এখন ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে কেমোথেরাপির চেয়ে ১০ হাজার গুণ শক্তিশালী ফল বাংলাদেশে (ভিডিওসহ)

0
170

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

বন্দর খড়িবাড়ী গ্রামে এ্যানোনা মিউরিকাটা গোত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধক ফল করোসল (corossol) ধরেছে। এই ফলের গাছ সংগ্রহ করা হয়েছিল আইভরিকোস্ট থেকে। সংগ্রহ করা ছয়টি গাছের মধ্যে একটি গাছে ফল ধরেছে। যা প্রচার পাওয়ায় ওই ফলটি এক নজর দেখতে ভিড় করছে মানুষজন। দুই একর জমির ওই বাগানে মানবদেহের জন্য উপকারী এমন দুই শতাধিক ঔষধি ও ফলজ গাছ রয়েছে। ‘করোসল’ অনেক দেশেই ক্যান্সার প্রতিরোধক ফল হিসেবে পরিচিত। নীলফামারীর খড়িবাড়ী গ্রামের ঔষধি ও ফলজ বাগানের মালিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আলমাস রাইসুল গনি। বিভিন্ন দেশ ঘুরে চারা সংগ্রহ করে নিয়ে এসে তিনি বাগানটি তৈরি করেছেন।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ভিডিও তে দেখুন এই ফল কীভাবে মানুষের উপকার করে :


গ্রাভিওলা একটি ফলের নাম। যার অন্য নাম করোসেল (corossol), সাওয়ারসপ(Soursop), গুয়ানাবা( Guanaba), গুয়ানাভানা(Guanavana), ব্রাজিলিয়ান পাও পাও (Brazilian paw paw) ইত্যাদি। এই ফলটি পৃথিবীকে আশ্চর্য করে দিয়েছে। ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে এই ফলটি কেমোথেরাপির চেয়ে হাজারগুণ বেশী কাজ করে। এবং এটিতে শরীরের শক্তিও জোগাড় হয়। গ্রাভিওলা ফলের স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে বহু প্রবন্ধ, নিবন্ধ লেখা হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রাভিওলা গাছ দক্ষিণ আমেরিকা , কিউবা, মেক্সিকো, সেন্ট্রাল আমেরিকা, বিশেষ করে, আমাজান নদী অববাহিকায় দেখা যায়। এটি ১৫ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। আর এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান।

গ্রাভিওলা ফলে রয়েছে বেশ উপকারিতা। এর পাতা, বাকর, রস, বীজ ভিন্ন ভিন্ন উপকারে আসে। তবে এর বাকল ও পাতায় রয়েছে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য উপকারিতা। হাজার বছর ধরে লিভার সমস্যা, বাত থেকে প্যারাসাইট এর মতো রোগ নিরাময়ে ঔষধ হিসেবে গ্রাভিওলার পাতা ও বাকল খেয়ে আসছে আমাজানের বাসিন্দারা।

গ্রাভিওলা আম্লিক ফল হিসেবেও পরিচিত। বলা হচ্ছে- ক্যান্সার সেলের মৃত্যু ঘটাতে কেমোথেরাপির চেয়ে এটি ১০ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার, ফুসফুস ক্যান্সার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, প্রসটেট ক্যান্সারে এটা বেশী কার্যকর।

কিভাবে এটি কাজ করে?

করোসেল গাছের পাতা, বাকল ও বীজের নির্যাসে রয়েছে আনোনাসিয়াস এসেটোজেনিন (Annonaceous acetogenin) নামক এক ধরনের যৌগ, যা কিনা ক্যান্সার কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এটি ক্যান্সার কোষে শক্তি সরবরাহ বন্ধ করে দেয় এবং রক্ত প্রবাহ আটকে দেয়। ফলে ক্যান্সার কোষ আর অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে পারেনা। তবে এ নিয়ে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তারা গ্রাভিওলার অন্য উপকারিতার উপর বেশী জোর দিয়েছেন। তারা বলছেন, গ্রাভিওলা গোটা রোগ প্রতিরোধ বাবস্থাকে সমর্থন করে। শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। অল্প বয়সে বার্ধক্য প্রতিরোধ করে। এছাড়াও এই ফলের নির্যাস আথ্রাইটিস পেইন, জয়েন্ট পেইন, নাকের প্রদাহ, আক্সিমা প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়।

এখন দেখার বিষয় নীলফামারীর এই মহা উপকারী ফল কিভাবে রোগ নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়।

নিজ উদ্যোগে শতাধিক ঔষধি গাছের পাশাপাশি করোসলের ফলনে কর্নেল আলমাস রাইসুল গনির বাগানটি বাংলাদেশের মডেল বাগান হিসেবে বিশেষ ভূমিকা রাখবে এটাই সবার প্রত্যাশা।

কীভাবে কাজ করে করোসল?

