Health doctor treatment

নিম তেল ব্যবহারে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মেলে

নিমকে বলা হয় মহৌষধ। এমনকি আগের দিনে ধারণা করা হতো বাড়ির কাছে নিম গাছ থাকলে রোগ ব্যাধির আক্রমণ অনেক কমে আসে। ঐতিহ্যের মত প্রাচীন এই নিমের পাতা ও ফল সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে অগণিত উপায়ে বিভিন্ন রোগ ব্যাধি থেকে আমাদের মুক্তি দিয়ে আসছে। নিম তেল , সাবান, নিম পাতার পেস্ট এমনকি গরম পানিতে নিমের পাতা দিয়ে গোসল করলেও উপকার পাওয়া যায়।

নিমের উপকারের কথা বলতে গেলে তা শেষ হবার নয়। তাই আজ আমরা শুধুমাত্র নিমের তেলের গুণাগুণ ও প্রস্তুত প্রণালী নিয়ে আলোচনা করবো।

নিমের তেলের গুণাবলী :

নিমের ফল থেকে সরাসরি নিম তেল সংগ্রহ করা হয় বলে এই তেলের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে সন্দেহের অবকাশ নেই। তিক্ত স্বাদের এই উপাদানটি আপনার শরীরের অধিকাংশ সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিয়ে থাকে। শুধুমাত্র নিমের তেল আপনার কোন কোন উপকার সাধন করে থাকে, চলুন একটু দেখে নেই।

gif maker

১। ত্বকের যত্নে নিম তেল

নিম তেলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকে সহজে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেয় না।

নিম তেল ফ্যাটি এসিডে সমৃদ্ধ যার ফলে তেলটি সহজে ত্বকের সাথে মিশে যায় এবং সংকোচন-প্রসারণ সহজতর হয়।

নিয়মিত নিম তেল ব্যবহার করলে ত্বকের বলিরেখা ও বার্ধক্যজনিত যাবতীয় দাগ দূর করা সম্ভব।

নিম তেলে অ্যাসপিরিন জাতীয় উপাদান রয়েছে, যা ব্রণ হওয়ার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে।

ত্বকের লাল ভাব ও ব্রণের ক্ষত থেকে ব্যথা হলে নিমের তেল তা সারিয়ে তোলে।

নিম তেল ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রেখে অ্যাকজিমা প্রতিকার ও প্রতিরোধ করে। তবে, বংশগত কারণে কারও অ্যাকজিমা হলে নিমের তেল তা পুরোপুরি সারিয়ে তুলতে সক্ষম নাও হতে পারে।

ত্বকের ছোট ছোট লালচে দাগ দূর করে।

ত্বকে অতিরিক্ত মেলানিন তৈরিতে বাধা দেয়।

২। চুলের যত্ন

চুলে ও মাথার ত্বকে নিয়মিত নিম তেল ব্যবহারের মাধ্যমে খুশকি থেকে দূরে থাকা সম্ভব।
আপনার ব্যবহার করা শ্যাম্পুতে কয়েক ফোঁটা নিমের তেল মিশান। এবার চুলে শ্যাম্পু মেখে ২-৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। এভাবে আপনার উসকোখুসকো ও প্রাণহীন চুল তার উজ্জ্বল্য ফিরে পেতে পারে।
নিয়মিত নিম তেল ব্যবহারে উকুন তাড়ানো সম্ভব।
চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
চুল ভাঙা রোধ করে।

 

৩। অন্যান্য

নিম তেল একটি উৎকৃষ্ট মানের অ্যান্টি-সেপটিক।
ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস ও উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসার জন্য যেসব ঔষধ গ্রহণ করা হয় সেগুলোতে নিমের তেল থাকে।
বাড়িতে পিঁপড়া, তেলাপোকা এবং অন্যান্য পোকামাকড়ের হাত থেকে রেহাই পেতে নিম তেল ব্যবহার করা যায়।
বাড়িতে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে পানির সাথে নিমের তেল মিশিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে।
ঘরের মেঝে জীবাণুমুক্ত রাখতে সাবান পানিতে নিম তেল মিশিয়ে মুছে নিন।
ছোট খাটো কাটা বা ক্ষত সারাতে নিম তেলের জুড়ি নেই।
নিম তেল একটি উত্তম প্রাকৃতিক জন্ম নিরোধক।
ঘরে বসেই তৈরি করুন নিমের তেল!

আপনার নিকটস্থ ঔষধের দোকানেই নিম তেল কিনতে পাওয়া যেতে পারে। এছাড়াও হামদর্দ, সাধনা ঔষধালয় এবং অন্যান্য ভেষজ ঔষধের প্রতিষ্ঠানে এই তেল স্বল্পমূল্যে পাওয়া যায়। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে নিম তেলের প্রস্তুত প্রণালী তুলে ধরা হোল।

উপকরণ: নিমের ফল- ১/২ কিলোগ্রাম ও পানি
প্রস্তুত প্রণালীঃ কিছু নিমের ফল সংগ্রহ করুন।
নিমের বিচিগুলো থেতলে গুড়া করে নিন। বাড়িতে ব্লেন্ডার বা গ্রাইন্ডার থাকলে কাজটি আরও সহজে করা যায়।

এবার একটি স্টিল বা প্লাস্টিকের বাটিতে নিমের বিচির গুড়া রাখুন। বাটিতে পানি দিন। যতটুকু গুড়া নিয়েছেন, পানি তার দ্বিগুণ দিতে হবে। ৪৮ ঘণ্টা এভাবেই রেখে দিন।

৪৮ ঘণ্টা পর দেখবেন পানির উপরিভাগে তেল ভেসে উঠেছে। একটি চামচের সাহায্যে ভাসমান তেল অন্য একটি বোতল বা পাত্রে সংগ্রহ করুন।

তেল তো তৈরি করা হোল। এখন বেঁচে যাওয়া পানি কি ফেলে দেবেন? না। নিমের এই পানি খুব কার্যকর কীটনাশক। একটি স্প্রের বোতলে এই পানি সংরক্ষণ করুন। সপ্তাহে ২-১ বার আপনার ফুল বা সবজির বাগানে এই কীটনাশক প্রয়োগ করলে উপকার পাবেন।

নিম তেল একটি অত্যন্ত উপকারী উপাদান। ত্বক, চুল ও শরীরের অন্যান্য সাধারণ সমস্যার সমাধান হিসেবে যদি শুধু নিমের তেলের নাম নেয়া হয়, তাহলে তা একেবারেই বাড়াবাড়ি হবে না। নিয়মিত নিম তেল ব্যবহার করলে নিঃসন্দেহে একটি সুস্থ জীবন পেতে পারেন।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
একটি বিশ্বস্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান।

মুঠোফোন : 01742057854 (সকাল দশটা থেকে বিকেল ৫টা)

ইমো/হোয়াটস অ্যাপ : 01762240650

শ্বেতীরোগ,  একজিমা, যৌনরোগ, পাইলস (ফিস্টুলা) ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসক।

সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *