শ্বেতী রোগ একশতভাগ মুক্ত হয় ভেষজ চিকিৎসায়

বাংলাদেশের মতোই সারাবিশ্বে শ্বেতী – বড় অদ্ভুত একটি রোগ, তবে ভয়াবহ নয় মোটেও! শুধুমাত্র রোগটি সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে শ্বেতী রোগীকে দেখলে ভয়ে আঁতকে ওঠেন অনেকেই। অনেকেই ভ্রূ কুঞ্চিত করেন ভাবনায়, ছোঁয়াচে নয়তো! একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার এই অভিব্যক্তি দেখে শ্বেতী রোগীর মনে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়? কেউ হয়তো অপমানিতবোধ করেন, কেউ বা পান কষ্ট!

Viitiligo

শ্বেতী রোগের চিকিৎসায় সাফল্য : ধানমন্ডির এই শিশুটি শ্বেতী মুক্ত হয়েছে

তাই শ্বেতী রোগীকে অনাদর, অবহেলা-অবজ্ঞা নয়- আমাদের উদ্ভাবিত ভেষজ চিকিৎসায় শ্বেতী রোগ একশতভাগ মুক্ত হয়। তবে এ চিকিৎসা হতে হবে ধাপে ধাপে ধৈর্য সহকারে। কারণ একদিন বা এক মাসেই এ রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সহজ নয়। এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে ইউনানী ভেষজ চিকিৎসা। ইউনানী ও ভেষজ চিকিৎসায় এ পর্যন্ত পার্শ্বে উল্লেখিত শিশুটি ছাড়াও কয়েক হাজার শ্বেতী রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন। যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করছেন।

যেহেতু শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ধাপে ধাপে করতে হয় তাই এটি অনেক সময়সাপেক্ষ। ৬ মাস থেকে ১৮ মাস এমনকি এক দুই বছর ধরে ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শমতে চিকিৎসা চালাতে পারলে এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।

এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে দেহের লোমশ অংশের চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয় কিন্তু যেসব অংশে লোম থাকে না, যেমন আঙুল, ঠোঁট ইত্যাদির চিকিৎসায় দীর্ঘসময় লেগে যেতে পারে।

শ্বেতী রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ছাড়া শুধু রোগের লক্ষণ দেখেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ ব্যবহার করা হয়।

Night King Sexual Animation

প্রয়োজনে রোগীর বয়স, রোগের সময়কাল, রোগের স্থান এবং ব্যাপ্তিভেদে চিকিৎসা পদ্ধতি বাছাই করা হয়। সেক্ষেত্রে এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায়  Recap ক্রিম, Vitiligo Natural, Vitiligo Natural Harbs, Vitiligo Remover সহ চিকিৎসকের নির্দেশনামতে আরো কিছু ঔষধ কয়েক মাস এমনকি প্রয়োজনে কয়েক বছর ধরে নিয়মিতভাবে সেবন করতে হয়। এ চিকিৎসায় ধীরে ধীরে শ্বেতী থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব এবং সারাদেশে প্রায় এক হাজারেরও বেশি রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন।

এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে আপনি নিজে সরাসরি গিয়ে ঔষধ গ্রহণ করতে পারলে তা হবে পারফেক্ট। তবে যদি কোনো কারণে তা সম্ভব না হয় তবে বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেও দু’ থেকে তিন দিনের মধ্যেই ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রবন্ধের শেষে হাকীম মিজানুর রহমান-এর সাথে যোগাযোগের নাম্বার দেয়া আছে। তাঁর সাথে যোগাযোগ করে ঔষধ গ্রহণ করতে পারেন।

এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় এ চিকিৎসা গ্রহণ করলে শরীরে মেলানিন উৎপন্য হতে শুরু করে এবং আক্রান্ত স্থান ক্রমে কমে শরীরের অন্যান্য স্থানের মতোই সুন্দর হয়ে উঠে এবং শ্বেতী রোগের পরিসমাপ্তি ঘটে। সেই সাথে ভবিষ্যতে আবার যাতে শ্বেতী আক্রান্ত না হতে হয় সেজন্য ডাক্তারের নির্দেশমতো চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। ফলে পরবর্তীতে এ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা আর থাকে না। যাদের শ্বেতী রোগ আছে তারা এ চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন৷ এটা একটা ভাল মানের চিকিৎসা সেবা।

