Health doctor treatment

ছয় মাসে ডায়াবেটিস মুক্ত হওয়ার উপায়

আমাদের দেশে একটা প্রচলিত কথা আছে, মানুষ নাকি খেয়ে মরে, না খেয়ে বেশি দিন বাঁচে। তবে বেশি বা কম খাওয়া নয়, বরং পরিমিত খাদ্য গ্রহণই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি।

আপনার বংশের কারও কি ডায়াবেটিস রোগটি আছে? সবসময় কি খুব টেনশন করেন? কিংবা অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করছেন? উত্তরগুলো যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে কিছু মনে করবেন না, আপনি কিন্তু ডায়াবেটিসের ঝুঁকির মধ্যে আছেন।

আপনাকে ভয় দেখাতে নয়, বরং সচেতন করতেই এই তথ্যটুকু জানানো। আর যারা এ রোগে ইতিমধ্যেই আক্রান্ত, তারা জেনে নিন কীভাবে, কোন ধরনের, কোন সময়ে, কী কী রকম খাদ্য পরিহার করবেন বা গ্রহণ করবেন। আশা করছি হাকীম মিজানুর রহমানের নিজস্ব তৈরি ঔষধ সেবন করে আপনি ছয়মাসে ডায়াবেটিস নরমালে আনতে পারবেন। এটা একটি ভেষজ ঔষধ। যাতে কোনোপ্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

ডায়েট শব্দটা আমাদের কাছে খুব পরিচিত। এটি বুঝায় কী খেতে হবে আর কী খেতে হবে না। কিন্তু ডায়াবেটিসের রোগীর জন্য ডায়েট শব্দটা একটু ভিন্ন। খাদ্যতালিকা নির্ধারণে সহজ কিছু টিপস এই রোগীদের জন্য তো বটেই, সাধারণের জন্যও উপকারী।

কী খাবেন :
* প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে পানি খেতে হবে।
* প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অন্তত তিন ধরনের তাজা সবজির পদ থাকতে হবে।

* প্রতিদিন একই সময়ে খেতে হবে।
* কম ফ্যাটযুক্ত দুধ পান করতে হবে।
* প্রতিদিন কম করে ২০-২৫ গ্রাম কাঁচা পেঁয়াজ খেতে হবে।

* প্রতিদিন খানিকটা দারুচিনি গলাধঃকরণ করতে হবে।
* প্রতিদিন পরিমাণমতো তাজা ফল খেতে হবে।
* মনে রাখতে হবে যতটা সম্ভব হারবাল চা পান করতে হবে, ক্যাফেইন চার পরিবর্তে।

Night King Sex Update
বিজ্ঞাপণ

একটু অদ্ভুত লাগছে নাকি খাবারের তালিকাটা? ভাবছেন, কেন পেঁয়াজ খাব? জেনে আশ্চর্য হবেন যে,
পেঁয়াজের ভেতরে এমন উপাদান থাকে যা আসলে ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। পেঁয়াজ হজমে এবং ডায়াবেটিসের জন্য মূত্রবর্ধক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। দারুচিনি রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। দারুচিনির কয়েকটি টুকরো কিছু সময় পানিতে গরম করে ‘দারুচিনি চা’ হিসেবে খেলে ডায়াবেটিসের জন্য বেশ উপকারী।
খাবেন না বা কম খাবেন :
* কখনও বেশি পরিমাণে খাওয়া চলবে না।
* যেসব খাদ্য বা পানীয়ে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে সেসব বর্জন করতে হবে।

* অতিরিক্ত কাঁচা লবণ নয়।
* বেশি ভাজা ও তৈলাক্ত খাবার খাওয়া যাবে না।
* প্রতিদিন দু কাপের বেশি চা বা কফি খাওয়া যাবে না।

* দুধ খেতে হলে ফ্যাট কমিয়ে খেতে হবে।
* পনির ফ্যাট ছাড়া খেতে হবে।
* ভাত, আলু, কলা এবং গাজর রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়ায়। সুতরাং যত কম খাবেন, তত ভালো।

