার্থ নেই বলে কোনো পাশর্^প্রতিক্রিয়াও নেই। ‘নাইট কিং’ নিয়মিত সেবনে যৌ’নশক্তি স্থায়ীভাবে বৃদ্ধি ও অতি আনন্দদায়ক করে। মহিলা ও পুরুষের হরমোনাল ব্যালেন্স ফিরিয়ে আনে এবং শুক্রানু বৃদ্ধি করে। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বন্ধ্যাত্ব দূরীভূত হয়।

ব্যবহার বিধি : সহবাস করার আধধণ্টা আগে এক চা চামচ ঔষধ এক কাপ হালকা ঊষ্ণ দুধ বা এক চামচ মধুমিশ্রিত উষ্ণ পানিতে মেশাবেন। তারপর পান করবেন। নাইট কিং শুধুমাত্র হালকা গরম পানি দিয়েও সেবন করা যায়। তবে মধু বা দুধের সাথে মিশিয়ে পান করলে এর কার্যকারিতা বেশিক্ষণ থাকে। এতে লিঙ্গের শক্তি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে এবং এক রাতে তিন-চারবারও সহবাস করা যাবে। তবে এ সময় শান্ত করতে হবে মন। মনে কোনো ঋনাত্মক ভাবনা বা দুশ্চিন্তা আনলে চলবে না। কারণ স্বল্পস্থায়ী যৌনতার একমাত্র কারণ হলো শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতা। নিজেকে শারীরিক মিলনের জন্যে মানসিক ও শারীরিকভাবে তৈরি করতে হবে। মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমিয়ে আনতে হবে। মনে রাখবেন মানসিক চাপ, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, মদ, তামাক, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য ওষুধের অতিরিক্ত সেবন দীর্ঘস্থায়ী যৌ’নতার ক্ষেত্রে বাধা সষ্টি করতে পারে।

যৌ’নমিলনের সময় অবস্থানে পরিবর্তন করুন। নতুন কিছু আপনার মনোযোগকে আরও রোমাঞ্চিত করে তুলতে পারে। সঙ্গীর চাহিদার দিকেও নজর দিন। সহ’বাসের সময় সঙ্গীর আধিপত্যে লজ্জাবোধ করার কোনো কারণ নেই। ধীরে ধীরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিলে পরিশ্রম কম অনুভব হবে, ফলে শরীর দীর্ঘক্ষণ যৌ’নমিলনের উপযুক্ত থাকবে।

যৌ’ন দুর্বলতার চিকিৎসা নির্ভর করে রোগের কারণের উপর। পুরুষাঙ্গের উত্থানের সমস্যা যদি কোনো নির্দিষ্ট রোগের কারণে হয় তাহলে অবশ্যই ওই রোগেরও চিকিৎসা করাতে হবে। তবে সচরাচর এই রোগের জন্যে কিছু বাড়তি ওষুধেরও প্রয়োজন হয়। আপনার সমস্যা গোপন না রেখে ডাক্তারের কাছে খোলাখুলিভাবে বলুন, তিনি এর চাইতেও আরো বেশি ভালো সমাধানের পথও বাতলে দিতে পারবেন। এ সমস্যাসমূহ সমাধানের ক্ষেত্রে লক্ষণভেদে ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন, যেকোনো প্রকার যৌন সমস্যার সমাধান রয়েছে রোগ ও রোগের লক্ষ্মণ ভেদে সঠিক চিকিৎসায়। তাই রোগ শরীরে পুষে না রেখে চিকিৎসককে খুলে বলুন।

বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেও দু’ থেকে তিন দিনের মধ্যেই ঔষধ পেতে পারেন।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

 হাকীম মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

nk meho night king

(শতভাগ বিশ্বস্ত ও প্রতারণামুক্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান)

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত)

01960-288007

01762-240650

01834-880825

01777-988889 (Imo/whats-app)

শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, ডায়াবেটিস,অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা),ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর , আলসার, টিউমার, বাত-ব্যথা, দাউদ-একজিমা ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন : IBN SINA HEALTH CARE, CHANDPUR

 

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা এবং দাম্পত্য সমস্যার সমাধান বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে বলতে হয় কোন পুরুষের প্রাথমিক পুরুষত্বহীনতা হবে তা আগে থেকে বলা যায় না। আবার কেউ অন্যকে শেখাতে পারে না লিঙ্গ উত্থানের বিষয়টি। লিঙ্গের উত্থান একটি প্রাকৃতিক অবস্থা। রেসপিরেটোরি, সারকুলেটরী এবং স্নায়ুবিক কারণে লিঙ্গ উত্থিত হয়। কিন্তু আসল কারণটি হলো প্রাকৃতিক। তবে অনেক ক্ষেত্রে যৌন মনোদৈহিক সামাজিক কারণে ও অনেকের পুরুষত্বহীনতা হতে পারে। যে কারণগুলো পুরুষত্বহীনতার জন্য স্বাভাবিকভাবে দায়ী।

যৌনতার জন্য প্রচুর শক্তি না থাকা। মাতৃত্বের কঠিন চাপ। সমকামিতা পছন্দ করা। নারীদেরকে ঘৃণা করা। পতিতার সাথে সঙ্গমে ব্যর্থ হওয়ার পরে মনে পাপ বোধের সৃষ্টি।

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা-

প্রায়শই পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় এবং রোগের কারণ ধরতে না পারলে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রলম্বিত হতে পারে।

যৌন বিশেষজ্ঞ মাস্টার এবং জনসনের মতে যৌন সঙ্গিনী বদলের ফলেও অনেক সময় এ রোগের সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে। নৈতিক, সমাজিক, আর্থ-সমাজিক প্রোপটে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায় বর্তমানে যে বিষয়গুলো গ্রহন করা হয় সে গুলো হলো–