কারো কারো শ্বেতীরোগ চিকিৎসায় ভালো হতে একটু সময় লাগে। কারো কারো এক বছর বা দেড়-দুই বছরও সময় লাগে। কারো কারো কম সময়ে ভাল হয়। তবে শ্বেতীরোগের পরিমানের উপর সময় কম বা বেশী লাগে। তাই নিরাশ না হয়ে চিকিৎসা সেবা নিলে ভাল ফল পাবেন।

প্রাথমিক পর্যায় হলে সম্প্রতি আবিষ্কৃত Recap নামের ঔষধ ব্যবহারে এর সফল চিকিৎসা আছে।  সেই সাথে Vitiligo Natural ব্যবহার করতে হবে। এটি শ্বেতী রোগের মহৌষধ। এছাড়াও আরো কিছু ঔষধ রয়েছে, যা পরবর্তীতে অবস্থা ভেদে প্রদান করা হয়।

logo

রোগের বয়স দীর্ঘ বা ক্রনিক হলে দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করতে হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগী দু’জনকে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয়। কারণ শ্বেতী একটি জটিল রোগ। এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে ধৈয্যের পরিচয় দিতে হয়। যাদের এ রোগটি শুরুর সাথে সাথেই চিকিৎসা শুরু করা যায় অর্থাৎ ঔষধ প্রয়োগ করা যায় এবং নিম্নে বর্ণিত খাবার বিধি-নিষেধের বিষয়ে সচেতন হওয়া যায়। তাদের এ রোগ সহজেই নির্মূল হয়।

আর এ রোগটি দু’তিন বছর যারা লালন পালন করছেন। খাবার দাবার বিধি-নিষেধমতো গ্রহণ করছেন না, ঔষধ প্রয়োগ করছেন না তাদের সুস্থ হতে তিন, চার বা ছয়মাস এমনকি দু’এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে ঔষধ প্রয়োগের বিষয়ে ধৈর্য হারাবেন না। ঔষধ ব্যবহার করতে হবে এবং খাবার-দাবারের বিষয়ে নিম্নে বর্ণিত বিধি নিষেধগুলো মেনে চলতে দ্রুত এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।

করণীয় :

কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ থাকলে দূর করতে হবে।

দুধ, ছানা, মাখন, স্নেহজাতীয়, ফলের রস ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্য বেশি বেশি খাবেন।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ভালো।

চিকিৎসা :

ছোট আকৃতির শ্বেতী মলম বা ওষুধে সেরে যেতে পারে। Recap মলম লাগানো বা Vitiligo Natural ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ডাক্তার নির্দেশিত অন্যান্য ঔষধ প্রতিনিয়ত মালিশ করতে হবে শ্বেতী-আক্রান্ত স্থানে। বড় আকারের শ্বেতী হলে Recape মলম আর Vitiligo Natural ও Vitiligo Remover ওষুধে কাজ হতে প্রায় ৬ মাস এমনকি দেড় থেকে ২ বছরও লাগতে পারে।

লক্ষ্য করুন :

– যত অল্প বয়সে শ্বেতীর চিকিৎসা করা যায় তত ভালো।
– শরীরের যেকোনো জায়গায় সাদা দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিত্‍সকের সাথে যোগাযোগ করুন।
– ডায়াবেটিস, হাইপার থাইরয়েড – এসব যাদের আছে তাদের শ্বেতী হবার প্রবণতা বেশি থাকে।

Hakim Mizanur Rahman

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : 

+88 01777988889 (Imo-whatsApp)

+88 01762240650

( যোগাযোগ : সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

ফেইসবুক পেজ : web.facebook.com/ibnsinahealthcare

সরাসরি যোগাযোগ : IBN SINA HEALTH CARE,

Gousia Tawar (3rd Floor). Rampur Bazer. Hazigonj. Chandpur.

