যেভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সহজেই চুল কালো ও ঘন করা যায়

0
15

আমাদের মধ্যে কারো কারো বিভিন্ন কারণে চুল একদম পাতলা হয়, প্রায় মাথা খালি হয়ে গেছে..এমনও হতে পারে। যদিও কিছুটা চুল রয়েছে। সে এটা নিয়ে খুব টেনশনে থাকেন তারা। কীভাবে চুল পড়া বন্ধ করবে।

এর কাছে, ওর কাছে জিজ্ঞেস করে, কীভাবে চুল পড়া বন্ধ করবে। এসব সমস্যার সমাধানে জেনে রাখুন কিছু ঘরোয়া টিপস। টিপসহগুলো একমাস একটানা অনুসরণ করার পর অবশ্যই চুল পড়া কমবে এবং চুল ঘনও হবে।

আরো পড়ুন : যৌন সমস্যার সমাধানে করণীয়

মেথি এর ব্যাবহার:

মেথি যদি আপনি আপনার চুলে প্রয়োগ করেন তাহলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দূর করবে। যেমন, চুল পড়া, চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। মেথির দানাকে কিছুটা গরম করে সারারাত নারিকেল তেলে ভিজিয়ে রেখে চুলে মেসেজ করলে বেশ কার্যকরী ভূমিকা পাওয়া যাবে। এভাবে নিয়মিত দিলে চুল পড়া রোধ করে, চুল ঘন হয়। এছাড়া এটি চুলের খুসকি দূর করে, উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং চুলের বিভিন্ন পুষ্টির যোগান দেয়।

আরো পড়ুন : পাইলস থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

তেলঃ
চুলের যত্নে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় তেল। আর এই তেল-ই হতে পারে আপনার চুল ঘন করার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায়। চুলের তেল বলতে সাধারণত সবাই নারিকেল তেল কে বুঝে থাকেন। তবে চুল ঘন করার এবং যাদের চুল পড়ে যাচ্ছে তারা এই তেলের মিশ্রণ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। আমাদের দেশে এই তেল গুলো সবচেয়ে সহজলভ্য –

০১. আমণ্ড অয়েল ও ক্যাস্টর অয়েল

০২. তিলের তেল ও সরিষার তেল

০৩. অলিভ অয়েল ও ক্যাস্টর অয়েল

রাতে ঘুমানোর আগে এই তেলের মিশ্রণ হালকা গরম করে নিয়ে মাথার তালুতে ভালো ভাবে ম্যাসাজ করে নিতে হবে। চুলের প্রতিটি গোড়ায় যেন তেল পৌঁছায় সেজন্য একটু সময় নিয়ে আস্তে আস্তে পুরো চুল আর তালুতে তেল দিয়ে নিতে হবে। সারা রাত রাখা সম্ভব না হলে গোসলের ১ ঘণ্টা আগে চুলে তেল দিয়ে তারপর শ্যাম্পু করে নিতে হবে। সপ্তাহে ২ বার যদি এটা করা যায়, ১ মাসের মধ্যেই চুল পাতলা ভাব কমে আসবে, চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।

ডিমঃ
সবচেয়ে সহজতর এবং কম সময়ে ফল পাবার জন্য ডিম হতে পারে আপনার চুল ঘন করার উপাদান। ডিম হচ্ছে প্রাকৃতিক প্রোটিন, যা চুলকে ঘন করতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন চুলের গোড়ায় পৌঁছে পুষ্টি যোগায়, চুলের স্বাস্থ্য ফিরিয়ে দিতে চমৎকার কাজ করে। একটি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে ভালো ভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। তারপর পরিষ্কার চুলে সরাসরি হাত অথবা ব্রাশের সাহায্যে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত লাগাতে হবে। ডিম দিতে গেলে অনেকে চুল জট বেঁধে এলোমেলো হয়ে যায় বলে এড়িয়ে যান। চুলে ডিমের সাদা অংশ লাগানোর পর একটি মোটা দাঁতের চিরুনির সাহায্যে সাবধানে চুল আঁচড়ে নিন। তারপর হালকা ঝুটি করে নিন বা শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। ২০-৩০ মিনিট রেখে নরমাল পানিতে চুল ধুয়ে নিন এবং শ্যাম্পু করুন। যেদিন ডিম দেবেন সেদিন আর আলাদা করে কন্ডিশনার দেবার প্রয়োজন হবেনা। প্রতি ৭ দিনে ১ বার করুন দেখবেন চুল ঘন হওয়ার সাথে সাথে আসবে বাউন্স।

