চাঁদপুরে মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে একশ টাকা, মাছের বাজারে আগুন

0
33

প্রকাশিত: ১০:১১ এএম, ১৭ মে ২০১৮

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আগামীকাল থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু। কিন্তু প্রতিদিনই জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। এরমধ্যে সবথেকে বেশি বেড়েছে মুরগির দাম। চাঁদপুরে কক মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ১শ’ টাকা। আর মাছের বাজারে তো আগুন লেগেই আছে। এতে ক্রেতাদের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসনের মনিটরিং থাকলেও তাতে কোনো কাজ হচ্ছে না। যদিও চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি, তারপরও জিনিসপত্রের দাম বাড়ছেই। কোনো উপলক্ষ পেলেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে এ যেন এক অলিখিত নিয়ম হয়ে গেছে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01777988889 অথবা
01762240650
মূল্য : নাইট কিং- ১০৫০/- টাকা, নাইট কিং গোল্ড ১৩৫০/- টাকা।

রমজানকে সামনে রেখে প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ধাপে ধাপে বেড়ে গেছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মাছ, মাংস, মুরগিসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম।

এছাড়া ইফতার সামাগ্রীর দামও বেড়েছে প্রকার ভেদে। রমজান উপলক্ষে সরকারিভাবে গরু ও খাসির মাংসের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হলেও ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাত তুলে দাম আরও বাড়িয়ে বিক্রি করছেন।

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম বেড়েছে কয়েক গুন। ৭দিন আগে প্রতি কেজি কক মুরগি বিক্রি হয়েছিল ২২০ থেকে ৩০ টাকায়, কিন্তু বুধবার বিক্রি হয়েছে ৩২০টাকা কেজি। বয়লার মুরগি গত সপ্তাহ ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও এখন সেটা ১৬০ টাকা কেজি। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫শ টাকা কেজি দরে যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৭০ থেকে ৮০ টাকা। মহিসের মাংস বিক্রি হচ্ছে ৪শ ৫০ টাকা কেজিতে। খাশির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭শ ৫০টাকা কেজি আর বকরির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬শ’ ৫০ টাকায়। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে এখানেও প্রতি কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রি করা হচ্ছে।

রমজানকে সামনে রেখে বৃদ্ধি পেয়েছে সব ধরনের মাছের দামও। এককেজি ওজনের ইলিশ গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১৫শ থেকে ১৬ টাকায় সেই ইলিশ গতকাল বিক্রি হয়েছে ২৫শ টাকা কেজি দরে। ৭শ থেকে ৮শ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৫শ থেকে ১৬শ টাকা কেজি দরে। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ১ হাজার থেকে ১২শ’ টাকা কেজীতে।

পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে, প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বুটের ডাল ৮০ টাকা, মটর ডাল ৩৫ টাকা, খেশারির ডাল ৫০ টাকা, বেসন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, খেজুর প্রকার ভেদে ৫শ’, ৪শ’, ২শ’ ও ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিনি কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা, পেঁয়াজ (ভারতীয়) কেজি প্রতি ২৮ থেকে ৩০ টাকা আর দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪২ টাকা। আদা ১শ’ থেকে ১শ’ ২০ টাকা, রসুন ৬০ টাকা থেকে ১শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বরবটি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০ টাকায় যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ৩০ টাকার ঢেড়শ প্রতি কেজি ৫০ টাকায়, কচুর লতি ৪০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, চিচিঙ্গা কেজি ৬০ টাকা, কাকরোল ৮০ টাকা, পেঁপে ৬০ টাকা, কালো বেগুন ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে, লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
663 জন পড়েছেন