ই-মেইল : [email protected]

শ্বেতীহার্পিসপাইলসডায়াবেটিস,  অ্যালার্জি, লিকুরিয়াব্রেনস্ট্রোক, হার্ট ও শিরার ব্লকেজউচ্চ রক্তচাপ,হার্ট অ্যাটাকচর্মরোগক্যান্সার, আইবিএস, বাত বেদনা জন্ডিসলিভার সমস্যাস্ত্রী রোগআইবিএস, বন্ধাত্ব, গাউট, পক্ষাঘাত, স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।

 

ডায়াবেটিস থেকে মুক্তির সহজ উপায়

বর্তমান যুগে ডায়াবেটিস নামের মধ্যেই যেনো এক প্রকার আতঙ্ক ও উদ্বেগ জড়িয়ে রয়েছে। আজকের যুগে বহু মানুষ এ রোগে আক্রান্ত। তবে এ রোগ প্রতিকারের রয়েছে অনেক সহজ পন্থা। যার সাহায্যে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ। সেই সঙ্গে সঠিক চিকিৎসা ও খাদ্যাভাসও একান্ত জরুরী।

Diabeties Cure

ডায়াবেটিস থেকে চিরমুক্তির জন্য সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ভেষজ ঔষধ পেতে যোগাযাগ করুন- হাকীম মিজানুর রহমান : 01777988889

গ্লুকো কেয়ার : গ্লুকো কেয়ার-এ রয়েছে সয়া প্রোটিন, আমলকী, করলা, জামবীজ, আলফালাফা পাতা, রসুন, মেথি, চিরতা ও কালো জিরাসহ বেশ কিছু প্রাকৃতিক বা ভেষজ উপাদান। যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে ধীরে ধীরে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়।

Gluco Care

সেবন বিধি : সকাল : ১. একদম খালিপেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করবেন। ২. আঘা ঘণ্টা পর এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ গ্লুকো কেয়ার পাউডার মিশিয়ে পান করবেন। ৩. এক ঘণ্টা পর এক গ্লাস পানিতে চার চামচ সয়া পাউডার মিশিয়ে খাবেন। ৪.  এক ঘণ্টা পর এক চামচ ভাত বা দুই টুকরো রুটি বা রুটি না খেয়ে সালাদ খাওয়া উত্তম। ৫. উষ্ণ এক গ্লাস পানির সাথে আধা চামচ নিজেলা স্যাটিভা (ঘরমবষষধ ঝধঃরাধ) পান করবেন।দুপুর : ১. বাড়িতে তৈরি খাবার খাবেন, যা তেলমুক্ত (সম্ভব না হলে যত কম তেল খাওয়া যায়)। এর সাথে সালাদ খাবেন। ২. আধা ঘণ্টা পর দুই চা চামচ টক দই খাবেন।রাত : ১. একদম খালিপেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করবেন। ২. আঘা ঘণ্টা পর এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ গ্লুকো কেয়ার পাউডার মিশিয়ে পান করবেন। ৩. এক ঘণ্টা পর এক গ্লাস পানিতে চার চামচ সয়া পাউডার মিশিয়ে খাবেন। ৪. এক ঘণ্টা পর শুধুমাত্র সালাদ খাবেন। এই ক্ষেত্রে কোনোভাবেই ভাত বা রুটি খাওয়া চলবে না। ৫. উষ্ণ এক গ্লাস পানির সাথে আধা চামচ নিজেলা স্যাটিভা (Nigella Sativa) পান করবেন।

করণীয় :

সকালে খালি পেটে ৩০ মিনিট এবং রাতে খাবারের পর ১০ মিনিট দ্রুত হাঁটবেন।

দৈনিক চার গ্লাস কুসুম কুসুম গরম পানি পান করবেন।

ব্লাড প্রেসার থাকলে নিয়মিত চেক করবেন।

Soya protien

বর্জনীয় :