করোসল গাছে রয়েছে অ্যানোনাসিয়াস অ্যাস্টোজেনিন নামে এক ধরনের যৌগ। এই যৌগ ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধি রুখে দেয়, যা কেমোথেরাপি করে। ফলে ক্যান্সার কোষ আর বাড়তে পারে না। এছাড়া নিয়মিত এই ফল খেতে পারলে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা বেড়ে যায়। রক্তকে শোধিত করতেও এই ফলের গুণ অনস্বীকার্য।

এ ফল দিয়ে তৈরি ক্যান্সার সেল ধ্বংসকারী ঔষধ  Corossol  পেতে যোগাযোগ করুন হাকীম মিজানুর রহমান এর সাথে।

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : +88 01742057854, +88 01777988889, +88 01762240650

( যোগাযোগ : সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

ফেইসবুক পেজ : web.facebook.com/ibnsinahealthcare

সরাসরি যোগাযোগ : IBN SINA HEALTH CARE, Hazigonj. Chandpur.

ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com

শ্বেতীযৌনরোগহার্পিসপাইলসডায়াবেটিস,  অ্যালার্জি, লিকুরিয়াব্রেনস্ট্রোক, হার্ট ও শিরার ব্লকেজউচ্চ রক্তচাপ,হার্ট অ্যাটাকচর্মরোগক্যান্সার, আইবিএস, বাত বেদনা জন্ডিসলিভার সমস্যাস্ত্রী রোগআইবিএস, বন্ধাত্ব, গাউট, পক্ষাঘাত, স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।

শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও প্রতিকার

দেশ বিদেশে হাজার হাজার মানুষ এ রোগে ভুগছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে কেউ কেউ এক বছর থেকে দশ-পনেরো বছর পর্যন্ত বয়ে চলছেন অসুখটি। কিন্তু অনেক সময় অনেক চিকিৎসা করেও সঠিক চিকিৎসার অভাবে এবং এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান ও প্রয়োগের অভাবে রোগ থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছেন না। এই নিবন্ধে আমরা চেষ্টা করেছি সেই সঠিক তথ্যাদি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে, যাতে আপনারা বিষয়টি সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।  শ্বেতী রোগ আক্রান্তদের মনের কষ্ট বুঝতে পেরে তাদের সহযোগিতায় আমাদের এ ছোট্ট নিবেদন। এই প্রবন্ধের শেষের দিকে কিছু ইংরেজি আর্টিকেল সংগ্রহ করে দেয়া হয়েছে। সেখানেও এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভের নানা পন্থা সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে। আপনারা এ রোগ থেকে মুক্ত হন, এটাই আমাদের কামনা। –

শ্বেতী – বড় অদ্ভুত একটি রোগ, তবে ভয়াবহ নয় মোটেও! শুধুমাত্র রোগটি সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে শ্বেতী রোগীকে দেখলে আঁতকে ওঠেন অনেকেই। অনেকেই ভ্রূ কুঞ্চিত করেন ভাবনায়, ছোঁয়াচে নয়তো! একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার এই অভিব্যক্তি দেখে শ্বেতী রোগীর মনে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়? কেউ হয়তো অপমানিতবোধ করেন, কেউ বা পান কষ্ট!

