হাইমচরে ৪০ বছর ধরে টিউমারের সাথে যুদ্ধ করে চলছেন আনা মিয়ার

0
3

আর্থিক সমস্যায় চিকিৎসা করতে না পারায়
হাইমচরে ৪০ বছর ধরে টিউমারের সাথে যুদ্ধ করে চলছেন আনা মিয়ার অসাহায় জীবনযাপন

সাহেদ হোসেন দিপু : চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার আলগী দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্বচর কৃষ্ণপুর গ্রামের আনামিয়া দেওয়ান। বয়স ৮০ বছর। ৪০ বছর ধরে মরণব্যাধি টিউমারের সাথে যুদ্ধ করে চলছে তার অসহায় জীবন।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01777988889 অথবা
01762240650
মূল্য : নাইট কিং- ১০৫০/- টাকা, নাইট কিং গোল্ড ১৩৫০/- টাকা।

অর্থের অভাবে অপারেশন করাতে পারছেন না তাঁর ঘাড়ের উপর ঘাপটি মেরে চেপে বসে থাকা টিউমার। মেঘনায় সাত ভাঙ্গার পর ৫ শতাংশ জমিন ক্রয় করে ৬টি কন্যা সন্তান নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে জীবনযাপন করে আসছেন এ অসহায় আনা মিয়া দেওয়ান।

এক এক করে প্রতিটি মেয়েকে বিয়ে দিলেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে বড় মেয়ে বিধবা হয়ে বাপের ঘরে ফিরে আসে। ঘরে অসুস্থ স্ত্রী, নিজের ঘাড়ে অসহ্যকর ব্যথার টিউমার। নেই কোনো সংসারে আয়, আছে শুধু ব্যয়। অভাব অনাটনে কাটছে এ পরিবারের দিনগুলো। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এ মরণ ব্যাধি টিউমারের।

গতকাল টিউমার আক্রান্ত আনামিয়া দেওয়ানের সাথে কথা হয় চাঁদপুর রিপোর্ট এর এ প্রতিবেদকের। তখন তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে চাঁদপুর রিপোর্ট প্রতিবেদককে জানান, ৪০ বছর ধরে আমার ঘাড়ের উপর এ টিউমারটি ঘাপটি মেরে বসে আছে। টাকার অভাবে এর কোনো চিকিৎসা করতে পারছি না। অসহ্য যন্ত্রণা হয় আমার। কি করবো, ঘরে আমার স্ত্রী শ্বাসরোগে ভুগতেছে। বড় মেয়ে বিধবা হয়ে আমার বাড়িতে ফিরে এসেছে। মেঘনা নদী ৭ বার ভাঙ্গার পর এখানে ৫ শতাংশ জমিন ক্রয় করে কোন রকম বেঁচে আছি। অনেক কষ্ট করে আমি আমার ৬টি মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। আমার কোন ছেলে সন্তান নেই। এখন আমি ৮০ বছর বয়সে না পারি কোন কাজ করতে না পারি ভিক্ষা করতে। এক বেলা খেলে ২ বেলা না খেয়ে কাটাতে হয়। এর মাঝে আমি কোনোভাবেই আমার এ টিউমারের চিকিৎসা করাতে পারছি না। এ টিউমারের অসহ্য ব্যাথা নিয়েই আমার বেঁচে থাকতে হয়। জানি না আর কতদিন এ অসহ্য যন্ত্রণার মাঝে বেঁচে থাকবো আমি।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ সমাজের বিত্ত্বশালীগণ যদি এ লোকটির পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়, তাহলে এ লোকটি এ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে। আমরা দেখেছি আপনাদের লেখনিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এক অসহায় ভিক্ষুকের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনাদের লেখনির মাধ্যমে যদি কোনো দয়াবান ব্যক্তি এ অসহায় লোকটির প্রতি সু-নজর দেয়, তাহলে হয়তো সে আবার তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে এবং একটি পরিবার দু’বেলা দু’মুঠো ভাত খেয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে। হাইমচরবাসী আশা করে, মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য এ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে এ অসহায় বৃদ্ধ লোকটির পাশে ও কেউনা কেউ এসে দাঁড়াবে।

অসহায় এ বৃদ্ধকে সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করুন।

মিজানুর রহমান রানা, সম্পাদক, চাঁদপুর রিপোর্ট।

মুঠোফোন : 01742057854

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
26 জন পড়েছেন