যৌনতার পরিপূর্ণ শিক্ষাদান। সাইকোথেরাপী। রোগীকে হস্তমৈথুনের দ্বারা তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়ানো। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত রোগীকে এ্যাংজিওলিটিঙ দেয়া। নিচু মাত্রার ৫০ গ্রাম টেসটোস্টেরন ইনফেকশন সপ্তাহে তিনবার দেয়া। যদি রোগীর কেবলমাত্র উত্থানজনিত সমস্যা হয় তবে রোগীকে নগ্ন নারীর সমনে উপস্থিত করা। এক্ষেত্রে পতিতাদের সাহায্য নেয়া যেতে পারে। পেপাভেরিন ইনকেজশন লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে। রোগীর জন্য সামাজিকতার প্রয়োজন। যৌন উদ্দীপক গ্রন্থ পড়া উচিত। চূড়ান্ত মাত্রার পুরুষত্বহীনতা- অনেক পুরুষের পুরুষত্বহীনতা সাময়িক। দেখা যায় যে খুব বেশি মাত্রায় উদ্বিগ্ন থাকলে বা কোনো কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকলে যৌনমিলনের সময় পুরুষ তার যৌন উত্তেজনা হারাতে পারে। আবার খুব বেশি মাত্রায় এলকোহল সেবনের ফলেও পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা নষ্ট হয়ে যায়। সাইকোজেনিক অথবা অর্গানিক নানা কারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে। মনোদৈহিক যে যে কারণে পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে–

১. দাম্পত্য সমস্যা।

২. ধর্মীয় কুসংস্কার।

৩. কঠিনভাবে পিতা বা মাতার অনুশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকা।

৪. পূর্বের যৌন অমতার জন্য পাপবোধ।

৫. অকাল বীর্যপাত।

৬. যৌনতার ব্যাপারে অনাগ্রহ।

৭. যৌনমিলনে সফলতা আসবে কিনা এই নিয়ে ভয় এবং দুশ্চিন্তা।

অর্গানিক কারণে সৃষ্ট পুরুষত্বহীনতা-

১. এনাটোমিকাল বড় হাইড্রোসেল টঙিকুলার ফাইব্রোসিস।

২. কার্ডিওরেসপেরেটোরী মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন ইনজিনা ফাইমোসিস।

৩. জেনিটো ইউরিনারী প্রিয়াপিজম প্রোসটাটিটিস ইউরেথ্রিটিস প্রোসটাটেকটমী।

৪. এন্ড্রোক্রাইনাল, ডায়াবেটিস থাইরোটঙিকোসিস স্থুলতা ইনফা্যান্টালিজম ক্যাসট্রেশন এক্রোমেগালি।

৫. নিউরোলজিক্যাল, মাল্টিপোল, সিরোসিস, অপুষ্টি, পারকিনসন্স অসুখ, টেমপোরাল লবের সমস্যা, স্পাইরাল কর্ডের আঘাত, ই.সি.টি।

৬. ইনফেকশন, টিউবারকিলোসিস, গনোরিয়া, মাম্পস।

৭. ড্রাগ নির্ভরতা, এলকোহল সেবন, স্নায়ু শিথিলকারী ওষুধ, এন্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধ, সাইকোট্রপিকস ওষুধ, যেমন-ইমিপ্রামিন, ডিউরেটিঙ। যেমন-রেজারপাইন।

রোগ নির্ণয়-

যে কোনো ধরণের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার জন্য তার রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজন রয়েছে। ডাক্তারকে জানতে হয় পুরুষের ক্রমাগত যৌন সমস্যা কেন সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মনোদৈহিক কারণের চাপ শরীরের উপর এসে পড়ে এবং এই জন্য পুরুষ উত্থান সমস্যায় ভোগে। রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারকে যে বিষয়গুলো জানতে হয়–

১. রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস,

২. রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস।

৩. রোগীর শারীরিক পরীক্ষা।

৪. রোগীর লিঙ্গ পরীক্ষা।

৫. ল্যাবটেষ্ট।

৬. মিনেন সোটা মালটিফেজিক পারসোনালিটি ইনভেনটোরি।

রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস এবং রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস জানা এই জন্য জরুরী যে, এতে করে রোগ নির্ণয় করা সুবিধা হয় । ডাক্তার বুঝতে পারেন পুরুষত্বহীনতার এই সমস্যাটির কারন শারীরিক নয় মানসিক। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এলকোহল সেবনজনিত কারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতা দেখা দেয় এবং অনেকের অকাল বীর্যপাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রোগীর শারীরিক পরীক্ষা নিরীার মধ্যে প্রধান বিবেচ্য বিষয় থাকে তার রেসপিরেটোরী এবং কার্ডিওভাসকুলার ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা ল্য করা। এছাড়া ও স্নায়ু এবং তলপেট ব্যবস্থা কতটুকু সুস্থ আছে এটিও ডাক্তারদেরকে জানতে হয়। লিঙ্গ পরীক্ষার সময় ডাক্তার যে বিষয়গুলো ল্য করেন। প্রিপিউজ-ফাইমোসিসের জন্য। মূত্রনালীর মুখ- স্টেনোসিসের জন্য। অন্ডথলি-হাইড্রোসেলের জন্য। করপরা কেভারনোসা-যে কোনো প্রকার ফাইব্রেসিসের জন্য।

ল্যাবরেটরী টেষ্ট-

ল্যাবরেটরীতে ডাক্তার রোগীর বিভিন্ন শারীরিক বিষয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে থাকেন। এতে করে দ্রুত সমস্যা নির্ণয় করা সহজ হয়। ল্যাবরেটরীতে পুরুষত্বহীনতার জন্য যে সমস্ত টেষ্ট করানো হয় সেগুলো হলো– সি.বি.সি। ই.এস.আর। মূত্র পরীক্ষা। লিভারের এনজাইম পরীক্ষা।

বীর্য পরীক্ষা। থুথু পরীক্ষা। এস এম এ ১২। টেসটোসটেরন স্তন পরীক্ষা। প্রেল্যাকটিন স্তন পরীক্ষা।

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা-

পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার ব্যাপারে অধিকাংশ পরামর্শ এসেছে মাস্টার এবং জনসনের কাছ থেকে। তারা তিনটি বিষয়ে প্রাথমিকভাবে গবেষণা করে থাকেন যে কোনো একজন পুরুষ পুরুষত্বহীনতার ভোগে। এই তিনটি কারণকে বিশ্লেষণ করে তারা এমন কিছু কৌশল এবং পদ্ধতির কথা বলেন যাতে করে পুরুষত্বহীনতা সমস্যা কাটানো যায়। তাদের গভেষণার বিষয় তিনটি হলো–