যাদের শ্বেতীরোগ আছে Recap নামের ঔষধটি ব্যবহারে তারা চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন৷ এটা একটা ভাল মানের চিকিৎসা সেবা। তবে এই শ্বেতীরোগ চিকিৎসায় ভাল হতে একটু সময় লাগে ৷কারো কারো দেড় দুই বছর সময় লাগে ৷ কারো কারো কম সময়ে ভাল হয়৷ তবে শ্বেতীরোগের পরিমানের উপর সময় কম বা বেশী লাগে ৷ তবে ২-৩ মাস পর থেকে ভাল কাযকারিতা পেতে থাকবেন ৷ নিরাশ না হয়ে চিকিৎসা সেবা নিলে ভাল ফল পাবেন।

বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের নিরলস সাধনায় অনেকটা নিরাময়যোগ্য ওষুধের আবিষ্কার হয়েছে। কীভাবে বুঝবেন শ্বেতী হয়েছে¬ এই রোগে আক্রান্ত রোগীর চর্ম সাদা হয়ে যায়। এতে সর্বপ্রথম সাদা বিন্দুর দাগ পড়ে এবং ধীরে ধীরে অধিক স্থানজুড়ে সাদা হয়ে পড়ে।


করণীয় :
প্রাথমিক পর্যায় হলে সম্প্রতি আবিষ্কৃত Recapনামের ঔষধটি ব্যবহারে এর সফল চিকিৎসা আছে। রোগের বয়স দীর্ঘ বা ক্রনিক হলে দীর্ঘ দিন ওষুধ সেবন করতে হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগী দু’জনকে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয়। অনেকেই আমাদের কাছে ফোন করেন। জানতে চান এ ঔষধের গ্যারান্টি বা এ ঔষধে প্রকৃতপক্ষে কাজ হবে কি-না। এ বিষয়ে জানা দরকার। যাদের এ রোগটি শুরুর সাথে সাথেই চিকিৎসা শুরু করা যায় অর্থাৎ ঔষধ প্রয়োগ করা যায় এবং নিম্নে বর্ণিত খাবার বিধি-নিষেধের বিষয়ে সচেতন হওয়া যায়। তাদের এ রোগ সহজেই নির্মূল হয়। আর এ রোগটি দু’তিন বছর যারা লালন পালন করছেন। খাবার দাবার বিধি-নিষেধমতো গ্রহণ করছেন না, ঔষধ প্রয়োগ করছেন না তাদের সুস্থ হতে তিন, চার বা ছয়মাস এমনকি দু’এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে ঔষধ প্রয়োগের বিষয়ে ধৈর্য হারাবেন না। ঔষধ ব্যবহার করতে হবে এবং খাবার-দাবারের বিষয়ে নিম্নে বর্ণিত বিধি নিষেধগুলো মেনে চলতে হবে। কোনো ডাক্তার আপনার রোগ আরোগ্যের বিষয়ে গ্যারান্টি দিতে পারবে না। আর গ্যারান্টি দিয়েই বা কী হবে, যদি আপনি ঠিকমতো ঔষধ প্রয়োগ এবং খাবার দাবারের বিষয়ে বিধি নিষেধগুলো মেনে না চলেন।

কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ থাকলে দূর করতে হবে। দুধ, ছানা, মাখন, স্নেহজাতীয়, ফলের রস ও অন্যান্য পুষ্টির খাদ্য হিতকর। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ভালো।

যা বেশি বেশি খাবেন :

খুরমা খেজুর, সবুজ মটরশুটি, শালগম, পালং শাক, এপ্রিকট, মেথি, ডুমুর, সবুজ শাকশবজি, আম, পেয়াজ, পেস্তা, আলু, পিউর ঘি, মুলা, লাল মরিচ, শাকসবজি, আখরোট, গম

যা নিষেধ :

ধূমপান, এলকোহল সেবন, উগ্রমশলাযুক্ত খাবার বর্জনীয়। তবে কেউ কেউ বলে থাকেন- সাদাজাতীয় খাবার খাবেন না। যেমন- দুধ, ডিম, ছানা ইত্যাদি, তা সম্পূর্ণ কুসংস্কার।

যা একদম খাবেন না :

জাম, অরেঞ্জ, ব্লু বেরিজ, অ্যালকোহল, মাখন, কাজুবাদাম, চকোলেট, মাছ, রসুন, আঙ্গুর, পেয়ারা, লেবু, সামুদ্রিক তৈলজাত খাবার, পেপে, নাশপাতি, বরই, গরুর গোস্ত,  সোডা জাতীয় যে কোনো কোমল পানীয় (যেমন পেপসি, কোকাকোলা, সেভেন আপ ইত্যাদি) , টমেটো, তরমুজ।