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস থেকে মুক্তির সহজ উপায়

অ্যালোভেরাঃ
অ্যালোভেরার জেল বের করে নিন, ৪ চামচ মধুর সাথে মিক্স করে সরাসরি চুলে এবং মাথার তালুতে লাগিয়ে ফেলুন। চাইলে এর সাথে কোনও ট্রিটমেন্ট ক্রিমও যোগ করতে পারেন। চুল ঘন করার সাথে সাথে এটি আপনারচুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করবে।

মধুঃ
মধু আপনার চুলের পুষ্টির একটি মূল্যবান উৎস। চাইলে শুধু মধুও ব্যবহার করতে পারেন। মাথার ত্বকের জন্য খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে মধু। তবে চুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে মধু খুবই আঠালো, সে জন্য খুব অল্প পরিমাণে (৪-৫ চামচ এর বেশি না) মধু নিয়ে তা মাথার তালুতে ব্যবহার করুন। তারপর চুল আটকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। খেয়াল রাখুন যেন প্রতিটি চুলের গোড়ায় একটু হলেও মধু পৌঁছায়। সবশেষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মধু, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ সরবরাহ আপনার চুল revitalizing এবং প্রতিটি Strand শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। যা চুলকে করে।

পেঁয়াজঃ
যেসব জায়গায় চুল বেশি পাতলা, পেঁয়াজ কেটে ঘষলে সেই অঞ্চলের blood circulation বাড়ে, ফলে তা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। আপনার হেয়ার ফলিকল এর কোনও অংশ ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে নিয়মিত ব্যবহারে তা সারিয়ে তোলে। যাদের চুল পাতলা তারা সপ্তাহে ২-৩ দিন ১০-১২ মিনিটের জন্য মাথার তালুতে পেঁয়াজ ঘষে ব্যবহার করলে কিছুদিনের মধ্যেই ফল পাবেন।

ক্যাপসিকামঃ
শুনতে কিছুটা অন্যরকম মনে হলেও ক্যাপসিকাম চুল ঘন করার জন্য খুবই কার্যকর। ফুটন্ত পানিতে একটি ক্যাপসিকাম ছেড়ে দিন, ৭ মিনিটের জন্য। এরপর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন পানিটি ঠাণ্ডা হবার জন্য। চুল শ্যাম্পু করার পর এই টনিকের মতো মাথায় ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ফলাফল পাবার জন্য এই প্রক্রিয়াটি নিয়মিত করতে হবে সপ্তাহে ২ দিন। ১ মাস এর মধ্যে চুল এর পাতলা ভাব অনেকটাই কমে আসবে।

উপরের পদ্ধতি অনুসরণ করুন আর আপনার চুলকে করে তুলুন ঘন আরও মসৃণ। তবে হ্যাঁ, অতিরিক্ত যেন কোন কিছু না হয়। তাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : 

+88 01777988889 (Imo-whatsApp)

+88 01762240650

( যোগাযোগ : সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

ফেইসবুক পেজ : web.facebook.com/ibnsinahealthcare

সরাসরি যোগাযোগ : IBN SINA HEALTH CARE, Hazigonj. Chandpur.

ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com

শ্বেতীযৌনরোগহার্পিসপাইলসডায়াবেটিস,  অ্যালার্জি, লিকুরিয়াব্রেনস্ট্রোক, হার্ট ও শিরার ব্লকেজউচ্চ রক্তচাপ,হার্ট অ্যাটাকচর্মরোগক্যান্সার, আইবিএস, বাত বেদনা জন্ডিসলিভার সমস্যাস্ত্রী রোগআইবিএস, বন্ধাত্ব, গাউট, পক্ষাঘাত, স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।

 

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
90 জন পড়েছেন