স্ত্রী sex women

স্ত্রীর যোনিতে মুখ দেওয়া যাবে কি? ইসলাম কি বলে

আমরা বিষয়টি ভালোভাবে জেনে নিব।

১. প্রশ্নঃ স্ত্রীর মুখে লিঙ্গ দেওয়া জায়েজ আছে কি?

২. প্রশ্নঃ বউয়ের যোনিতে কি মুখ দেওয়া যাবে? ইসলাম কি বলে যদি পারেন জানাবেন।

৩. প্রশ্নঃ স্বামী তার স্ত্রীর যোনি এবং স্ত্রী তার স্বামী (পুরুষাঙ্গ+যোনি) চুষতে পারবে কি?

উপরের প্রশ্ন ৩ টি কিন্তু মূলে জবাব একটি। তাই তিনটির প্রশ্নের জবাব এক সাথে দিয়ে দিলাম।

উত্তরঃ মা আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) বলেছেনঃ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার লজ্জাস্থান দেখেন নি এবং আমিও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের লজ্জাস্থান দেখেনি। তাছাড়া নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন লজ্জাস্থানে না তাকাতে। কেননা তাতে নাকী চোখের জ্যোতি কমে যায়।

দ্বিতীয়ত, যৌনাঙ্গতে মুখ লাগানো এটি একটি পশুভিক্তিক আচরণ। যৌনাঙ্গতে মুখ লাগানো এটা সভ্য মানুষের আচরণ হতে পারেনা। পশুদের হাত নেই বলেই তার সঙ্গীনিকে মুখ দ্বারা উত্তেজিত করে। কিন্তু আপনার তো হাত আছে। আপনার হাত থাকতে কেনো আপনি (পুরুষ ও নারী) কেনো যৌনাঙ্গতে মুখ লাগিয়ে আপনার সঙ্গীনিকে উত্তেজিত করবেন?

gif maker
বিজ্ঞাপণ

আমার জানা মতে পশুরাও তো যৌনাঙ্গতে মুখ লাগায় না। তবে আপনি কেনো সৃষ্টির সেরা হয়ে যৌনাঙ্গতে মুখ লাগাবেন?

এটা তো প্রসাবের রাস্তা। আপনি কি যে পাত্রে প্রসাব করেন সে পাত্রে কি খাদ্য রেখে খাবেন? আপনার রুচিতে হলে খেতে পারেন আমার কোনো আপত্তি নেই। আমার এই কথার বিপরীতে যদি আপনি বলেন এটা (যৌনাঙ্গ) তো ধোয়া ও পরিস্কার থাকে। জবাবে আমি আপনাকে বলবো আপনি কারো বাসায় মেহমান হয়ে গেলেন। আপনার সামনে সে বাসার মালিকের ছোট্ট ছেলে ফল রাখার পাত্রেতে প্রসাব করে দিল এবং বাসার মালিক তা ধুয়ে সে পাত্রে আপনাকে ফল বা খাবার দেয়, আপনি কি সে খাবার খাবেন? অবশ্য আপনার রুচিতে হলে খেতে পারেন। আপনি তাকান তো আপনার নিজের দিকে।

আপনি যখন আপনার মায়ের গর্ভে ছিলেন, তখন মহান আল্লাহ আপনার মায়ের মাসিকের রক্ত বন্ধ করে সে রক্ত দিয়ে আপনার প্রাণ বাঁচিয়েছেন। সে মাসিকের রক্ত কি আপনাকে মুখ দিয়ে পান করিয়েছেন না কি নাড়ী দিয়ে। মহান আল্লাহ মাসিকের রক্ত নাড়ী দিয়ে আপনার দেহ প্রবেশ করিয়ে আপনাকরিয়ে আপনার প্রাণ রক্ষা করেছেন। কেনো করেছেন?

উত্তর হচ্ছে এই রক্ত যদি আপনার মুখ দিয়ে আপনার দেহে প্রবেশ করাতেন তাহলে আপনার মুখ টা নাপাক হয়ে যেত। তা হলে আপনি দুনিয়াতে এসে অপবিত্র মুখ দিয়ে মহান আল্লাহর নাম নিতেন। আপনি যাতে পবিত্র মুখ দিয়ে মহান আল্লাহর নাম জপতে পারেন সে জন্য মহান আল্লাহ এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মায়ের গর্ভে আপনার প্রাণ বাঁচিয়েছেন।

তৃতীয়তঃ যৌনাঙ্গতে মুখ লাগালে যৌনাঙ্গতে লেগে থাকা জীবাণু আপনার দেহে প্রবেশ করবে। তাতে আপনি অসুস্থ হওয়ার সম্ভবনা আছে। তাছাড়া আপনি যৌনাঙ্গতে মুখ লাগাবেন সে যদি যৌন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে তখন আপনি কি করবেন?

এখন আপনি যদি প্রশ্ন করেন ডাক্তারেরা তো বলে যৌনাঙ্গতে মুখ লাগাতে। উত্তরে আমি বলতে চাই, ডাক্তারেরাতো বলে পানি ফুটালে পানিতে থাকা জীবাণুরা মরে যায়। কিন্তু পানিতে থাকা জীবাণুরা মরে কি উড়ে যায় নাকি সে জীবাণু পানিতেই থেকে যায়? এখন আপনি যদি সে পানি খান তাহলে মরা জীবাণুর সাথেই সে পানি খাচ্ছেন।

এই পোস্ট টি যারা পড়েছেন তাদের মনে আবার এই প্রশ্ন জাগতে পারে যে লোকদের মনে এ রকম প্রশ্ন আসে কেন?