তেল-চর্বি জাতীয় খাদ্য এবং কোমল পানীয় বাদ দিতে হবে।

ধূমপান এবং অ্যালকোহল পরিহার করতে হবে।

ফার্স্টফুড এবং চিনি জাতীয় খাদ্য নিষেধ।

পরামর্শ :

১। প্রতিদিন ফল ও সবুজ সবজি খাবেন। যে কোনো ধরনের মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন।

২। সঠিক সময়ে খাবার খান। অতিরিক্ত খাবার খাবেন না।

৩। সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। এটি আপনার শরীর থেকে টক্সিন জাতীয় উপাদান বের করতে সাহায্য করে।

৪। সর ছাড়া দুধ ও ডিম খান। তেল খেলে তা খুব অল্প পরিমাণে খাবেন।

৫। ফাইবার জাতীয় খাবার তালিকায় রাখুন।

৬। সম্ভব হলে দিনে দুইবার আপেলের রস খান।

ডয়াবেটিস রুখতে বেশ কিছু ভেষজ প্রতিকারও রয়েছে। জেনে নিন সেসব প্রতিকার সম্পর্কে :

১। ডায়াবেটিস রোধে জাম খুব উপকারী। এটি শর্করাকে শ্বেতসারে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়।

২। রসুন এই রোগেরই একটি অন্যতম ভেষজ প্রতিকার। রসুনে অ্যালিসিন থাকে যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে  দেয় না।

৩। প্রতিদিন সকালে যদি ৫ থেকে ১০টি তাজা কারী পাতা খাওয়া যায়, তবে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ।

৪। টাটকা আমের পাতাকে একগ্লাস পানিতে সেদ্ধ করে সারারাত রেখে দিন। পরদিন সকালে পাতা ছেঁকে যদি সেই পানি পান করা যায়, তবে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

Diabeties 1

সয়া প্রোটিন, গ্লুকো কেয়ার ও নিজেলা স্যাটিভা

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দু’ধরনের ডায়াবেটিসে মানুষ ভুগছেন। ইনসুলিন ও ডায়ালাইসিস এক্ষেত্রে খুবই বিরক্তিকর এক অভিজ্ঞতা। অনেকে মনে করেন মিষ্টি খাওয়াই ডায়াবেটিসের একমাত্র কারণ। কিন্তু তা নয়। দুঃশ্চিন্তা ও  জিন বা বংশগত প্রভাবও ডায়াবেটিস হবার জন্যে দায়ী। কিন্তু বংশগত কারণে আপনার যদি ডায়াবেটিস হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্য তেমন কিছু আপনার করার থাকবে না।

ডায়াবেটিস থেকে রক্ষার জন্য প্রতিদিন উপরোক্ত ঔষধ খেতে হবে আপনাকে। সেই সাথে সামান্য কিছু পরিবর্তন আনতে হবে আপনার জীবনে। বলা চলে, আপনার দৈনন্দিন কর্মকান্ডের ভেতর।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধের জন্যে আপনি এই নিয়মগুলো মেনে চলুন, আশা করা যায়, অতি দ্রুতই আপনি দুঃশ্চিন্তামুক্ত, সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবেন।

খালি পেটে ফলের রস পান করা, কিংবা ফল খাওয়া ডায়াবেটিস রোধে খুবই কার্যকর। তবে দেখা গেছে, স্বাদে তিতা ফলের রস খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে করলা বা উচ্ছে জাতীয় খাবার স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এগুলো জুস বা ভাজি করে খাওয়া যেতে পারে। এজন্য অবশ্য আপনার নিয়মিত খাবারের তালিকা পরিবর্তনের দরকার হবে না।

১. প্রতিরাতে শোবার আগে পানিতে ক’টি মেথির বীজ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ব্রাশ করার পর খালি পেটে ওই বীজগুলো  খেয়ে ফেলুন।

