ekshira

অণ্ডকোষের একশিরা রোগের কারণ ও প্রতিকার

 

 

এটি অণ্ডকোষের সাধারণ কিন্তু অতীব গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। অণ্ডকোষ বা টেস্টিস হচ্ছে পুরুষ প্রজনন গ্রন্থি যা থেকে শুক্রাণু ও টেস্টোস্টেরণ নিঃসৃত হয়। হাইড্রোসিল এমন একটি অবস্থা যেখানে অণ্ডকোষের চারিদিকে অস্বাভাবিক তরল পদার্থ জমা হয়ে অণ্ডথলিকে স্ফীত করে তোলে।

আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও প্রতিকার

হাইড্রোসিল অণ্ডথলির যে কোনও পাশেই হতে পারে এবং কদাচিৎ দু পাশেই হয়। যদিও হাইড্রোসিল বিশেষ কোনও উপসর্গ তৈরি করে না তবুও বিষয়টি চিকিৎসকের নজরে আনা উচিত। কারণ কখনও কখনও এগুলো অণ্ডকোষের মারাত্মক অবস্থা নির্দেশ করে।

কাদের বেশি হয়ে থাকে?
– সাধারণ পুরুষের প্রথম ও শেষ বয়সকালে হয়ে থাকে। তবে এটি যেকোনো বয়সেই হতে পারে
– প্রায় ১০ ভাগ অপরিপুষ্ট পুরুষ শিশু হাইড্রোসিল নিয়ে জন্মগ্রহণ করে
– বয়স্কদের হাইড্রোসিলের সাথে কখনও কখনও অণ্ডথলিতে আঘাতের ইতিহাস থাকতে পারে
– কখনও কখনও অণ্ডকোষের ক্যান্সারের সাথে হাইড্রোসিল সহাবস্থান করতে পারে

gif maker

আরো পড়ুন : যৌন সমস্যার সমাধানে করণীয়

কারণ ও ঝুঁকি : বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনও কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না,
– ইনফেকশন
– ক্যান্সার
– আঘাত পাওয়া
– রক্ত বা অন্যান্য তরল অণ্ডনালীতে আবদ্ধ হওয়া
– আমাদের দেশে উত্তরাঞ্চলে ফাইলেরিয়া সংক্রমণের কারণে হাইড্রোসিলের প্রাদুর্ভাব অনেক বেশি
– প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় চিকিৎসা
– ভেরিকোসিল অপারেশনের পর

উপসর্গ :
– অণ্ডথলি ফুলে যাওয়া
– সাধারণত কোনও ব্যথা থাকে না
– প্রাপ্তবয়স্করা অস্বস্তি অনুভব করতে পারে

রোগ নির্ণয় :
– শারীরিক পরীক্ষা হচ্ছে হাইড্রোসিল নির্ণয়ের প্রথম ধাপ
– আল্ট্রাসাউণ্ড হচ্ছে হাইড্রোসিল নিশ্চিত করার সর্বোত্তম পন্থা

আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস থেকে মুক্তির সহজ উপায়

চিকিৎসা :
– অধিকাংশ ছোট ও নির্দোষ হাইড্রোসিলের চিকিৎসা প্রয়োজন হয় না
– তবে যদি এটি অস্বস্তির কারণ হয় অথবা অনেক বেশি বড় হয় তবে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়

হাইড্রোসিল চিকিৎসার দুটো উপায় আছেঃ
১. ফুটো করে তরল পদার্থ বের করে আনা
২. অপারেশনের মাধ্যমে হাইড্রোসিল অপসারণ করা
অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশুর বয়স ১২-১৮ মাস না হওয়া পর্যন্ত হাইড্রোসিল অপারেশন করা হয় না।

আরো পড়ুন : পাইলস থেকে মুক্তি পেতে করণীয়

প্রতিরোধের উপায় :
– যেহেতু এটি জন্মের পূর্বেই তৈরি হয় তাই নবাগত শিশুদের ক্ষেত্রে এটি প্রতিরোধ-যোগ্য নয়। তবে সঠিক গর্ভকালীন পরিচর্যা, গর্ভাবস্থায় অপুষ্ট শিশুর জন্মরোধে সাহায্য করে ফলে ছেলে শিশুর হাইড্রোসিলের ঝুঁকির হার কমায়।
– প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষগণ জননাঙ্গ আঘাতের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্যে পদক্ষেপ নিতে পারেন। যেমন : প্রতিরোধমূলক এথলেটিক ক্যাপ পরিধান করা এবং খেলাধুলার নিরাপদ নিয়মকানুন মেনে চলা।
– স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মেনে চলা।
– যৌনরোগ এড়িয়ে চলা।

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : 

+88 01777988889 (Imo-whatsApp)

+88 01762240650

( যোগাযোগ : সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

 

শ্বেতীযৌনরোগহার্পিসপাইলসডায়াবেটিস,  অ্যালার্জি, লিকুরিয়াব্রেনস্ট্রোক, হার্ট ও শিরার ব্লকেজউচ্চ রক্তচাপ,হার্ট অ্যাটাকচর্মরোগক্যান্সার, আইবিএস, বাত বেদনা জন্ডিসলিভার সমস্যাস্ত্রী রোগআইবিএস, বন্ধাত্ব, গাউট, পক্ষাঘাত, স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।

 

 381 সর্বমোট পড়েছেন,  2 আজ পড়েছেন

শেয়ার করুন

Leave a Reply