যুবকের মানসিক নির্যাতনে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা!

0
57

০৮ মে, ২০১৮ ১৭:৩৭:৫১
গোপালগঞ্জে বখাটে যুবকের মানসিক নির্যাতনে প্রবাসীর স্ত্রী সোনিয়া বেগম (৩২) আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের বটবাড়ি গ্রামে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01777988889 অথবা
01762240650
মূল্য : নাইট কিং- ১০৫০/- টাকা, নাইট কিং গোল্ড ১৩৫০/- টাকা।

এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত রুবেল গা ঢাকা দিয়েছে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই গ্রামের মো. এনায়েত উকিল ১৩ বছর ধরে সৌদি প্রবাসী। স্ত্রী সোনিয়া বেগম দু’ মেয়ে ইমা সুলতানা দোলা (১৩) ও তমা সুলতানাকে (১০) নিয়ে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করতেন। একই গ্রামের দবির খানের ছেলে বখাটে রুবেল খান প্রবাসীর স্ত্রী সোনিয়া বেগমকে বোন ডেকে তার কাছ থেকে ৮ মাস আগে তাদের পুকুর ইজারা নিয়ে মাছের চাষ শুরু করে।

এ সূত্র ধরে সেনিয়ার বাড়িতে রুবেলের যাতায়াত শুরু হয়। রুবেল সোনিয়ার বাড়ির বাজার করে দিতো। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্টতা সৃষ্টি হয়। রুবেল সোনিয়াকে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে গিয়ে অন্তরঙ্গ ছবি তোলে। এসব ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে সোনিয়ার কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে ৪০ হাজার টাকা আদায়ের জন্য সেনিয়া রুবেলকে চাপ দেয়। এ নিয়ে দু’ জনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। রুবেল সোনিয়াকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। এ ছাড়া তাদের ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেবে বলে জানান।

এক পর্যায়ে রুবেলের ফোন নম্বর ব্লক করে দেয় সেনিয়া। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয় রুবেল। রুবেল গ্রামে সোনিয়ার বিরুদ্ধে প্রপাকান্ডা ছড়ায়। বিষয়টি সেনিয়ার বাড়ির লোকজন জেনে যায়। সেনিয়া মুষড়ে পরে। লোকলজ্জার ভয়ে রবিবার বিকেলে নিজের ঘরে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সোনিয়া।

পুলিশ সোমবার ময়না তদন্ত শেষে সোনিয়ার লাশ পরিবারের সদস্যদের হাতে হস্তান্তর করে। সোমবার সন্ধ্যায় বটবাড়ি গ্রামের করবস্থানে সোনিয়ার লাশ দাফন করা হয়।

গৃহবধূর বড় মেয়ে ইমা সুলতানা দোলা জানান, রুবেল তার মাকে মানসিক নির্যাতন করেছে। পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। আম্মুর কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। টাকা চাইতে গেলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। তার কারণেই বাধ্য হয়ে আম্মু আত্মহত্যা করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

অভিযুক্ত রুবেল খানের স্ত্রী শিমু বেগম বলেন, আমার স্বামীর সোনিয়ার বাড়িতে যাতায়াত ছিলো। সোনিয়াও আমাদের বাড়িতে আসতো। আমার স্বামী তাকে আত্ম হত্যায় প্ররোচনা করেছে বলে আমার বিশ্বাস হয় না। এ ঘটনায় আমার স্বামীকে ফাঁসাতে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

গোপালগঞ্জের বৌলতলী পুলিশ ফাঁর এস. আই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে ইউডি মামলা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। আশাকরি দ্রুত এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পারবো।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
531 জন পড়েছেন