ব্যবহার করবেন :

আক্রান্ত স্থানে নারকেল তেল, আদার রস, তামার পাত্রে সারারাত পানি রেখে সেই পানি সকালে খাবেন, লাল মাটি, নিম পাতা বেটে ঘোলের সাথে মিশিয়ে লাগাতে হবে।

ওপরে বর্ণিত বিষয়গুলো মেনে চললে এবং শ্বেতি রোগের সম্প্রতি আবিষ্কৃত Recap নামের ঔষধটি ব্যবহার করতে পারলে আপনার এ রোগ চলে যাবে চিরতরে। এটি  একটি যুগান্তকারী ঔষধ।

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : +88 01742057854, +88 01777988889, +88 01762240650

( যোগাযোগ : সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

ফেইসবুক পেজ : web.facebook.com/ibnsinahealthcare

সরাসরি যোগাযোগ : IBN SINA HEALTH CARE, Hazigonj. Chandpur.

প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি হলে এক বা দু’মাস চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায়। তবে যাদের দু’তিন বছর বা তারও বেশি সময় ধরে শ্বেতী, তাদেরকে 3-6 মাস এমনকি 2-3 বছর পর্যন্ত এ চিকিৎসা গ্রহণ করতে হয়।

Recap সাবধানে ক্রিম প্রয়োগ এবং নাক, মুখ, চোখ সঙ্গে যোগাযোগ এড়ানো নিশ্চিত করুন। দৈনন্দিন (সকাল ও সন্ধ্যা) শরীরের আক্রান্ত এলাকায় Recap ব্যবহার করুন।

Recap ব্যবহার করার পদ্ধতি
Recap একটি সাময়িক মলম বা ক্রিম এবং আক্রান্ত ত্বক এলাকায় বাহ্যিকভাবে প্রয়োগ করা হয়। এই চিকিৎসা ব্যবহার করে পরে হাত ধোয়া নিশ্চিত করুন। একটি পাতলা স্তর প্রয়োগ এবং আলতো করে ঘষে পর্যন্ত এটা চামড়ার মধ্যে প্রয়োগ করুন।

এছাড়াও Recap ব্যবহারের আগে সকাল বেলা প্যাকেটের ভেতর দেয়া নির্দেশিত অতিরিক্ত একটি মিশ্রণ ব্যবহার করলে সুফল পাবেন গায়ের বর্ণ আগের মতো ফিরে পাবেন এবং শ্বেতী রোগ চলে যাবে ক্রমে ক্রমে।

 

শ্বেতি শরীরের কোন অংশে হয় :

মুখমণ্ডল, কনুই, বক্ষদেশ এসব জায়গাতেই প্রথমে শ্বেতী হতে শুরু করে। কখনো কখনো শ্বেতী চোখের পাশ দিয়ে, নাকের দুপাশে বা ঠোঁটের কোণ বা উপর দিয়েও শুরু হয়। কিছু ক্ষেত্রে শ্বেতী খুব একটা ছড়ায় না, একটা বিশেষ জায়গাতেই থাকে। আবার কখনো এমনভাবে মুখে, বুকে, হাতে, পায়ে ছড়িয়ে পড়ে যে বোঝাই না এক সময় গায়ের রং আসলে কী ছিল! দ্বিতীয় ধরনের শ্বেতীর দাগই মানুষকে শ্রীহীন করে তোলে।

কোন বয়সে হয় :

সদ্যোজাত শিশুর শ্বেতী একেবারেই ধরা পড়ে না। ৫০ শতাংশ শ্বেতী ধরা পড়ে বয়স বছর দশেক হলে। বাকিদের শ্বেতী হয় বয়স দশ বছর পার হয়ে জীবনের যেকোনো সময়ে।

চিকিৎসা :

ছোট আকৃতির শ্বেতী মলম বা ওষুধে সেরে যেতে পারে। চিকিত্‍সকের পরামর্শ অনুযায়ী Recap মলম লাগানো বা ওষুধ সেবনের পাশাপাশি সকালবেলার রোদ লাগাতে হবে শ্বেতী-আক্রান্ত স্থানে। বড় আকারের শ্বেতী হলে Recape মলম আর ওষুধে কাজ হতে প্রায় দু বছরও লাগতে পারে।