১. যৌনতার ব্যাপার পুরুষ এবং নারীর ভ্রান্ত ধারণা।

২. পুরুষের পুরনো চিন্তা ভাবনা এবং উঁচু মাত্রার শারীরিক এবং মনোদৈহিক চাপ। বিশেষ করে স্বামী স্ত্রী মধ্যকার যৌনতার ব্যাপারে আলোচনা কম হওয়া। মনে রাখা উচিত স্বামী স্ত্রী মধ্যকার যৌন আলোচনা যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে।

৩. পুরুষত্বহীন পুরুষের মানসিক চাপ বেশি থাকে সেই কারণে স্ত্রীর বা যৌন সঙ্গিনীর উচিত তাকে আশ্বস্ত করা যে এটি কোনো রোগ নয়। মাস্টার এবং জনসনের পুরুষত্বহীনতার ব্যাপারে দেয়া পরামর্শগুলো হলো।

যৌন সঙ্গী এবং সঙ্গিনীর মধ্যে খোলামেলা যৌন আলোচনা করা উচিত। এটি পরস্পরের যৌনানুভূতিকে চাঙ্গা করতে পারে এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা সৃষ্টি করে।

যৌনতার ব্যাপারে কোনো প্রকার ধারণা পোষণ করা উচিত নয়। এবং পুরুষ উভয়েরই উচিত যৌনতার ব্যাপের একজন অন্যজনকে সাহায্য করা। এর ফলে যৌন অনুভূতি এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা তৈরী হতে পারে।

যদি নারী বা পুরুষের যে কোনো একজনের যৌনতা ব্যাপারে কোনো প্রকার সন্দেহ ভয় ভীতি বা দুশ্চিন্তা কাজ করে তাহলে সাথে সাথে তা ডাক্তারকে জানানো উচিত। অনেক নারী যৌনতার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা খুব পছন্দ করে। হয়তো তার যৌন সঙ্গী বা স্বামী ওরাল সেক্স পছন্দ করছে অথচ নারী সেটি পছন্দ করছে না। এতে করে উভয়ের যৌন অনুভূতির মধ্যে একটা পার্থক্য তৈরী হতে পারে। এ ব্যাপারটি দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

পরস্পরের সাথে গভীর স্পর্শের সম্পর্ক থাকা উচিত

পুরুষদের যদি উত্তেজনা কম থাকে সে ক্ষেত্রে নারীর উচিত পুরুষকে উত্তেজিত করে তোলা। নারী বিভিন্ন ভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে। বিশেষ করে নারী তার স্তন, স্তনবৃন্ত, কিটোরিস ইত্যাদি উত্তেজক শারীরিক অংশের স্পর্শ দ্বারা পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে। পুরুষত্বহীনতা সমস্যা মোকাবেলায় নারীর ভূমিকা রয়েছে খুব বেশি। নারী পুরুষকে বিভিন্ন ভাবে উত্তেজিত করে আবার তাকে শিথিল করে তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে। স্ত্রী দিনে অন্তত তিন চার বার স্বামীর দৃঢ়তা বাড়াতে এ কাজটি করতে পারে। লিঙ্গের উত্তেজনা দীর্ঘণ ধরে না রেখে পুরুষের উচিত একবার লিঙ্গ শিথিল করে আবার লিঙ্গের উত্তেজনা তৈরী করা। এতে করে পুরুষত্বহীনতার সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।

যৌনতার নানা সমস্যা

যৌনতার প্রতি নারী এবং পুরুষের আকর্ষণ একেবারে প্রাকৃতিক । নারীর যৌনাতা বিষয়ে অনেকেরই ধারণা যে, নারীর যৌন উপলদ্ধি কেবলমাত্র পুরুষের সংস্পর্শে এলেই বিকশিত হয়। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা । নারী বয়ঃপ্রাপ্তির পর থেকেই যৌনতার ব্যাপারে আকাঙিত থাকে। পুরুষের যেমন একটা সুবিধা আছে যে,যৌনমিলনের হাতে খড়ি তার খুব সহজেই করতে পারে,কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে এই ব্যাপাটি সম্ভব হয় না। অধিকাংশ নারী বিয়ের মাধ্যেমে যৌনজীবনে তথা দাম্পত্য জীবনে প্রবেশকরে এবং যৌনতার স্বাদ গ্রহণ করে। মানুষ মাত্রই যৌন জীবনের একটা প্রয়োজন রয়েছে। তবে এই যৌন জীবনের ফলস্বরূপ কেবল মাত্র প্রজননের তাগিদে যৌনতায় অংশ নেয় না। মানুষ জগতের আর দশটা প্রাণীর চাইতে আলাদা এবং উন্নত।

প্রজনন ছাড়াও যৌনতার দ্বারা শারীরিক এবং মানসিক অপার আনন্দ নারীর কাম্য হয়ে উঠে। নারীর যৌন জীবনে একটি অবগুন্টিত ভাব রয়েছে। তার কারণ নারী ধীরে ধীরে উদগ্রীব হয়ে উঠে।এক্ষেত্রে নারী পুরুষের মতো অতি দ্রুত উত্তেজনায় পৌঁছে যেতে পারে না। বরং নারীর উত্তেজনা আসে ধীরে ধীরে । নারীর শরীরে প্রায় সবটুকু যৌন উদ্দীপক। পুরুষের মতো নারী শুধু যৌনাঙ্গে উত্তেজনা ধরে রাখে না। নারীর ঠোঁট, স্তন, নিতম্ব, তলপেট, স্তনবৃন্ত, উরু ইত্যাদি স্থানে চুমু, মৃদু দংশন এবং সোহাগের দ্বারা নারী উত্তেজিত হয়ে উঠে। একে যৌন ক্রীড়া বলে। যৌনক্রীড়া যৌনমিলনের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিয়ের ফলে একজন নারী যৌন জীবনে পদার্পণ করে। বিয়ে হচ্ছে একটি সমাজিক বন্ধন। একজন পুরুষ এবং একজন নারী একত্রে সহাবস্থানকে বিয়ে বলা হয় ।