২. জামরুল ফল ডায়াবেটিস সারানোর জন্যে একটি অত্যন্ত উপকারি ফল। এর কিছু বীজ ধুয়ে শুকিয়ে, তারপর গুড়া করে পানির সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৩. পেয়ারা এমন একটি ফল, যেটি প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। সম্প্রতিক একটি গবেষণায় এটি স্পষ্ট যে, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলটির খোসা রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, তাই আপনার জন্যে এর খোসা না খাওয়াই ভালো।

৪. আমলা জাতীয় ফল রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে থাকে।

৫. আপনার চা বা কফিতে চিনির পরিবর্তে মধু দিন।

৬. গবেষণায় প্রমাণিত, চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি পান করলে দু’ধরনের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকে না।

৭. এছাড়া গ্রিন চা শরীরের রক্তে চিনি ও ইনসুলিনের মাত্রা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস হলে দেহের রোগ নিরাময় ক্ষমতা কমে যায়। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

চাপ দূর করতে মেডিটেশন : চাপ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত মেডিটেশন করুন। করটিসল, এপিনেফ্রিন এবং গ্লুক্যাজন এসব হরমোন বেড়ে যায় চাপের কারণে। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত ব্যায়াম করলে ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বহুলাংশে কমে যায়।

ভালোমতো ঘুম : ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভালো করে ঘুমানো খুব জরুরি। ঘুমের সমস্যার কারণে ওজনাধিক্য এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুম কেবল এসব সমস্যাই নয়, মস্কিষ্ক শিথিল করে মানুষকে কর্মক্ষম রাখতেও সাহায্য করে।

নিয়মিত ব্যায়াম : প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। শারীরিক কার্যক্রম দেহে টিস্যুর সংবেদনশীলতা বাড়াতে কাজ করে এবং ওজন ঠিক রাখে। ব্যায়াম রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকরী। তবে ব্যায়াম শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তাজা খাবার খান : চেষ্টা করুন তাজা খাবার খেতে। কারখানায় খাবার প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় অনেক খাবারের মান নষ্ট হয়ে যায় বা কমে যায়। বেশি করে ফল, সবজি, মাছ, মাংস এবং বাদাম খাওয়া ভালো। এসব খাবার কার্বোহাইড্রেট, শর্করা এবং চর্বিকে পরিশোধিত করে। এসব খাবার ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

মনে রাখবেন, এটি জটিল কোনো রোগ না হলেও একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। তাই ‘গ্যারান্টি’ চিকিৎসার আকর্ষণে না ভুলে নিয়মিত চিকিৎসা নিন ও নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন মেনে চলুন।

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : +88 01777988889 / +88 01762240650

ফেইসবুক পেজ : web.facebook.com/ibnsinahealthcare

অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন : IBN SINA HEALTH CARE,

Hazigonj. Chandpur.

ই-মেইল : [email protected]

শ্বেতীযৌনরোগহার্পিসপাইলসডায়াবেটিস,  অ্যালার্জি, লিকুরিয়াব্রেনস্ট্রোক, হার্ট ও শিরার ব্লকেজউচ্চ রক্তচাপ,হার্ট অ্যাটাকচর্মরোগক্যান্সার, আইবিএস, বাত বেদনা জন্ডিসলিভার সমস্যা, গাউট, পক্ষাঘাত,  স্ত্রী রোগ, স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।


অর্শ বা পাইলস:
কারণ, লক্ষণ, করণীয়, খাদ্যাভ্যাস, চিকিৎসা

অর্শ বা পাইলস কি?

মলাশয়ের নিম্নাংশ বা মলদ্বারের শিরাগুলো ফুলে গেলে সেগুলোকে অর্শ বা পাইলস বলে। এই অর্শ মলদ্বারের অভ্যন্তরেও হতে পারে আবার বাইরেও হতে পারে।

অর্শ বা পাইলস কেন হয় (অর্শের কারণসমূহ):