ওষুধপর্বে কাজ না হলে এর পরে রয়েছে অপারেশন পর্ব। শ্বেতী চিকিত্‍সায় অপারেশনের নাম পাঞ্চ গ্রাফটিং। এ চিকিত্‍সা স্থিতিশীল শ্বেতী সারাতে করা হয়। অর্থাৎ যে শ্বেতী বছর দুয়েক মোটামুটি একই জায়গায় অবস্থান করে সেটাই স্থিতিশীল শ্বেতী।

লক্ষ্য করুন :

– যত অল্প বয়সে শ্বেতীর চিকিত্‍সা করা যায় তত ভালো।
– শরীরের যেকোনো জায়গায় সাদা দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিত্‍সকের সাথে যোগাযোগ করুন।
– ডায়াবেটিস, হাইপার থাইরয়েড – এসব যাদের আছে তাদের শ্বেতী হবার প্রবণতা বেশি থাকে।

শ্বেতি রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চর্মরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং অধ্যাপক ডা. রাশেদ মোহাম্মদ খান।

কারণ: ম্যালাসেজিয়া ফারফার নামক এক ধরনের ছত্রাক শ্বেতি রোগের কারণ। শরীরের যে কোনে স্থানেই এই ছত্রাকের আক্রমণ হতে পারে। তবে সাধারণত মুখ, বুক, পিঠ, হাতে ও পায়ে এর সংক্রমন বেশি দেখা যায়।

ছত্রাক আক্রান্ত স্থানে তৈরি করে ‘অ্যাজালাইক অ্যাসিড’, যা ত্বকের রং নির্ধারক উপাদান ‘পিগমেন্ট’ খেয়ে ফেলে। ফলে ওই স্থানটি সাদা বর্ণ ধারণ করে। ত্বকের এই রং পরিবর্তন হওয়াকে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয় ‘পিটেরেসিস ভার্সিকালার’। বিবর্ণ হওয়ার পাশাপাশি চুলকানিও থাকতে পারে।


চিকিৎসা:
তবে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে জন্মগতভাবে যাদের শ্বেতি রোগ রয়েছে তাদেরটা ভালো হয় না।

এই রোগের চিকিৎসা বেশ সহজ। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ‘অ্যান্টি-ফাঙ্গাল’ বা ছত্রাকরোধী ওষুধ Recap ব্যবহার করতে পারেন। Recap নামের এই ঔষধটি ব্যবহার করলে শ্বেতী রোগ চলে যাবে চিরতরে।

সতর্কতা:

তবে দীর্ঘসময় ত্বক ভেজা থাকলে শ্বেতি ফিরে আসতে পারে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশও শ্বেতির একটি কারণ। এজন্য ঘামে ভেজা কাপড় বেশিক্ষণ পরে থাকা যাবে না। বাইরে থেকে এসে কাপড় খুলে বাতাসে মেলে দিতে হবে।

যারা দীর্ঘসময় পানি নিয়ে কাজ করেন, বিশেষ করে গৃহিনীরা কাজ শেষে হাত মুছে ফেলা উচিৎ। হাতের ও পায়ের আঙুলের ফাঁকগুলো যাতে ভেজা না থাকে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও প্রতিকার :

এর লক্ষণসমূহ ও এ নিয়ে অনেকের দুশ্চিন্তা ও ভ্রান্ত ধারণা। আসুন জেনে নেই এ রোগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা ও এই রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে ”

শ্বেতী রোগ কি ?

–শ্বেতী রোগে ত্বক মেলানিন (যা মানুষের ত্বক, চোখ ও চুলের রঙ নির্ধারণ করে) হারায়। যখন ত্বকের কোষগুলো ক্ষয় হয় বা মারা যায় তখন শ্বেতী রোগ হয়। কারণ ত্বকের কোসগুলোই মেলানিন তৈরি করে। শ্বেতীর ফলে ত্বকের উপর সাদা দাগের আকার দেখা যায়। শ্বেতী রোগ তিনভাবে হতে পারে:

১। শরীরের অল্প কিছু অংশে
২। যে কোন একদিকে (বাম অথবা ডান দিকে)
৩। শরীরের অধিকাংশ জায়গায়

