হার্ট ভালো রাখার উপায়

0
145

লাইফস্টাইল ডেস্ক :

অমর হবার ইচ্ছা মানুষের চিরন্তন কিন্তু বাস্তবে অমর হওয়া সম্ভব না হলেও হৃদযন্ত্রের সঠিক যত্ন নিলে দীর্ঘায়ূ লাভ করা যায়। হৃদয় সুস্থ রাখতে বাড়তি কিছু করার দরকার নেই, এর জন্য সুশৃঙ্খল জীবন যাপনই যথেষ্ট। হার্ট ভালো রাখার কিছু উপায় তুলে ধরা হয়েছে, পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হল।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

১। লবণ খাওয়া কমানো : অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। এর ফলে হৃদপিণ্ডের রক্তসরবরাহকারী ধমনী সম্পর্কিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস থেকে মুক্তির সহজ উপায়

২। ধূমপান এড়িয়ে চলুন : ধূমপানের ফলে আয়ু ১৫ থেকে ২৫ বছর কমে যায়। একজন ধূমপায়ীর হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা একজন অধূমপায়ীর তুলনায় দ্বিগুণ। ধূমপান বন্ধ করার মুহূর্ত থেকেই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা কমতে থাকে।

৩। অ্যালকোহলের মাত্রা কমানো : অতিরিক্ত অ্যালকোহল হৃদপেশির ক্ষতি করে। রক্তচাপ বাড়ায় এবং পাশাপাশি ওজনও বৃদ্ধি করে। তাই অ্যালকোহল গ্রহণ বাদ দেওয়া শরীরের জন্য ভালো। একবারে বাদ দেওয়া সম্ভব না হলে প্রতিদিন একটু একটু করে কমানোর চেষ্টা করতে হবে।

আরো পড়ুন : যৌন সমস্যার সমাধানে করণীয়

৪। ডায়েট মেনে চলা : সবসময় সুষম খাবার খাওয়া উচিত। তাজা ফল এবং সবজি, শষ্যজাতীয় খাবার যেমন- শষ্য থেকে তৈরি রুটি ও ভাত ইত্যাদি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।

৫। নিয়মিত পরীক্ষা : নিয়মিত শরীর পরীক্ষা করলে দেহের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সাহায্য করে। তাই রুটিন অনুযায়ী রক্তচাপ, শর্করা এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করান।

আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও প্রতিকার

৬। কর্মচঞ্চল থাকা : প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট শরীরচর্চা করা উচিত। তাছাড়া কর্মক্ষম থাকা কেবল হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখার জন্যই নয় এটি মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৭। ক্লান্তির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ : যদি দেখা যায়, আপনি ঠিক মতো খেতে পারছেন না, ধূমপান বা মদ্য পান বেশি করছেন। তাহলে বুঝতে হবে আপনার ভেতর অবসাদ কাজ করছে। অতিরিক্ত ধূমপান ও মদ্য পান হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই অবসাদ নিয়ন্ত্রণের জন্য যোগ ব্যায়াম বা ধ্যান বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে।

আরো পড়ুন : পাইলস থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

৮। কোমড়ের মাপ নিয়ন্ত্রণ : রক্তনালীতে কোলেস্টেরল জমে অনেক ক্ষতিসাধন করে এতে করে ওজন বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত ওজন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

৯। হাসি হৃদয় সুস্থ রাখে : হাসি মানব দেহ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। হাসির মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের চাপ কমানো সম্ভব।

হার্ট ব্লকের কথা শুনলেই কোন মানুষ বা কোন পরিবার বিপদগ্রস্থ হয়ে পরেন ও দিশেহারা হয়ে যান। কারণ এই শব্দটির সাথেই জড়িয়ে থাকে একরাশ বিপদ এবং প্রচুর চিকিৎসার খরচ। সুতরাং জানা যাক যে বিষয়টা কি ও এর জন্য আগাম কি ধরনের সতর্কতা নেওয়া যেতে পারে।

আমাদের হার্টের ব্লক সংক্রান্ত দুটো জিনিস আছে। একটাকে বলা হয় নার্ভ বা তন্তু যার দ্বারা হার্টরেট বা হৃদয়ের গতি নির্ভর করে । হার্ট ব্লক বলতে এই ধরনের নার্ভের মধ্যেকার ব্লকেজকেও বোঝায়। এই ব্লকগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভয়ের হয় না এবং এর কোন চিকিৎসা নেই বললেই চলে। এর মধ্যে রাইট বান্ডিল ব্যাঞ্চ ব্লক বলে একটি জিনিস মানুষকে মাঝে মাঝেই আতঙ্কিত করে দেয়, কিন্তু এই ব্লকের কোন প্রভাব শরীরে পড়ে না। তবে এই নার্ভের ব্লকের ফলে বা নার্ভের অন্য কিছু অসুখ আছে যেখানে হার্টের গতি খুব কমে যায় সেইক্ষেত্রে প্রেসমেকার লাগিয়ে রোগীকে দ্রুত সুস্থ করা হয়। আবার এই নার্ভের জন্য মাঝে মাঝে হার্টের গতি অতিরিক্ত বেড়ে যায় সে ক্ষেত্রে দ্রুত চিকি্ত্‍সার প্রয়োজন হয়। অনেকক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী ওষুধও খেতে হয়।