অর্শের সঠিক কারণ জানা না গেলেও নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্শ হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে :
১. দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া।
২. শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার এবং পানি কম খাওয়া।
৩. শরীরের অতিরিক্ত ওজন।
৪. গর্ভাবস্থা।
৫. লিভার সিরোসিস।
৬. মলত্যাগে বেশী চাপ দেয়া।
৭. অতিরিক্ত মাত্রায় লেকজেটিভ (মল নরমকারক ওষুধ) ব্যবহার করা বা এনেমা (শক্ত মল বের করার জন্য বিশেষ
তরল মিশ্রণ ব্যবহার করা) গ্রহণ করা।
৮. টয়লেটে বেশি সময় ব্যয় করা।
৯. বৃদ্ধ বয়স।
১০. পরিবারে কারও পাইলস থাকা।
১১. ভার উত্তোলন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা ইত্যাদি।

Piles Cure up

অশ্ব বা পাইলস থেকে মুক্তি পেতে যোগাযোগ করুন : 01777988889

অর্শ বা পাইলস কীভাবে বুঝব (অর্শের লক্ষণসমূহ) :

মলদ্বারের অভ্যন্তরে হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে :
১. পায়খানার সময় ব্যথাহীন রক্তপাত হওয়া।
২. মলদ্বারের ফোলা বাইরে বের হয়ে আসতে পারে, নাও পারে। যদি বের হয় তবে তা নিজেই ভেতরে চলে যায় অথবা হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া যায়। কখনও কখনও এমনও হতে পারে যে, বাইরে বের হওয়ার পর তা আর ভেতরে প্রবেশ করানো যায় না বা ভেতরে প্রবেশ করানো গেলেও তা আবার বের হয়ে আসে।
৩. মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, যন্ত্রণা বা চুলকানি হওয়া।
৪. কোনো কোনো ক্ষেত্রে মলদ্বারে ব্যথাও হতে পারে।

মলদ্বারের বাইরে হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে :
১. মলদ্বারের বাইরে ফুলে যাওয়া যা হাত দিয়ে স্পর্শ ও অনুভব করা যায়।
২. কখনও কখনও রক্তপাত বা মলদ্বারে ব্যথাও হতে পারে।

কি করব (অর্শ বা পাইলস রোগে করণীয়) :

১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেনো না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা।
২. পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসব্জি ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি (প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস) পান করা।
৩. সহনীয়মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা।
৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানো।
৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা।
৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা।
৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা। যেমন : আঁশযুক্ত খাবার, শাকসবজি ইত্যাদি।
৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া লাক্সেটিভ বা রেচক ঔষধ বেশি গ্রহণ না করা।
৯. মলত্যাগে বেশি চাপ না দেয়া।
১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া।

কি খাবো (অর্শ বা পাইলস রোগে গ্রহণীয় কিছু খাবার) :
শাকসব্জি, ফলমূল, সব ধরনের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেঁপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি।

কি খাবো না (অর্শ বা পাইলস রোগে বর্জনীয় কিছু খাবার) :
খোসাহীন শস্য, গরুর মাংস, খাসির মাংস ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, মসৃণ চাল, কলে ছাঁটা আটা, ময়দা, চা, কফি, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল পানীয়, সব ধরনের ভাজা খাবার, যেমন : পরোটা, লুচি, চিপস ইত্যাদি।

অর্শ বা পাইলস রোগের চিকিৎসা :
১. পাইলস কিউর (Piles Cure) সকাল ও রাতে দুই বেলা হালকা গরম পানির সাথে দু’চামচ করে সেবন করা।

২. ডিমোরাইড (Demorhoid) ক্যাপসুল সকাল ও রাতে একটি করে।

৩. হ্যানরয়েড (Hanrhoid) Tablet সকাল ও রাতে খাবারের আগে দুটি করে।

৪. হলাক্স (Helax) সকাল রাতে দুটি করে।

৫. ইসপারগুল সকাল ও রাতে এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে।

এছাড়াও রোগীর অবস্থা বুঝে প্রয়োজনীয় সংশ্লিষ্ট কিছু ঔষধ গ্রহণ করতে হবে। যা চিকিৎসকই ভালো জানেন। বিচ্ছিন্নভাবে ঔষধ ব্যবহার না করে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে ঔষধ গ্রহণ করলে এবং তার তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা গ্রহণ করলেই সুস্থতা সম্ভব।