শ্বেতী রোগ হয়েছে কি করে বুঝবেন 

শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো সাধারণত: হলো :

১। ত্বকের উপর সাদা দাগ পড়লে
২। অল্প বয়সে মাথার চুল, চোখের পাপড়ি, ভ্রু, দাড়ি সাদা বা ধূসর হলে
৩। মুখের ভিতরের কলাগুলো বর্ণহীন হলে (Mucous membranes)
৪। চোখের ভিতরের অংশ রংহীণ হলে অথবা রংয়ের পরিবর্তন হলে

ত্বকের কোনো অংশ যখন হঠাৎ করে সাদা হয়ে যায়, চিন্তিত হয়ে পড়েন তখন সবাই। যদিও ত্বক সাদা হয়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রোগীরা জানতে চান এটা শ্বেতী রোগ কি না? যদি শ্বেতী হয় তবে প্রায় ক্ষেত্রেই প্রচন্ড মানসিক চাপে রোগীসহ পরিবারের লোকজন সবাই হতাশ হয়ে পড়েন। কারণ তাদের মাঝে রয়েছে বেশ কিছু ভ্রান্ত ধারণা।

ভ্রান্ত ধারণাঃ শ্বেতী রোগের কোনো চিকিৎসা নেই।

সঠিক তথ্যঃ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রাথমিকভাবে শনাক্তকৃত শ্বেতী রোগের কার্যকর চিকিৎসা আছে। যেমন-মেডিকেল থেরাপি, ফটোথেরাপি, লেজার থেরাপি, কসমেটিক সার্জারি ইত্যাদি। রোগ ও রোগীর অবস্থাভেদে চিকিৎসা নির্বাচন করা হয়।

ভ্রান্ত ধারণাঃ শ্বেতী রোগ ছোঁয়াচে, ত্বকের সংস্পর্শে এলে এটা অন্যকেও আক্রান্ত করতে পারে

সঠিক তথ্যঃ এটা কোনোভাবে ছোঁয়াচে নয়।

ভ্রান্ত ধারণাঃ শ্বেতী রোগ বংশগত রোগ।

সঠিক তথ্যঃ শতকরা মাত্র ৩০ ভাগের ক্ষেত্রে পারিবারিক সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

ভ্রান্ত ধারণাঃ একবার শ্বেতী রোগ শুরু হলে ছড়িয়ে পড়বে সম্পূর্ণ দেহে।

সঠিক তথ্যঃ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা হয় না, বিভিন্ন প্রকার শ্বেতী রোগ আছে। ধরনের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশ পায় এর ব্যাপ্তি ঘটে।

ভ্রান্ত ধারণাঃ শ্বেতী হলে টক বা ভিটামিন সি খাওয়া যাবে না।

সঠিক তথ্যঃ আধুনিক কালের গবেষণায় এটা প্রমাণিত-ভিটামিন সি বা টক খাবারে এই রোগ বাড়ায় না। বরং উপকার করে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে। সঠিক পরিমাণে পুষ্টিকর খাবারের জন্য তাগিদ করা হয়েছে।

ভ্রান্ত ধারণাঃ শ্বেতী রোগে দুধ খাওয়া যাবে না।

সঠিক তথ্যঃ দুধ সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবার। এটা বর্জন করা ভুল হবে। দুধ খেলেই যদি শ্বেতী রোগ হয়, তবে পৃথিবীর সব শিশুরই শ্বেতী রোগ হতো। শ্বেতী রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী, রোগ ও রোগীর অবস্থাভেদে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রদান, পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হয়ে থাকে। মনে রাখতে হবে দুশ্চিন্তা, ঘষা বা আঘাত লাগানো এবং সূর্যের সরাসরি আলো এ রোগের জন্য ক্ষতিকর।

 


যৌন সমস্যার অব্যর্থ ঔষধ Night king

যৌন সমস্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি বিষয়ও জেনে নেওয়া যেতে পারে, আর তা হলো পুরুষাঙ্গের শিথিলতা। এ সবের মধ্যে পুরুষের লিঙ্গ উত্থানে সমস্যা বা ইরেকটাইল ডিজফাংশনটিই প্রকট সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। এই সমস্যাটি নানাবিধ কারণে হতে পারে। এর বড় একটা কারণ হলো মনস্তাত্ত্বিক। এছাড়া কিছু হরমোনের অভাব অথবা মস্তিষ্কের রোগের কারণেও এমনটি হতে পারে।