হার্টের ব্লকের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে ইসিজি, টিএমটি, ইকোকার্ডিওগ্রাফী ও এনজিওগ্রাম পরীক্ষা করা হয়। দ্বিতীয় ব্লকটি হল রক্তের নামলী ব্লক সেটা অবশ্যই ভয়ের, যদিও সব ব্লকই যে ভয়ের তা নয়। ১০০-র তুলনায় কত শতাংশ ব্লক এবং ব্লকটি কোথায় আছে তার উপরই নির্ভর করে চিকিৎসা। এর মধ্যে অধিকাংশ ব্লকের কোন অপারেশন ছাড়াই চলে। ওষুধই যথেষ্ট তবে এই ধরনের রোগীদের সারা জীবনই ওষুধ খেইয়ে যেতে হয়। এই ব্লকের দুই ধরনের অপারেশন করা হয়ে যাকে (১) এঞ্জিওপ্লাষ্টি-এই পদ্ধতিতে হাত বা পায়ের কোন রক্তের নালী দিয়ে একটি ক্যাথেটার বা তার হার্টের মধ্যে ঢুকিয়ে হার্টের রক্তনালীর মধ্যে যেখানে ব্লক রয়েছে সেই জায়গায় একটা ছোট্ট পাইন স্টেন্ট লাগিয়ে দেওয়া হয় ।

এর ফলে সেই ব্লক হয়ে যাওয়া রক্তের নালী দিয়ে আবার রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়। তবে অনেক ক্ষেত্রে যেখানে এই ব্লক খোলা যায় না বা অনেকগুলো ব্লক একই রক্তনালীতে থাকে সেইক্ষেত্রে দ্বিতীয় বড় অপারেশনের প্রয়োজন হয়। যাকে বাইপাস সার্জারি বলে। এই পদ্ধতিতে শরীরের কোন জায়গা থেকে একটা রক্তনালী কেটে নিয়ে হার্টের ব্লক হয়ে যাওয়া রক্তনালীর অংশে প্রতিস্থাপন করা হয় । এই অপারেশনে ঝুঁকি বা রিস্ক অবশ্যই বেশী।

কিন্তু একটা কথা জানা দরকার যে এই অপারেশনগুলো হয়ে গেলেই যে রোগী পুরোপুরি ভাবে সুস্থ হয়ে যাবেন এমনটা কিন্তু নয়। এই রোগীদের নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়, ব্যায়াম করতে হয়, রক্তচাপ ও সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে হয় না হলে পুনরায় ব্লকেজ তৈরির সম্ভবনা থাকে ।

এবার আসা যাক সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে এই ব্লক গুলো হওয়ার আগেই কি ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত ১) আপনার উচ্চতা হিসাবে যতটা ওজন থাকা উচিত সেটা জানতে হবে ও ওজন নিয়ন্ত্রন করতে হবে । ২) রোজ কিছু শারীরিক ব্যায়াম ও হাঁটাচলা করতে হবে, কমপক্ষে ১ কিলোমিটার হাঁটা উচিত । ৩) আপনাকে রাতে কমপক্ষে ৭ ঘন্টা ঘুমাতে হবে । ৪) রক্তচাপ ও ব্লাড সুগারের মাত্রা যে স্বাভাবিকের বেশী না হয় এবং এটা নিয়মিত মাপা ও কোন চিকিত্‍সকের সাথে যোগাযোগ রেখে চলা উচিত ।

৫) মানসিক টেনশন যতোটা না করা যায় ততটাই ভালো। ৬) খাওয়ারের ক্ষেত্রে, রোজ ফল ও সব্জী বেশী করে খেতে হবে । রান্নাইয় লবন ও তেল মশলার নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। এক্ষেত্রে লো-সোডিয়াম সল্ট ব্যবহার করা যেতে পারে । মাংস খাওয়ার সাথে প্রচুর ক্যালোরি শরীরে প্রবেশ করে সুতরাং এর ব্যবহার কমানো উচিত। প্যাকেটের খাওয়ার, কোল্ড ড্রিংস ইত্যাদি খাদ্য খুব ক্ষতিকর। প্যাকেটের ফলের রস না খেয়ে বাড়িতে সদ্য বানানো ফলের রস খাওয়া উচিত। ৭) যে কোনো ধরনের নেশা , বিশেষ করে তামাক জাতীয় ও মদ্যপান অসময়ে বিপদ ডেকে আনতে পারে। ৮) পেটে মেদ জমতে দেওয়া একদমই উচিত নয়। ৯) কোন অজানা ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। কোন দীর্ঘমেয়াদী ওষুধ চললে চিকিৎসকের কাছে জেনে নিন এর সাইড এফেক্টগুলো। যেমন কিছু মাইগ্রেনের ওষুধ আছে যেটা শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়। সুতরাং কারোর ওজন বেশী থাকলে এই ধরনের ওষুধ না খাওয়াটাই উচিত। আবার স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধেরও নানা রকম সাইড এফেক্ট আছে।

তাই ভেষজ ঔষধ ব্যবহার করা যোতে পারে। কারণ ভেষজ ঔষধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : +88 01777988889 / +88 01762240650

(সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

ফেইসবুক পেজ : web.facebook.com/ibnsinahealthcare

সরাসরি যোগাযোগ করুন : IBN SINA HEALTH CARE, Hazigonj. Chandpur.

ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com

শ্বেতীযৌনরোগহার্পিসপাইলসডায়াবেটিস,  অ্যালার্জি, লিকুরিয়াব্রেনস্ট্রোক, হার্ট ও শিরার ব্লকেজউচ্চ রক্তচাপ,হার্ট অ্যাটাকচর্মরোগক্যান্সার, আইবিএস, বাত বেদনা জন্ডিসলিভার সমস্যা,  স্ত্রী রোগ, গাউট, পক্ষাঘাত, , স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
324 জন পড়েছেন