এসব ঔষধ-এর এক মাসের এক কোর্স এর মূল্য ২৩০০/- টাকা। ঔষধ পেতে নিম্নে বর্ণিত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে আপনি সরাসরি অথবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন।

৪. উপরোক্ত চিকিৎসায় যদি যথেষ্ট উন্নতি না হয় তাহলে-
অর্শ মলদ্বারের বাইরে হলে :
অর্শ ছোট হলে- Local anesthesia ইনজেকশন দিয়ে অর্শ কেটে ফেলা হয়।
অর্শ বড় হলে বা তাতে রক্ত জমাট বেধে গেলে-Haemorrhoidectomy অপারেশন করা হয়।

অর্শ মলদ্বারের ভিতরে হলে :
যদি এমন হয় যে মলদ্বারের ভিতরের অর্শ বাইরে বের হয় না বা বের হয় তবে তা নিজেই ভেতরে চলে যায় সেক্ষেত্রে চিকিৎসা-
১. স্ক্লেরোথেরাপি (Sclerotherapy)  যাতে অর্শে Chemical irritants (যেমন-Oily phenol) ইনজেকশন দেয়া হয়।

২. ব্যান্ড লাইগেশন, যাতে একটি চিমটার সহায়তায় অর্শকে টেনে ধরে রাবার ব্যান্ড পরিয়ে দেয়া হয় (যদি অর্শ বাইরে বের হয়ে আসে কিন্তু নিজে নিজে ভেতরে চলে যায় না বরং হাত দিয়ে তা ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে হয় তাহলে সেক্ষেত্রেও কখনও কখনও এই পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়)।

৩. Infrared Photocoagulation বা Cauterization যাতে একটি electric probe বা laser beam বা infrared light অর্শে প্রয়োগ করা হয় (যদি অর্শ বাইরে বের হয়ে আসে কিন্তু নিজে নিজে ভেতরে চলে যায় না বরং হাত দিয়ে তা ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে হয় তাহলে সেক্ষেত্রেও কখনও কখনও এই পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়)।

রর) যদি এমন হয় যে মলদ্বারের ভিতরের অর্শ বাইরে বের হয়ে আসে এবং বের হওয়ার পর তা আর ভেতরে প্রবেশ করানো যায় না বা হাত দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করানো গেলেও পরে তা আবার বের হয়ে আসে, সেক্ষেত্রে চিকিৎসা-
Surgery বা অপারেশন:
১. পুরনো পদ্ধতিতে অর্শ অপারেশন।
২. Longo বা Stapled Haemorrhoidectomy যাতে অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে মলদ্বার না কেটে অর্শ অপারেশন করা হয়
৩. ডায়াথারমি পদ্ধতিতে অর্শ অপারেশন।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

(সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : +88 01777988889 / +88 01762240650

ফেইসবুক পেজ : লাইক দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকুন : web.facebook.com/ibnsinahealthcare

অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন : IBN SINA HEALTH CARE, CHANDPUR.

ই-মেইল : [email protected]

শ্বেতীযৌনরোগহার্পিসপাইলসডায়াবেটিস,  অ্যালার্জি, লিকুরিয়াব্রেনস্ট্রোক, হার্ট ও শিরার ব্লকেজ, হার্ট অ্যাটাক,  ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ, বাত বেদনা, গাউট, পক্ষাঘাত, চর্মরোগ,  জন্ডিস, লিভার সমস্যা,  স্ত্রী রোগ, স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।

জিম নয়, জেনে নিন ঘরে বসেই খুব সহজে আকর্ষণীয় ফিগার পাবার উপায়

আপনি তরুণ, যুবক হোন আর রমণী বা যুবতীই হোন যদি ক্ষীণ, দুর্বল স্বাস্থ্য হয় তবে মোটা না রোগা, সেটা জরুরী বিষয় নয় তবে আপনার হবে আকর্ষণীয় ফিগার। অনেক স্লিম ছেলে-মেয়েদেরও দেখবেন ঢেউ খেলানো চমৎকার ফিগার থাকে, আবার অনেকের ওজন কম হলেও দেখা যায় ফিগারের শেপ সুন্দর নয়। সুন্দর পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসহ আকর্ষণীয় ফিগার চাই?

