ইনস্যুলিন ছাড়াই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করুন

0
73

 

বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস (ইংরেজি: Diabetes mellitus) একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্র অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তাহলে যে রোগ হয় তা হলো ‘ডায়াবেটিস’ বা ‘বহুমূত্র রোগ’। তখন রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। ইনসুলিনের ঘাটতিই হল এ রোগের মূল কথা। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজকে নিতে সমর্থ হয় এবং একে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। ইনসুলিন উৎপাদন বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা-এর যেকোনো একটি বা দুটোই যদি না হয়, তাহলে রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর একে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ঘটে নানা রকম জটিলতা, দেহের টিস্যু ও যন্ত্র বিকল হতে থাকে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস বললে সাধারাণতঃ ডায়াবেটিস মেলিটাস বোঝায়। তবে ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস নামে আরেকটি রোগ আছে যাতে মূত্র উৎপাদন বেশি হয় কিন্তু তা ADH অ্যান্টি ডাইইউরেটিক হরমোন নামে অন্য একটি হর্মোনের উৎপাদনের অভাব বা ক্রিয়ার অভাবে হয়ে থাকে এবং মূত্রাধিক্য এবং তার জন্য অতিতৃষ্ণা এই দুটি উপসর্গের মিল ছাড়া এই রোগটির সঙ্গে “ডায়াবেটিস মেলাইটাস”-এর কোন সম্পর্ক নেই। এ দুটির মধ্যে ডায়াবেটিস মেলাইটাসের প্রকোপ অনেক বেশী। ডায়াবেটিস মেলাইটাস আবার দু’রকম হতে পারে। যথাঃ টাইপ-১ বা ইনস্যুলিন নির্ভরশীল এবং টাইপ-২ বা ইনস্যুলিন নিরপেক্ষ ডায়াবেটিস।

টাইপ-১
বহুমূত্র হল অটোইমিউন রোগ। এ রোগে অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন নিঃসরণকারী কোষগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। তাই যাদের টাইপ-১ হয়, এদের দেহে ইনসুলিন উৎপাদিত হয় খুবই কম। এ জন্য রোগীকে বেঁচে থাকার জন্য ইনসুলিন ইনজেকশন বা ইনসুলিন পাম্প নিতে হয়। শিশু ও তরুণদের মধ্যে এ ধরনের বহুমূত্র হয় বেশি। ১০-৩০ বছরের মধ্যে দেখা দেয়। ইহা মূলত জেনেটিক কারণে হয়ে থাকে। এর জন্য দায়ী হল HLADR 3 এবং HLADR 4 নামক দুটি জিন ।

টাইপ-১ কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়
টাইপ-১-এ অটোইমিউনিটির জন্য বিটা কোষের ধংসের কারণে এই টাইপ-১-এ ডায়াবেটিস হয়ে থাকে ।
টাইপ-১-বি এটিও বিটা কোষের ধংসের কারণে হয়ে থাকে, কিন্তু এর সঠিক কারণ জানা যায়নি
(1) রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় (>130 mg/100ml)। (2) রক্তে ছিটোনো বডির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় । (3) মুত্রের মাধ্যমে গ্লুকোজের নিগরমন বা গ্লুকোসুরিযা হয।

টাইপ-২

বহুমূত্র রোগের পেছনে থাকে মূলত ‘ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স’। টাইপ-২ রোগীরা শরীরে যে ইনসুলিন উৎপন্ন হয়, তাকে ব্যবহার করতে পারে না। ব্যায়াম ও খাদ্যবিধির সাহায্যে একে প্রথমে মোকাবিলা করা হয়। তবে অনেক সময় প্রয়োজন হয় মুখে খাওয়ার ওষুধ, এমনকি ইনসুলিন ইনজেকশন। ৪০ বছর বা তারপরে এ ধরনের বহুমূত্র রোগ দেখা দেয়। মিষ্টি ও মিষ্টিজাতীয় পানীয় টাইপ-২ এর ঝুঁকি বাড়ায়। খাবারে চর্বির ধরণও গুরুত্বপূর্ণ;স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স-ফ্যাটি এসিড ঝুঁকি বাড়ায় পক্ষান্তরে পলি-আনস্যাচুরেটেড ও মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট ঝুঁকি কমায়। অত্যধিক পরিমাণ সাদা ভাত খাওয়াও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। শারীরিক পরিশ্রম না করাও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের অন্যতম একটা কারণ বিশ্বজুড়ে ২৪৬ মিলিয়ন ডায়াবেটিস রোগীর ৯০ শতাংশের বেশি হল টাইপ-২ ডায়াবেটিস। দুই ধরনের ডায়াবেটিসই গুরুতর এবং হতে পারে শিশু ও তরুণদেরও। এ জন্য ডায়াবেটিসের বিপদ-চিহ্নগুলো জানা খুবই প্রয়োজন। ‘মৃদু ডায়াবেটিস’ বলে কিন্তু কিছু নেই।