মনে হয় এগুলো মানা খুব কঠিন কিছু নয়। আপনি যদি ডায়াবেটিক তাহলে এগুলো তো অবশ্যই পালনীয়। আর যারা ভালো আছেন তারা যদি এভাবে নিয়ম মেনে চলেন, তাহলে নিরাপদ থাকতে পারবেন।

জেনে নিন কোন ঔষধ ব্যবহারে সহজেই এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

বর্তমানে অনেকেই ডায়াবেটিসের প্রাকৃতিক চিকিৎসার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী থাকেন। রোগীদের এ আগ্রহের কারণেই সারাবিশ্বেই এ রোগের প্রাকৃতিক চিকিৎসার নানা ঔষধ ব্যাপকভাবে বিক্রি হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আমি আপনাদের কিছু প্রাকৃতিক উপাদান থেকে তৈরি ঔষধের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি যেগুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে এবং যেগুলোর কার্যকারিতা গবেষণাগারেও প্রমাণিত হয়েছে এবং বিভিন্ন জার্নালেও তা প্রকাশিত হয়েছে।

গ্লুকো কেয়ার :

দেহে বাড়তি ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত কার্বহাইড্রেডযুক্ত খাদ্যাভাসের কারণে রক্তে সুগারের মাত্রা অত্যাধিক বেড়ে যায়। ফলে ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগের সৃষ্টি হয়। গ্লুকো কেয়ার নিয়মিত সেবনে রক্তে সুগারের মাত্রা, কলেস্টরেল ও ট্রাইগ্লিসারিড এর মাত্রাও ক্রমশ নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসবে।  গ্লুকো কেয়ার-এ রয়েছে উৎকৃষ্টমানের আইসোলেটেড সয়া প্রোটিনের অংশ আইসোফ্লোভিন ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে অব্যর্থ প্রমানিত এরূপ কয়েকটি দেশীয় পুষ্টি উপাদান।

গ্লুকো কেয়ার নিয়মিত সেবনে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে একশ’ভাগ নিরাপদ পুষ্টি খাদ্যরূপে প্রমাণিত হয়েছে।

সেবন বিধি : এক চা চামচ চূর্ণ কুসুম কুসুম গরম পানির সাথে সেব্য দিনে ২বার।

ঔষধটি পাওয়া যাবে অর্ডার করলে। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে হলে সকাল 10টা থেকে ১২টা এবং বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে যোগাযোগ করতে পারবেন।

চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন এন্টিডায়াবেটিস এই গাছটির পাতার দ্বারা তৈরি ওষধগুলো  সেবনে ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ সহনীয় মাত্রায় আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। এ ঔষধ প্রতিদিন খালিপেটে সেবনে শুধু সুগার এবং কলস্টেরল নিয়ন্ত্রণই করে না, তরতাজা রাখে কিডনি, লিভার এবং নিয়ন্ত্রণে রাখে ব্লাডপ্রেশার। এছাড়া সুগার স্বাভাবিকমাত্রার তুলনায় আরো কমিয়ে হাইপোগ্লামিয়ার বিপদ থেকেও রক্ষা করে এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।

যাদের ডায়াবেটিস, ব্লাডপ্রেশার এবং কলস্টেরল সমস্যা আছে, তাদের প্রতিদিন সকালে খালিপেটে গ্লুকো কেয়ার সেবন করতে

হবে।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
একটি বিশ্বস্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান।

মুঠোফোন : 01742057854 (সকাল দশটা থেকে বিকেল ৫টা)

ইমো/হোয়াটস অ্যাপ : 01762240650

শ্বেতীরোগ,  একজিমা, যৌনরোগ, পাইলস (ফিস্টুলা) ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসক।

সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।

1,482 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন

Leave a Reply