Super Protien up

আপনার ওজন যেমনই হোক না কেন সুপার প্রোটিন সেবন করে ফিগার হয়ে উঠবে পারফেক্ট। সরাসরি অথবা কুরিয়ারযোগে পেতে যোগাযোগ : ০১৭৭৭৯৮৮৮৮৯

জিমে গিয়ে কঠোর ব্যায়াম কিংবা ক্রাশ ডায়েটের কথা ভুলে যান। আপনার ওজন যেমনই হোক না কেন সুপার প্রোটিন এবং অর্গানিক সুপার প্রোটিন সেবন করুন। মেনে চলুন এই টিপস। শরীরের বাড়তি মেদ যাদের, তাঁদের মেদ ঝরে গিয়ে ফিগার হয়ে উঠবে দারুণ। যারা বেশী রোগা বা ফিগারের শেপ সুন্দর নয়, তাঁদের ফিগারও হয়ে উঠবে পারফেক্ট!

বিশ্ববিখ্যাত সুপার প্রোটিন এবং অর্গানিক সুপার প্রোটিনরীতিমতো ব্যবহার করে ধীরে ধীরে আপনি আকর্ষণীয় ফিগারের অধিকারী হতে পারবেন।

Super Protien

সুপার প্রোটিন এ আছে  উচ্চ শক্তিসম্পন্ন সয়া প্রোটিন। বেঙ্গা গ্রাম, আলমন্ড, পিস্টাসিও, ওটব্রান, কর্ণবার্ন, আলফালফা মল্ট ও প্রাকৃতিক সাইট্রোলিন, আজেনাইন মাল্টেডেক্সাট্রিন, ফ্লাক্সমিল, ফোলেট, আলফা টোকোফেরোল, ক্যারোটিন, ব্যয়োটিন, ক্যাসিনেটস ও লিসিথিন এবং স্বাদিষ্ট চকলেট ফ্লেভার। সুস্বাস্থ্য গঠন, সুন্দর ফিগার তৈরি, নব উদ্যম সৃষ্টি ও তারুণ্য বৃদ্ধিতে অদ্বিতীয় পুষ্টি খাদ্য।

সুপার প্রোটিন : মূল্য ১৫০০/- টাকা।

অর্গানিক সুপার প্রোটিন মূল্য : ৫৫০/- টাকা।

সুপার প্রোটিন ও অর্গানিক সুপার প্রোটিন একত্রে ২০৫০/- টাকা

সরাসরি অথবা কুরিয়ার যোগে সারাদেশের যে কোনো জেলায় পাঠানো হয়। ভেতরে ব্যবহার বিধিও দেয়া থাকবে।

যোগাযোগ :

(সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

Hakim Mizanur Rahman

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন (IMO) : 

+88 01777988889

+88 01762240650

ফেইসবুক পেজ :

web.facebook.com/ibnsinahealthcare

অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন :

IBN SINA HEALTH CARE,

Hazigonj. Chandpur.

ই-মেইল :

[email protected]

শ্বেতীযৌনরোগহার্পিসপাইলসডায়াবেটিস,  অ্যালার্জি, লিকুরিয়াব্রেনস্ট্রোক, হার্ট ও শিরার ব্লকেজউচ্চ রক্তচাপ,হার্ট অ্যাটাকচর্মরোগক্যান্সার, আইবিএস, বাত বেদনা জন্ডিসলিভার সমস্যা,  স্ত্রী রোগআইবিএস, গাউট, পক্ষাঘাত, , স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

 বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে
লিখতে পারেন আপনিও [email protected]

সর্বশেষ আপডেট : বাংলাদেশ সময় : ১১:১৮ পূর্বাহ্ন,  ০২ ডিসেম্বর ২০১৭, শনিবার

আরও পড়ুন : 

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

1,803 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন

Leave a Reply