উত্তর হচ্ছে পর্ণ ভিডিওর প্রভাব। মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখার সুবিধা থাকার কারণে পর্ণ ভিডিও এখন সবার হাতে হাতে চলে এসেছে। পর্ণ ভিডিওতে বিশ্ব বেশ্যারা যা করে তা দেখে তাদের মনে এই ধরণের প্রশ্ন জাগে। যারা এই প্রশ্ন গুলো করেছে আপনি তাদের কে সাধুবাদ জানাবো। কেনোনা তারা এই প্রশ্ন গুলো করার কারণে এই পোস্ট টি লিখতে পেরেছি. সর্বাধিক শেয়ার করুন।

স্ত্রীর যোনিতে মুখ দেয়া জায়েজ কি?
——————————-
এর অাগে প্রশ্নটির জবাব অনেকবার লেখেছি।
অনেক নিচে পড়ে গিয়েছে তাই অাবার নতুন করে লেখতে হলো। জনাব প্রশ্ন করেছেন স্ত্রীর যৌনাঙ্গে মুখ লাগিয়ে চুষা জায়েজ অাছে কিনা? দেখুন! অাজকে অামাদের সমাজটা র এমন একটা অবস্হা যে ছেলে মেয়েদের এক যুগ কলেজ ভার্সিটিতে কাটিয়ে দিচ্ছে অথচ ছেলেটার এতটুকু জ্ঞান হয়না যে প্রসাব করে পানি ব্যবহার করতে হয় দুই অাঙ্গুলের ফাকে জিনিসটাকে ফেলে দুটা ঝাড়া দিয়ে পেন্টের চেইন লাগিয়ে খান্ত হয়ে পড়ে । মেয়েটা বার বছর কলেজে পড়েছে সে প্রসাব করে পানি ব্যবহার করেনা। অার পাক নাপাকের। মাসায়েল তো দুরের কথা।

যাই হোক — মূল কথায় অাসি।
প্রশ্ন করেছেন স্ত্রীর যোনি চোষা যাবে কিনা না
দেখুন অামরা অাজকে পশ্চিমা বিশ্বের নোংরামি দেখে দেখে অবিকল তাই নকল করছি।
ছেলে চুষছে মেয়ের যোনি। অার মেয়ে চোষছে ছেলের লিঙ্গ। অথচ একজন বললো ঐ দিন বললো যে হুজুর গত এক বছর এরকম করছি
অথচ কোন হুজুরের মুখ থেকে এরকম অালোচনা শুনিনি অাজকে অাপনার লেখা যদি না পড়তাম অাজকে রাতেও এরকম করতাম।
তার কারন হলো এটা না করলে অামার স্ত্রীর উত্তেজনা বাড়ে না। অার এটা মুলত অামাদের অভ্যাস।

মানুষ কুকুর শৃগালে অাজ পরিনত হচ্ছে
অাপনি যখন দেখবেন কোন পশু পশুর সাথে জৈবিক চাহিদা পূরন করতে যায় তখন ঐ ধামড়টা ধামড়ির পিছনের রাস্তা নাক দিয়ে শুকতে থাকে। এটা তাদের নীতি।

মানুষ অাজ পশুকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে । পশুর যে খাসিয়ত অাজ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।
হজরত আয়েশা রাঃ বলেছেন আমি কখনো রাসূল সঃ সতর দেখিনি, তিনি ও আমার সতর দেখেন নি হাদিস শরিফে এটাও আছে, গোপনাঙ্গ দেখলে চোখের জোতি কমে যায়। এই কাজটা অত্যন্ত ঘৃণিত এবং মারাত্মক যৌনাচারের বহিঃপ্রকাশ। উপরন্তু যে মুখে আল্লাহর কুরআন পাঠ করা হয়, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাম উচ্চারণ করা হয়, সে মুখকে এমন নিকৃষ্ট ও ঘৃণিত স্থানে ব্যবহার করা একজন মুসলমানের জন্য কি করে বৈধ হতে পারে!

অন্যদিকে চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে ওরাল সেক্স করার কারণে জরায়ূর জীবানু জিহ্বায় এবং জিহ্বার জীবানু জরায়ূতে সংক্রমিত হয়ে উভয়েই ক্যান্সারের মত দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

অতএব যখন যৌন কামনা জাগ্রত হবে তখন ওরাল সেক্সের মত পশ্চিমা নোংরা পদ্ধতি অনুসরণ না করে স্বাভাবিক উপায়ে সহবার করে উত্তেজনা প্রশমিত করাই হল ইসলামী শরীয়তের নির্দেশনা। ভাল করে মনে রাখা ভাল হবে স্ত্রীর যোনি চোষা, লোহন করা, যোনিতে চুমো দেয়া সম্পূর্ণ হারাম।নাপাকি নোংরা কাজ।

দলিল প্রমাণ:  (সূত্র: সূরা আহযাব- ২১, সুনানে আবু দাউদ; হা.নং ৪৬০৭, আল-ফিকহুল ইসলামী
ওয়াআদিল্লাতুহ ৩/৫৪৬, ফাতাওয়া আলমগীরী ৫/৪২৯, ফাতাওয়া রহীমিয়া ১৩/১৭৮, আহসানুল ফাতাওয়া ৮/৪৫,

 506 সর্বমোট পড়েছেন,  4 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন

Leave a Reply