পুরুষাঙ্গের রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়া কিংবা শিরার যথেষ্ট পরিমাণ রক্ত ধারণ করতে না পারাটাও এমন সমস্যার জন্ম দেয়। কারণগুলোকে ঠিকভাবে চিহ্নিত করলে একটা স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যেতে পারে। এ সমস্ত সমস্যা সমাধানে এবং বেশি সময় ধরে যৌন মিলন করতে আপনি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন একটি ঔষধ সেবন করতে পারেন। যা আমেরিকায় তৈরি হার্বাল ঔষধ। ঔষধটি পেতে যোগাযোগ করতে পারেন নিম্নোক্ত নাম্বারে : 01777988889

night-king

চিকিৎসা :

যৌন দুর্বলতার চিকিৎসা নির্ভর করে রোগের কারণের উপর। পুরুষাঙ্গের উত্থানের সমস্যা যদি কোনো নির্দিষ্ট রোগের কারণে হয় তা হলে অবশ্যই ওই রোগের চিকিৎসা করাতে হবে। তবে সচরাচর এই রোগের জন্য কিছু ওষুধ ব্যবহার করা হয়।

এ হার্বাল ঔষধে একজন নারী কিংবা এক পুরুষের সঙ্গে বার বার মিলন করলে যৌন মিলনে বেশি সময় দেওয়া যায় এবং মিলনে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারণ, এতে পেনিসে রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং পেনিসকে দীর্ঘক্ষণ শক্ত ও মজুবত রাখে।

উপরে বর্নিত ‘নাইট কিং’ ব্যবহারে আপনার সকল প্রকার যৌন সমস্যার সমাধান হবে। যাদের সহবাসের আগে বা যে কোনো সময় হাঁটা চলা করার সময় সেক্স বের হয়ে যায়। সহবাসের আগে আপনার পেনিস নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এই সকল সমস্যায় ‘নাইট কিং’ বেশ কাজ করে। এটি ব্যবহারে পেনিস খুব দ্রুত উত্থান ঘটে। সেক্সুয়াল সমস্যা সমস্যা দূর করে। অনেকে হস্তমৈথুন করতে করতে আপনার পেনিসকে নিস্তেজ করে ফেলেছেন। ‘নাইট কিং’ ব্যবহারে তা আবার আগের মতোই সবল ও সুদৃঢ় হবে।

নিয়মিত মিলনে একে অপরের শরীর এবং ভাললাগা/মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেওয়া-নেওয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

লক্ষণ ভেদে ওষুধগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে পাঠক একটি বিষয় মনে রাখবেন। যে কোনো যৌন সমস্যার সমাধান রয়েছে চিকিৎসায়। তাই রোগ শরীরে পুষে না রেখে আজই একজন ভালো চিকিৎসকের কাছে আসুন।

সম্প্রতি আবিষ্কৃত ঔষধ

পুরুষ ও নারীর জন্যে উপরোক্ত সমস্যা সমাধানে খুব ভালো ঔষধ নাইট কিং। এটি পুরুষ ও নারীর সেক্স বাড়ায় এবং লিঙ্গ উত্থানে খুব সহজেই সাড়া দেয় এবং বেশিক্ষণ স্ত্রী সহবাসে সহযোগিতা করে।

এই ওষুধ সেবনে আপনার লিঙ্গ অনেকক্ষণ শক্ত ও দৃঢ় থাকবে। আপনি অনেকবার যৌনকাজ করতে পারবেন।

ঔষধটি পেতে যোগাযোগ করতে পারেন (সকাল ১০টা থেকে বিকেল ১টা পর্যন্ত) এই নাম্বারে : 01777988889

এই নাম্বারে যোগাযোগ করে আপনি অর্ডার দিয়ে সংগ্রহ করে ব্যবহার করতে পারবেন। 

আপডেট : বাংলাদেশ সময় : ১২:২৫ পূর্বাহ্ন,   ১৩ জুন ২০১৬, সোমবার

                         

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

                                                    

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
1,179 জন পড়েছেন