সোরিয়াসিস : কারণ ও প্রতিকার

0
447

সোরিয়াসিস ত্বকের একটি জটিল রোগ। এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে হলে জীবন যাত্রার ধরনের পরিবর্তনের মাধ্যমে এই রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আর দীর্ঘমেয়াদীভাবে সঠিক চিকিৎসায় রোগটি ভালো হবারও সুযোগ রয়েছে।

প্রশ্ন : সোরিয়াসিস রোগটি কী এবং এটি হলে কী ঘটে?

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

উত্তর : সোরিয়াসিস ত্বকের একটি জটিল রোগ, এই ধারণাটি হওয়ার কারণ আছে। এক দশক আগে সোরিয়াসিসের নামই আমরা জানতাম না। কেননা এটি পাশ্চাত্যের রোগ হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে এখন ১০ জনের মধ্যে তিনজনের এই রোগ হয়। তাই এই বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।

আমাদের দেহে ২১ দিন পরপর নতুন চামড়া গজায়। কিন্তু সোরিয়াসিসের ক্ষেত্রে দেখা যায় সেটা খুব দ্রুত হচ্ছে। মাছের আশের মতো জায়গায় জায়গায় চামড়াগুলো উঠে যাচ্ছে। শরীরের নির্দিষ্ট কিছু জায়গা মাথা,ঘাড়, কনুই, হাঁটুতে এগুলো হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে একটি মানুষের জন্য এটি বিব্রতকর। সামাজিক ভাবেও এটি বিব্রতকর। আর নতুন রোগ হিসেবে এটা আতঙ্ক তৈরি করে অনেকের মাঝে।

প্রশ্ন : সোরিয়াসিস কাদের বেলায় বেশি হয় ? কেন হয়? সোরিয়াসিসের কারণ কী এবং এর ঝুঁকিগুলো কী?

উত্তর : যদি একে একটি নিয়মের মধ্যে পরিচালিত করা যায় তখন এক সময় ভালো হয়ে যায়। এটি নির্ভর করে দৈনন্দিন জীবন যাত্রার ওপর। মানসকি চাপ বা দুশ্চিন্তায় এই রোগ বাড়ে, ঠাণ্ডায় বাড়ে, বংশগত ভাবে এটি হতে পারে, মদ্যপানের কারণে বাড়তে পারে, ধূমপানের কারণেও বাড়ে।

আমি মনে করি, আমাদের দেশে সোরিয়াসিস এত দ্রুত বাড়ার একটি বড় কারণ হচ্ছে মানসিক চাপ। জীবন যাত্রার ধরনের সমস্যা।

সোরিয়াসিসে কিছু খাবার নিষিদ্ধ থাকে। যেমন লাল মাংস। সাইট্রাস খাবার। কেবল তাই নয় ব্যায়াম করে সোরিয়াসিস অনেক ভালো থাকে। আর যারা ধূমপান করে তাদের ক্ষেত্রে তো কমিয়ে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি সোরিয়াসিস নিরাময় হয়।

প্রশ্ন : সোরিয়াসিসের লক্ষণ কী? কীভাবে এ রোগ নির্ণয় করা হয়?

উত্তর : ত্বকের একটি বিষয় হচ্ছে বেশির ভাগ রোগই একই রকম। সাধারণ চোখে আমরা সোরিয়াসিসে যা দেখতে পাই তা হলো মাছের আঁশের মতো রূপালি একটি স্কেল থাকে। একদম গোল, নির্দিষ্ট অংশ জুড়ে থাকে। যেমন কনুই, হাঁটু মাথার স্ক্যাল্প।

এসব জায়গায় থাকলে সঠিক রোগ নির্ণয় করার জন্য ল্যাবে যেতে হয়। বায়োপসি করতে হয়। তাতে সোরিয়াসিস নির্ণয় করা যায়। এই রোগের অনেক ধরন থাকে। এর জন্য শরীরের বিভিন্ন অংশের এক্স-রে করতে হয়। সোরিয়াসিস থেকে অনেক ধরনের সমস্যা হয়। আরথ্রাইটিসও হতে পারে।

প্রশ্ন : সোরিয়াসিসের কারণে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ প্রতঙ্গের সমস্যা হতে পারে। যেমন সোরিয়াটিক আরথ্রাইটিস। আর কী সমস্যা হতে পারে?