টাইপ-১ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মধ্যে তুলনা
বিষয় টাইপ-১ টাইপ-২
আক্রান্ত হবার সময়কাল দ্রুত ধীর
আক্রান্ত হবার বয়স বেশীরভাগ ক্ষেত্রে শিশুঅবস্থায় বেশীরভাগ ক্ষেত্রেপরিণত বয়সে
দেহের আকৃতি স্বাভাবিক বা, ক্ষীণকায় স্থূলকায়
কিটোএসিডোসিস সহজপ্রাপ্য বিরল
অটোঅ্যান্টিবডি সাধারণত উপস্থিত অনুপস্থিত
এন্ডোজেনাস ইনসুলিন কম অথবা, অনুপস্থিত স্বাভাবিক, কমে যাওয়া,বা বৃদ্ধি পাওয়া
যমজদের মধ্যেসাধারণভাবে

আক্রান্ত হওয়ার হার

৫০% ৯০%
Prevalence ~১০% ~৯০%

অন্যান্য ধরণ
নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় তৃতীয় এক প্রকার ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। এটা জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস নামেও পরিচিত।

সাধারণ লক্ষণাদি

ঘন ঘন প্রস্রাব। এ কারণে এ রোগটির নাম বহুমূত্র রোগ ;
অধিক তৃষ্ণা এবং মুখ শুকিয়ে যাওয়া ;
অতিশয় দুর্বলতা ;
সার্বক্ষণিক ক্ষুধা ;
স্বল্প সময়ে দেহের ওজন হ্রাস ;
চোখে ঝাপসা দেখা ;
ঘন ঘন সংক্রমণ।

বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন জটিলতা
অতিরিক্ত মেদ এ রোগের অন্যতম কারণ ;
উপসর্গহীনতা বা অসচেতনতার কারণে চিকিৎসার অভাব ;
কিডনি বা বৃক্কের অক্ষমতার অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস ;
অন্ধত্ব বা দৃষ্টিবিচ্যূতির অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস ;
বিনা দুর্ঘটনায় অঙ্গচ্ছেদের অন্যতম মূল কারণ ডায়াবেটিস।

২০০৬ খ্রিস্টাব্দের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এর ৬১/২২৫ নম্বর ঘোষণায় ডায়াবেটিসকে দীর্ঘমেয়াদি, অবক্ষয়ী ও ব্যয়বহুল ব্যাধি হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে যা মানবদেহে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে।

ডায়াবেটিস থেকে চিরমুক্তির জন্য সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ভেষজ ঔষধ পেতে যোগাযাগ করুন- হাকীম মিজানুর রহমান : 01777988889

ডায়াবেটিসের চিকিৎসা

বাংলাদেশে যে সকল এলোপ্যাথি চিকিৎসা রয়েছে তাতে এ রোগ কমার পরিবর্তে ধীরে ধীরে তা বেড়ে যায়। কারণ এলোপ্যাথি ঔষধ সমূহে থাকা রাসায়নিক উপাদান মানুষের প্রধান অঙ্গসমূহকে ধীরে ধীরে অকার্যকর করে দেয়। কিন্তু বাংলাদেশে তৈরি ভৈষজ ঔষধ সমূহ রীতিমতো ব্যবহারে ছয় মাস থেকে বছরের মধ্যে ডায়াবেটিস মুক্ত হওয়া যায়।

যেমন : গ্লুকো কেয়ার, গাইনুরা, নিজেলা স্যাটিভা প্রভৃতি।

গ্লুকো কেয়ার : মূল্য ৫৪০/-

এতে রয়েছে : সয়া প্রোটিন, আমলকী, করলা, জামবীজ, আলফালাফা পাতা, রসুন, মেথি, চিরতা ও কালো জিরাসহ বেশ কিছু প্রাকৃতিক বা ভেষজ উপাদান। যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে ধীরে ধীরে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়।

গাইনুরার মূল্য : ২৪০/-

এতে রয়েছে : ঋষি মাশরুম, ওয়েস্টার মাশরুম, গাইনূরা প্রোকাম্বিনস, বিটার মিলন প্রভৃতি। ডায়াবেটিসের মহৌষধ গাইনূরা প্রোকাম্বিনস এই ক্যাপসুলে রয়েছে বলে এটি ডায়াবেটিসের মাত্রা কমায় খুব দ্রুত।

ডায়াবেটিসের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত এসব ভেষজ ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : 

+88 01777988889 (Imo-whatsApp)

+88 01762240650

( যোগাযোগ : সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

ফেইসবুক পেজ : web.facebook.com/ibnsinahealthcare

সরাসরি যোগাযোগ : IBN SINA HEALTH CARE, Hazigonj. Chandpur.

ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com

শ্বেতীযৌনরোগহার্পিসপাইলসডায়াবেটিস,  অ্যালার্জি, লিকুরিয়াব্রেনস্ট্রোক, হার্ট ও শিরার ব্লকেজউচ্চ রক্তচাপ,হার্ট অ্যাটাকচর্মরোগক্যান্সার, আইবিএস, বাত বেদনা জন্ডিসলিভার সমস্যাস্ত্রী রোগআইবিএস, বন্ধাত্ব, গাউট, পক্ষাঘাত, স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।

 

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
576 জন পড়েছেন