নারী জীবনে বিয়ের প্রথম রাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। অনেক নারী এই রাতটিকে ভয় পায়। বিষেশ করে যারা ধর্মীয় কুসংস্কার দ্বারা আচ্ছন্ন তারা বিয়ের প্রথম রাতে নানা প্রকার অপ্রীতিকর কর্মকান্ড ঘটাতে পারে। আমাদের এই উপমহাদেশের বিয়ের সময় নানা প্রকার অনুষ্ঠানের আড়ম্বর থাকলেও বিয়ের পরবর্তী যৌন জীবনে নানা প্রকার শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই জাতীয় সমস্যাগুলো জেনেটিক বা বংশগত হতে পারে। আবার অনেক সময় এর কারণ নিতান্তই শারীরিক হয়ে থাকে। তবে যৌন জীবনে যে কোনো প্রকার সমস্যাই নারী এবং পুরুষ উভয়কেই ভাবিয়ে তুলতে পারে।

যৌনতা সংক্রান্ত সমস্যা

যৌনতার ব্যাপারে আলোচনা করতে গেলে যৌন সংক্রান্ত নারী এবং পুরুষের বিভিন্ন্ প্রকার সমস্যার বিষয়েও কিচ্ছু আলোচনার প্রয়োজন পড়ে। পুরুষের পাশাপাশি নারীরও বিভিন্ন প্রকার সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। এই সমস্যাগুলোর অধিকাংশই নারীর যৌন জীবনের উপর প্রভাব ফেলে। এটি বলা উচিত যে যৌনতার ব্যাপারে যে কোনো প্রকার সমস্যা হলো তা দীর্ঘস্থায়ী যৌন সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এর আগে আমরা পুরুষের অকাল বীর্যপাত এবং ফোঁটা ফোঁটা বীর্যপাতের সমস্যার ব্যাপারে আলোচনা করেছি। শুধুমাত্র এই সমস্যাগুলোর বাইরেও পুরুষের বিভিন্ন প্রকার শারীরিক এবং মানসিক সমস্যাজনিত কারণে যৌনতা সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয়। যৌনতার বিষয়ে নারীরির প্রধান সমস্যা হলো নারীর যৌনমিলনের ব্যাপারে অনীহা।

নারীর যৌনতার বিষয়ে এই অনাগ্রহের বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। নারীর শারীরিক কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থেকে থাকলে তা নারীকে যৌন বিমুখ করে তুলতে পারে। আবার মানসিক কোনো অসুবিধা নারীকে যৌনতার ব্যাপারে নিরুৎসাহ যোগায়। শৈশবকালীন মানসিক বা শারীরিক যৌন উৎপীড়ন অনেক ক্ষেত্রে নারীকে যৌন নানা সমস্যার সম্মুখীন করে তোলে। আবার প্রচুর পরিমানে স্বমেহন নারীর যৌনানুভূতিকে তিগ্রস্ত করতে পারে। পুরুষের ক্ষেত্রে ও অনেক সময় হস্তমৈথুনের মাত্রাতিরিক্ত প্রভাবে পুরুষের যৌন জড়তা দেখা দিতে পারে। যা কোনো কোনো সময় পুরুষত্বহীনতা পর্যন্ত গড়াতে পারে। যৌন গবেষকরা গবেষনা করে দেখছেন যে নারী যৌনতা বিষয়ক সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয় মূলত যৌন অনিচ্ছা থেকেই। নারীর সমস্যার মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো যৌনমিলনের সময়ে নারীর যৌনাঙ্গে ব্যথা। কোনো কোনো নারী এই ব্যথার তীব্রতার জন্য যৌনমিলনকে ভয়ের চোখে দেখে। যৌনমিলনে এরকম ব্যাথার ডাক্তারী নাম হলো ডিসপ্যারুনিয়ার দুটো কারণ থাকতে পারে , একটি কারণ হলো শারীরিক এবং অপরটি হলো মানসিক।

ডিসপ্যারুনিয়া-

এটি নারীদের একটি যৌন সমস্যা। একে ব্যথাযুক্ত যৌনমিলন সমস্যাও বলা হয়। তবে ডিসপ্যারুনিয়া পুরুষেরও হতে পারে। নারীর ডিসপ্যারুনিয়ার কিছু উপসর্গ হলো-

লিঙ্গ প্রবেশের সময় যৌনিতে ব্যথা।

তলপেটে ব্যথা।

ঘন ঘন লিঙ্গ সঞ্চালনের সময় নারী প্রচন্ড ব্যথা পেতে পারে।

যৌনমিলনের ব্যাপারে ভীতির সৃষ্টি।

কারণ-

গাইনোকলজিক্যাল এবং সাইকোলজিক্যাল কারণে ডিসপ্যারুনিয়া হতে পারে। যৌনির ভেতরে এবং বাইরে দুই প্রকার সমস্যা এ সময় দেখা দেয়। এছাড়াও শারীরিক বিভিন্ন কারণে যৌনমিলনের সময় নারীর যোনিতে ব্যথার সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো-

১. পেলভিক ইনফেকশন । ২. পেলভিক ইনফামেটরি অসুখ । ৩. ও ভারীর অস্বাভাবিক অবস্থা । ৪. সারভিঙের ইনফেকশন অথবা প্রদাহ । ৫. ভালভোভ্যাজিনাইটিস সমস্যা । ৬. বার্থোলিন গ্ল্যান্ডের ইনফেকশন অথবা প্রদাহ । ৭. যোনির ত্বকের প্রদাহ । ৮. এন্ডোমেট্রোসিস জাতীয় সমস্য । ৯. যোনির শুষ্কতা । ১০. যোনিতে টিউমার হওয়া । ১১. যোনিতে অন্য কোনো প্রকার ক্ষত ।

আবার মানসিক নানা কারণে ও যৌনমিলনের সময় নারীর যোনিতে ব্যথার উদ্রেক হতে পারে। এই কারণগুলোর মধ্যে যৌন শীতলতা, যৌনতা সর্ম্পকে কুসংস্কার,ধর্মীয় কুসংস্কারের প্রভাব, যৌন অজানা বিষয় এবং শৈশবকালীন বা পরবর্তী সময়ে যৌন নিপীড়িত হলে নারীর যৌনমিলন কালীন ব্যথার সৃষ্টি বা ডিসপ্যারুনিয়া হতে পারে। যোনির বাইরে যে কারণে সমস্যা হয় তা হলো-

সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে যাওয়া । এপিসিওটমিক ছিঁড়ে যাওয়া । বার্থোলিন গ্ল্যান্ডের স্ফীতি । কিটোরিসে ব্যথা । এছাড়াও যোনির ভেতরে যে কারণে ব্যথার সৃষ্টি হয় সেগুলো হলো- পর্যাপ্ত পিচ্ছিলতা না থাকা, যোনির ইনফেকশন , যোনিতে সেপ্র বা ফোমের ব্যবহার , সেনাইল ভ্যাজিনিটিস ।

অন্যান্য কারণ-

ইউটেরাইন লিগামেন্ট ছিড়ে যাওয়া , পেলভিক ইনফেকশন , যোনির স্ফীতি , মূত্রথলির সমস্যা । ধর্মীয় চাপ , তিক্ত যৌন ইতিহাস , পিচ্ছিলতা কমে যাওয়া ইত্যাদি।

চিকিৎসা-

মনোদৈহিক বা শারীরিক যে কারণেই ডিসপ্যারুনিয়া হোক না কেন । একে যদি নিরীণ করা যায় তবে এই সমস্যাকে ওষুধে বা সার্জারিতে সারিয়ে তোলা সম্ভব। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ বিষয়টি ঘটে তা হলো যোনির শুষ্কতা। যৌনমিলনের প্রথম দিকে যোনির এই সমস্যার জন্য অনেক নারী যোনিতে ব্যথা অনুভব করে। অনেক নারীর যোনি অধিক পরিমানে শুষ্ক থাকে। এক্ষেত্রে মিলনের সময় লুব্রিকেটেড জেলী ব্যবহার করা যেতে পারে এই জাতীয় জেলী যোনিকে মিলন উপযোগী বা পিচ্ছিল করে তোলে। শারীরিক কোনো কারণে যদি ডিসপ্যারুনিয়া হয়ে থাকে তবে এর জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত। নারীর যৌন সমস্যাগুলোকে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তিত্ব সমস্যা হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে। নারীর যৌনতার বিষয়গুলো নিয়ে আড়ষ্টতার ফলে এ সমস্যাগুলোর কথা অনেক সময়েই অন্যকে জনানো সম্ভব হয়ে উঠে না এবং সমস্যা গোপন থাকার কারণে তা উত্তরোত্তর বেড়েই চলে। আবার অহেতুক বিলম্বের কারণে অনেক সময় চিকিৎসাও জটিল হয়ে উঠে। ডিসপ্যারুনিয়ার চিকিৎসার ব্যাপারে নারীদের উচিত গাইনোকলজিস্টের পরামর্শ নেয়া এবং পুরুষদের উচিত ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নেয়া।

ভ্যাজিনাইটিস-

যৌনতা সংক্রান্ত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো যোনির প্রদাহ বা ইনফেকশন । নারীর এই সমস্যাকে ভ্যাজিনাইটিস বলে। নানা কারণের মাধ্যমে এটি ঘটে থাকে। আবার নানা সংক্রমণের কারণেও ভ্যাজিনাইটিস হতে পারে। নারীর যোনির এই জাতীয় সমস্যায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হয়। যোনির এই সমস্যা যে কোনো বয়সী নারীর হতে পারে। জীবনে অন্তত একবার প্রায় সব নারীরই যোনির প্রদাহ হতে পারে। কিশোরিদের বেলাতেও এই সমস্যা দেখা দেয়। যোনির সমস্যা হলেই আমরা ধরে নেই হয়তোবা সেগুলো যৌন সমস্যা বা যৌন ব্যাধি। অসুস্থ জীবন যাপনের ফলেও অনেক সময় এই সমস্যা হতে পারে এই বিষয়টিকেও মনে রাখা উচিত। একজন নারী একটু উদ্যেগী সচেতন হলেই যোনির যে কোনো প্রকার সমস্যা সমাধান হতে পারে।

চরমপুলকের সমস্যা-

নারীদের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ যৌন সমস্যা হলো চরমপুলকের সমস্যা। এই সমস্যা পুরুষের ও হতে পারে। চরমপুলক ছাড়া যৌনমিলন অসমাপ্ত থেকে যায়। সে ক্ষেত্রে চরমপুলকের প্রয়োজন রয়েছে। যে সব নারী বা পুরুশ চরমপুলক পায় না, তাদের নিজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ কমে যেতে পারে। চরমপুলকের এই সমস্যার জন্য দায়ী। অধিকাংশ কারণগুলোই মনোদৈহিক। যেমন-

যৌনতার ব্যাপারে ভীতি , যৌন সঙ্গীর কাজ থেকে আঘাত পাওয়া, নিচু মাত্রার যোগাযোগ। যৌনমিলনে ব্যর্থ হওয়ার আশষ্কা, যৌন উদ্দীপনা না বুঝতে পারা, পূর্বের কোনো তিক্তকর যৌন অভিজ্ঞতা, ধর্মীয় বাধা, লেসবিয়ানিজম, কৈশোর থেকেই যৌনতা সম্পর্কিত ভুল ব্যাখ্যা গ্রহণ, যৌন সঙ্গীর পুরুষত্বহীনতা।

অন্যান্য কারণ-

নিউরোলজিক্যাল, গাইনোকলজিক্যাল, হরমোনাল।

চিকিৎসা-

দীর্ঘদিন ধরে যদি নারী বা পুরুষ চরমপুলক না পায় তবে যৌনমিলনে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। কাজেই এ ব্যাপারে যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পারামর্শ নেয়া উচিত। সাধারনত চরমপুলক জনিত সমস্যার ক্ষেত্রে ডাক্তারী চিকিৎসাগুলো হলো- ঙ সাইকোথেরাপি।

ঙ বিহেভিয়ার থেরাপি। ঙ কিজেল ব্যায়াম । ঙ গ্রুপ থেরাপি। ঙ সেঙ থেরাপি। ঙ হেলেন কপলান থেরাপি।

যৌন শীতলতা-

যৌন সংক্রান্ত নানা সমস্যার মধ্যে যৌন শীতলতা সমস্যা একটি মারাত্নক সমস্যা । যৌন শীতলতা ফলে নারীর যৌন আগ্রহ এবং উত্তেজনা কমে যায়। যদি এই সমস্যা ক্রনিক হয়ে যায় তবে নানাবিধ চিকিৎসার দ্বারাও একে ভলো করে তোলা সম্ভব হয় না। সব নারীরই যে যৌন শীতলতা সমস্যা দেখা দেয় তা নয়। এটি নিু আর্থ সামাজিক অবস্থা থেকে শুরু করে উচ্চ আর্থ-সামাজিক পরিবেশের যে কোনো নারীর যে কোনো বয়সে হতে পারে। তবে সাধারণত যৌন শীতলতায় আক্রান্ত হবার উপযুক্ত সময় হলো মধ্য বয়স। বলা যায় নারীর যৌন জীবনের অন্যতম প্রধান যৌন সমস্যা হলো যৌন শীতলতা বা নারীর ফ্রিজিডিটি সমস্যা। একজন নারী বহু কারণে যৌন শীতল হয়ে পড়তে পারে। যৌন শীতল হওয়া অর্থ নারীর কাছে যৌনতার বিষয়টি কোনো আগ্রহের সৃষ্টি করে না এবং এর জন্য নারী এই বিষয়ে বিরক্তিবোধ করতে পারে। অন্যান্য সমস্যার মতো যৌন শীতলতা সমস্যার জন্যে ও বিভিন্ন প্রকার মানসিক এবং শারীরিক কারণ দায়ী থাকে। অনেক নারীই তাদের প্রথম মাসিক চক্রের সময় থেকেই যৌনতার ব্যাপারে ভীত হয়ে পড়ে। এটি পর্যায়ক্রমে নারীকে যৌন শীতল করে তুলতে থাকে। আবার পুরুষ ভীতিও অনেক নারীর যৌন শীতলতার জন্য দায়ী। এছাড়াও যৌনতার ব্যাপারে নারীকে সবচেয়ে বিমুখ করে তোলে অল্প বয়সে শেখা ধর্মীয় কুসংস্কার এবং সামাজিকতার চাপ। তবে যৌন শীতলতার জন্য সবচেয়ে বেশি যে মনোদৈহিক কারণটি দায়ী তা হলো ভয়। যৌনতার ব্যাপারে অজানা ভয় অনেক নারীকে যৌন বিমুখ করে তোলে। শারীরিক নানা কারণে যৌন শীতল সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বিষাদ। কোনো নারী যদি বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে তবে তার যৌন আগ্রহ কমে যায়। এছাড়া মানসিক চাপ, এড্রেনাল সমস্যা থাইরয়েড ডিসফাংশন এবং হরমোনজনিত কারণে অনেক সময় নারী যৌনতার ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। যোনির শুষ্কতা ,অনাকাঙিত গর্ভাবস্থার চিন্তা এবং জন্মনিয়ন্ত্রণের কথা চিন্তা করেও অনেক নারী যৌন শীতল হয়ে পড়েন। আবার কোনো দম্পতির মধ্যকার মানসিক এবং শারীরিক সম্পর্ক যদি অপর্যাপ্ত হয়, তবে নারীর যৌন শীতলতা সমস্যা দেখা দিতে পারে। নারীর সাথে পুরুষের সম্পর্কের উপর ও যৌন শীতলতার ব্যাপারটি নির্ভর করে। এতে করেও নানা প্রকার যৌন সমস্যা হতে পারে। কোনো কোনো নারী এতে করে যৌন উত্তেজিত হতে পারে না। ক্রমাগত এই অবস্থা চলতে তাকলে নারী এক সময় যৌনতার বিষয়ে একেবারে উদাসীন হয়ে পড়ে। কাজেই এটিও বিবেচনা করা উচিত যে নারী এবং পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক কতোটা গভীর। কোনো দম্পতীর ভেতর এরকম সমস্যা চলতে থাকলে উভয়ের মধ্যে এই বিষয়ে আলোচনা করে নেয়া উচিত। এতে করে আশা করা যায়, সমস্যা অনেক খানি কমে আসবে। পরবর্তীতে যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া একান্ত প্রয়োজনীয়। নারী, পুরুষের যৌন শীতলতা শিক্ষা অনেক ক্ষেত্রে তাদের যৌনতাকে তিগ্রস্ত করে। অনেক নারী পুরুষ যৌনতার বিষয়ে নানা কুসংস্কার মনে পোষণ করে। এতে করেও যৌনতা সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। যৌনতা বিয়ষক নানা মিথ্যা ধারণা নারী এবং পুরুষের যৌনতাকে তিগ্রস্ত করতে পারে। কাজেই এব্যাপারে নারী পুরুষ উভয়কেই মনোযোগী হতে হবে। যৌনতা সংক্রান্ত সমস্যাগুলো নারী এবং পুরুষের দৈহিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে। অনেকে এই বিষয়ে অন্য কারো কাছে লজ্জা বলতে দ্বিধাবোধ করেন। তবে এই বিষয়গুলো চেপে যাওয়া উচিত নয়। সমাধান বলতে ডাক্তারের, বিশেষজ্ঞের বা গাইনোকলজিস্টের পরামর্শ নেয়া উচিত। যৌনতা ব্যাপারটি প্রতিটি মানুষের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়। কাজেই এ সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যার বিষয়ে অতি শীঘ্র ডাক্তারের কাছে পরামর্শ চাওয়াটাই যৌক্তিক হবে আমাদের গ্রাম্য সমাজে হাতুড়ে ডাক্তার বা গ্রাম্য দাওয়াই খেয়ে অনেক নারী এবং পুরুষ সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলেন। অথচ কিছু টাকা খরচ করেই হয়তো ভালো চিকিৎসা পাওয়া যেতে পারে। কাজেই এ ব্যাপারে সাবধানতা এবং সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে। মনে রাখা উচিত সুস্থ যৌনতার জন্য শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতার ও প্রয়োজন রয়েছে।