উত্তর : সোরিয়াটিক আরথ্রাইটিস হতে পারে। এটি সারা শরীরে ছড়িয়ে যেতে পারে। হয়তো জ্বর হলো তখন সারা শরীরের ছড়িয়ে গিয়ে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা করবে। এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

প্রশ্ন : সোরিয়াসিসকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়?

উত্তর : যদি নিয়মের মধ্যে রাখা হয় তখন অনেক ভালো হয়। যেমন সোরিয়াসিসে শরীরে অস্বস্তিকর কিছু মাস্ক থাকে সেটি যদি নিয়মের মধ্যে রাখি তবে এগুলো একেবারেই চলে যায়। সোরিয়াসিসে শুষ্ক স্কেলিং হয়। অনবরত, দ্রুত শরীর থেকে আঁশের মতো উঠতে থাকে। সেই ক্ষেত্রে Recap Cream ব্যবহার করে উপকার পাওয়া যায়।

এছাড়ও ময়েশ্চারাইজ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি প্রথম থেকে সাধারণ কিছু চিকিৎসা বলি, এর মধ্যে রয়েছে সোরিয়াসিস রিমুভার ট্যাবলেট

এছাড়ও এই ক্ষেত্রে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারি। ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ইমুলুয়েন্ট ব্যবহার করবে। যেখানে তেলের ভাগ বেশি এবং পানি কম। এগুলো এখন বাজারে পাওয়া যায়। ভ্যাসলিন ব্যবহার করতে পারে। এটা যখন প্রয়োজন তখনই করতে পারে। এর পর কিছু ওষুধ আছে সেগুলো দিয়ে থাকি। ভিটামিন এ আমাদের সাহায্য করে সোরিয়াসিস কমানোর জন্য। সেজন্য ট্রপিক্যাল ভিটামিন এ ব্যবহার করি। কেবল তাই নয়, যেই ক্ষেত্রে সোরিয়াসিস ক্রনিক হয়ে ব্যক্তির শারীরিক, মানসিক , সামাজিক জীবনকে ব্যাহত করছে , তখন আমরা পদ্ধতিগত ওষুধ ব্যবহার করি। সেই ক্ষেত্রে ওষুধ হিসেবে এসিট্রিটিনয়েন দেই। তার পর সাইক্লোস্পোরিন ওষুধ দেই। তবে সব ওষুধেরই কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকে সেগুলো মাথায় রেখেই ব্যবহার করতে দেওয়া হয়।

প্রশ্ন : সোরিয়াসিস কী ছোঁয়াচে রোগ?

উত্তর : সোরিয়াসিস একদমই ছোঁয়াচে কোনো রোগ নয়। একজনের থেকে আরেকজনের ছড়ানোর কোনো আশঙ্কা নেই।

প্রশ্ন : সোরিয়াসিসের ক্ষেত্রে বাজারে যেসব সাধারণ সাবান পাওয়া যায় সেগুলো ব্যবহার করতে পারে। নাকি বিশেষ কোনো সাবান ব্যবহার করতে হয়?

উত্তর : সাধারণ সাবানগুলো সোরিয়াসের জন্য তেমন ভালো নয়। তবে হার্বস মাশরুম সোপ ব্যবহারে এ রোগ কমে।  এ সাবানে বেশি ময়েশ্চারাইজার থাকে, কম ক্যামিক্যাল থাকে। এর সঙ্গে টার থাকে, যা সোরিয়াসিস কমায়। কোল্ড টারের একধরনের সাবান পাওয়া যায় যেটা আমরা প্রথমে ব্যবহার করতে দেই। তারপর যখন একটু কমে আসে তখন ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করতে দেই।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

(সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : 

+88 01777988889

+88 01762240650

অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন : IBN SINA HEALTH CARE, CHANDPUR.

শ্বেতী, যৌনরোগ, হার্পিস, পাইলস, লিকুরিয়া, ব্রেনস্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ, বাত বেদনা, গাউট, পক্ষাঘাত, চর্মরোগ, অ্যালার্জি, জন্ডিস, লিভার সমস্যা, হার্ট ও শিরার ব্লকেজ, স্ত্রী রোগ, স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।

 

বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : 01777988889

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

 সর্বশেষ আপডেট : বাংলাদেশ সময় : ১১:১৮ পূর্বাহ্ন,  ০২ ডিসেম্বর ২০১৭, শনিবার
আরও পড়ুন : 

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
3,134 জন পড়েছেন