কিছু পরামর্শ-

সুস্থ দেহ এবং সুস্থ যৌনতা কোনো বিকল্প নেই। তবে এই ব্যাপারে সতর্ক এবং মনোযোগি হতে হবে। একটু চেষ্টা করলেই পুরুষ এবং নারী উভয়েই ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে দৃষ্টি দিতে পারেন। নিজের ব্যক্তিগত যত্নগুলোর সম্বন্ধে ল্য রাখুন এবং এগুলো রপ্ত করার চেষ্টা করুন। সেঙ থেরাপিস্টরা নারী এবং পুরুষের যৌন নানা সমস্যার চিকিৎসার চেয়ে বরং আগাম প্রতিরোধের উপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন বেশি। নানা প্রকার যৌনতা সংক্রান্ত সমস্যা কাটাতে কয়েকটি বিষয়ের দিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত। নিয়মিতভাবে যৌনাঙ্গ পরিস্কার করা উচিত। যৌনাঙ্গ নিয়মিত পরিস্কারের পাশাপাশি যৌনাঙ্গের শুষ্কতার ব্যাপারে লক্ষ্য রাখুন যৌনাঙ্গ এবং এর আশে পাশের গন্ধ তাড়াতে নানা সেপ্র কোনো অবস্থাতেই ব্যবহার করবেন না। এগুলোর কোনো উপযোগিতা নেই। যে দম্পতিরা নিয়মিত পায়ুকাম করে থাকে তাদেরকে যৌন কর্মকান্ডে অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। যে কোনো অবস্থাতেই পায়ুকাম করার পরে এবং পুরুষের লিঙ্গ নারীর যোনিতে ঢুকানোর আগে পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নেয়া উচিত।

ড্রাগ এবং যৌনতা

পুরুষের জীবনে যৌনতা যতোটা স্বাভাবিক, নেশাদ্রব গ্রহন ততোটা স্বাভাবিক নয়। বরং বিভিন্ন ক্ষেত্রেই নেশা দ্রব্য গ্রহণের ফলে পুরুষের শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রে প্রধাণত পুরুষত্বহীনতা সবচেয়ে মারাত্মক সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত হয়। আর মানসিকভাবে নেশা দ্রব্য গ্রহনের ফলে একজন পুরুষ নানাভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়তে পারে। শারীরিক অসুস্থতা নিবারণের এমন কিছু ওষুধ আছে যা দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে পুরুষের শারীরিক অমতা দেখা দিতে পারে। তেমনি মানসিক নানা রোগের চিকিৎসাতের ও এমন কিছু ওষুধের ব্যবহার হয় যা দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে একজন পুরুষের শারীরিক ভারসাম্যতা নষ্ট হতে পারে। যে কয়েকটি ড্রাগ যৌনতার উপর প্রভাব ফেলে–

এল এস ডি, মারিজুয়ানা, কোকেইন, এমফিটামিন, হ্যালুসিনোজেনস, চরস, ভাং, আফিং, গাঁজা, এলকোহল।

যৌন সংক্রামক রোগ

যৌন সংক্রামক রোগ হলো অন্যের শরীরের স্পর্শে নিজের দেহে মারাত্নক ধরনের জীবাণুর আক্রমণ। বহু ক্ষেত্রে যৌন সংক্রামক রোগের সঠিক কোনো চিহ্ন এবং উপসর্গ থাকে না। একজন পুরুষ অথবা একজন নারী কাজেই বুঝতে পারে না তারা আদৌ যৌন সংক্রামক কোনো রোগে আক্রান্ত কিনা। একটি দেশে বা সমাজে যৌন রোগে আক্রান্ত রোগিদের প্রকৃত সংখ্যা কত তা কখনো সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায় না । আমাদের দেশে অধিকাংশ নারী যৌন নানা সমস্যায় ভুগে থাকে তবে যৌন রোগে নয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে যে সব নারী পতিতাবৃত্তির সাথে জড়িত তাদের যৌন সংক্রামক রোগের সম্ভবনা থাকে শতকরা ৯৯ ভাগ। ধারণা করা হয় প্রতি বছর গড়ে ৫০ মিলিয়ন রোগী নতুন করে সিফিলিসে এবং ২৫০ মিলিয়ন রোগী গনোরিয়ায় আক্রন্ত হয়। বৃটেনে প্রতি বছর ০.৫ মিলিয়ন নতুন যৌন রোগী শনাক্ত করা হয়। সেখানে আগের তুলনায় গনোরিয়া এবং সিফিলিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা শতকরা ৬ ভাগ বেড়ে গেছে উন্নত দেশগুলোতে স্যালামাইডিয়া নামের এক প্রকার জীবাণু ঘটিত যৌন রোগীর সংখ্যা আশস্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইংল্যান্ডে নতুন সনাক্ত যৌন রোগীদের শতকরা ৪০ জন এই স্যালামাইডিয়া আক্রান্ত । পেনিসিলিনসহ অন্যান্য এন্টিবায়োটিক আবিস্কৃত হবার পর এই রোগের জটিলতা কমে গেছে । কিন্তু অযৌক্তিকভাবে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের জন্য রেজিস্ট্যান্ট জীবাণুর সংখ্যাও বেড়ে গেছে। শুধু তাই নয় পেনিসিলিনের চেয়েও অধিক শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক অনেক সময় এই রোগগুলোর জন্য কাজ করে না। জীবাণুগুলো । এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলে।তবে এটা ঠিক যে তাড়াতাড়ি চিকিৎসার কারণে বর্তমানে মারাত্নক যৌনরোগ যেমন নিউরোসিফিলিস, সিফিলিস ঘটিত হৃদরোগ ইত্যাদির সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে। এই মুহূর্তে একমাত্র এইডস ছাড়া সব যৌনরোগই অতি সহজে সারিয়ে তোলা সম্ভব। যদি তা সময়মতো নিরীণ করা যায়। যে উপসর্গগুলো দেখা মাত্র ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত বা যে বিষয়গুলো ল্য করা উচিত কিংবা যে বিষয়গুলো সম্বন্ধে ডাক্তারের কাছে জেনে নেয়া উচিত সে গুলো হলো –

১. পুরুষের লিঙ্গের মাথায় যদি কোনো সাদা দাগ বা র্যাস দেখা যায় তবে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত

২. অনেককে অভিযোগ করতে শোনা যায় যে, স্ত্রীর মাসিক চক্র চালাকালীন সময়ে তার সাথে যৌনমিলন ঘটানোর ফলে লিঙ্গে অস্বাভাবিক দানার সৃষ্টি হয় । এটি আসলে যৌন সংক্রামক কোনো রোগের উপসর্গ কিনা সে ব্যাপারে অনেকে বিভ্রান্ত থাকেন । এই বিভ্রান্তি কাটানোর জন্য ডাক্তারী পরামর্শ নেয়া উচিত ।

৩. মনে রাখা উচিত পতিতা সঙ্গমের ফলে অবশ্যই একজন পুরুষের যৌন সংক্রামক রোগ হতে পারে । অনেক পুরুষ পতিতা সহবাসের পরে ডেটল বা এই জাতীয় পদার্থ দিয়ে লিঙ্গ ধুয়ে ফেলে মনে করেন হয়তো বা তার জীবাণু সংক্রামণ হবে না। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা।

৪. অনেকে আবার প্রচুর পরিমাণে মদ পান করে পতিতা সঙ্গম করে যাতে করে তারা সহজেই যৌন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়। ডাক্তারের কাছে রোগের চিকিৎসা নেওয়ার সময় যদি এ ব্যাপারটি উল্লেখ না করা হয়। তবে ডাক্তারের পক্ষে রোগ নির্ণয় করা সমস্যা হবে।

৫. অনেকে যৌনমিলনের পরে সোডা জাতীয় পানি পান করে থাকে। অনেকের ধারণা এতে করে যৌন সংক্রমক রোগের প্রকোপ কমে। আসলে এটি একটি ভুল ধারণা।

৬. ভেষজ নানা চিকিৎসা দ্বারা অনেক ক্ষেত্রে যৌন সংক্রমক রোগের হাত থেকে রা পাওয়া যায়। তবে এসব ভেষজ চিকিৎসা মান সম্মত হতে হয়।

৭. যৌনমিলনের সময় কনডম ব্যবহার করলে যৌন সংক্রামক রোগের সম্ভাবনা থাকে না

৮. অনেকে নারীর দীর্ঘদিন যাবৎ যোনি থেকে তরলের রণ হবার পরও এ ব্যাপারে কোনো ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহন করে না বিধায় এটি আসলে যৌন সংক্রামক রোগের উপসর্গ কিনা তা বলা মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়।

যৌন রোগের সমস্যায় গনিকারা

অনভিজ্ঞ গনিকারা যৌন রোগ সংক্রমনের সমস্যার সন্মূখীন হচ্ছেন৷ গনিকা হলেও যারা এই বৃত্তিতে নতুন এসেছেন বা যারা এই পেশায় অনভিজ্ঞ তাদের জন্য তাদের অর্থ উপার্জনের পথটি রীতিমত বিপদ ডেকে আনছে৷ সমীক্ষার ফলে দেখা গেছে অনভিজ্ঞতার কারণে তাদের মধ্যে যৌন রোগ বেশী দেখা যায়৷ আর এদের মধ্যেই যৌন সংক্রামন বেশী হয়৷ এই sexually transmitted infections(STIs)এর দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে নবিশ যৌন কর্মীরা৷ সমীক্ষা জানাচ্ছে গত এক বছরের মধ্যে অন্তত 60 শতাংশ নতুন যৌন কর্মী এই অবস্থার শিকার হয়েছেন৷ তাদের মধ্যে যে উপসর্গ গুলি দেখা যায় ডাক্তা রী পরিভাষায় সেগুলি হল Prevalence of gonorrhoea, chlamydia৷ অভিজ্ঞ যৌন কর্মীরাও এই রোগে আক্রান্ত হন৷ কিন্তু তাদের তুলনায় অনেক বেশী নতুন যৌন কর্মীরা যৌন রোগে আক্রান্ত হন৷ এই যৌন কর্মীদের মধ্যে 2.3% syphillis, 13.0% gonorrhoea এবং 14.4% chlamydia তে আক্রান্ত হয়৷ নতুন যৌনকর্মীদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ হিসাবে দেখা যাচ্ছে রোগ প্রতিরোধের সঠিক উপায় তাদের জানা নেই৷ এছাড়া clientদের সঙ্গে এই ব্যাপারে কিভাবে বোঝাপড়া করে এগোনো দরকার সে বিষয়টিও তাদের অজানা৷ যারা এই পেশায় দীর্ঘদিন আছেন তারা তাদের সুরক্ষার বিষয়ে যথেষ্ঠ সচেতন আর তাদের শারীরিক গঠনও পরিপক্ক হওয়াতে তাদের মধ্যে রোগের আশঙ্কাও কম থাকে৷ তাই অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক গঠনও যৌন রোগের বাড়বাড়ন্ত ঘটায় নতুনদের শরীরে ৷

যৌন মিলনে পুরুষদের শুক্রানু বাড়ে

পুরুষরা যদি প্রতিদিন তাদের জীবনসঙ্গীনির সঙ্গে দৈহিক ভাবে মিলিত হন তাহলে তাদের শুক্রানু হ্রাস পাওয়া কমবে৷ কিছুদিন আগেই একটি গবেষণাতে এই তথ্য প্রমানিত হযেছে৷ অস্ট্রেলিয়ার এক বিশেষজ্ঞ 118 জন পুরুষের উপর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালান৷ এরা সকলেই স্বাভাবিকের তুলনায় বেশী পরিমাণে শুক্রানু হ্রাস পাওয়ার সমস্যায় ভুগছিলেন৷ পরীক্ষায় ধরা পড়েছিল এদের সকলেরই ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে 15 থেকে 98 শতাংশ শুক্রানু হ্রাস পেয়েছিল৷ তবে ওষুধ নয়,তাদের নিয়মিতভাবে যৌন মিলনের পরামর্শ দেওয়া হয়৷ এতে এদের মধ্যে চার থেকে পাঁচজন মানুষের প্রত্যেকেরই শুক্রানুর পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে৷

যে কোনো ব্যাপারে পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন : ০১৭৭৭৯৮৮৮৮৯

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *