ব্যক্তিস্বার্থে নির্মিত হচ্ছে মধুরোড রেলওয়ে স্টেশন!

0
33

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত নকশাকে পাশ কাটিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কারসাজিতে
ব্যক্তিস্বার্থে নির্মিত হচ্ছে মধুরোড রেলওয়ে স্টেশন!

গোলাম মোস্তফা :
বর্তমান সরকারের দেশকে এগিয়ে নেয়ার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেল লাইন থেকে শুরু করে সকল অবকাঠামো আধুনিকায়নের একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন সরকার।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01777988889 অথবা
01762240650
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সে মোতাবেক বাংলাদেশ রেলওয়ের এ আধুনিকায়নের কাজটি প্রায় ২-৩ বছর আগ থেকে শুরু করে এখন প্রায় অনেকটাই শেষের পথে। চাঁদপুর লাকসাম রেল পথের চিতোষী, মেহের, হাজীগঞ্জ, বলাখাল ও শাহতলী রেল স্টেশনের অধিকাংশ সকল কার্যক্রম শেষ করে তা সন্তুষ্টি কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার পথে রয়েছে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে মধুরোড রেলস্টেশনের কাজটি এখনও ৫০% ও শেষ হয়নি।

জানা যায়, চাঁদপুর লাকসাম রেলপথের কাজটি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাশেম কনস্ট্রাকশান নামক একটি প্রতিষ্ঠান কাজটির অনুমতি পায়। পাওয়ার পর থেকেই তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত সিডিউল ও নকশার বাহিরে বিভিন্ন অনিয়ম দুনীতির মাধ্যমে কাজটি করে আসছেন। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় ও দৈনিক পত্রিকায় বেশ কিছু সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

একটি অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মধুরোড রেলওয়ে স্টেশন অবকাঠামো সহ সকল উন্নয়নে এ প্রতিষ্ঠানটি অনিয়ম ও দুনীতি করে কাজটি করার জন্য চেষ্টা করে আসছেন। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগণের চাপের কারণে কাজটি মোটামুটি প্রায় ৫০% মোটামুটি করেন। কিন্তু মধুরোড রেলওয়ে স্টেশনের প্লাটফরম যাতায়াতের রাস্তাসহ কয়েকটি বিষয়ে নির্মাণে অনিয়মের মধ্য দিয়ে করছেন। তারা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাশেম কনষ্ট্রাকশন সরকারের রেল মন্ত্রনালয়ের অনুমোদিত নকশা ও সিডিউলকে পাশ কাটিয়ে তারা স্থানীয় স্বার্থন্বেষী ও প্রভাবশালী মহলের ইচ্ছে মত কাজটি করছেন। কাজটিতে শুধু অনিয়মই নয়, যেনো সাগর চুরি করছেন এ প্রতিষ্ঠান।

জানা যায়’ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার সুমন উক্ত মধুরোড ষ্টেশনের ভূমিদস্যু অলি বেপারী (অলি কান্ডা) ও ইসমাইল হাজী নামে দুই ব্যাক্তির স্বার্থ রক্ষায় সরকারের অনুমোদিত নকশাকে পাশ কাটিয়ে এবং সরকারের দেওয়া সিডিউলকে বৃদ্ধঙ্গুলী দেখিয়ে ষ্টেশনের প্লাট ও ফরম বাইপাশ সড়ক করছেন। শুধু তাই নয়, নিয়ম অনুযায়ী প্লাটফরমটির দৈর্ঘ্য ১২০০ স্কয়ার ফুট ও প্রস্থ্য ১৮ ফুট নির্মাণ করার কথা থাকলেও তা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান না করে তারা প্লাট ফরমটির সাড়ে ৭ শত ফুট লম্বা এবং প্রস্থ করেছে মাত্র ১২ ফুট।

শুধু তাই নয় প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ার সুমন অনুমোদিত নকশায় গাইড ওয়াল করার বিষয়টিকে বাদ দিয়ে প্লাট থেকে ফরম থেকে কয়েক ফুট দূরে নিয়ে গাইড ওয়াল করে ষ্টেশনের প্লাট ফরম থেকে কয়েক ফুট দূরে নিয়ে গাইড ওয়াল করে যাতায়েতের রাস্তা নির্মাণ করার কাজ করছেন। আর এ কাজটিতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ার সুমনকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করছেন স্থানীয় অলি কান্ডা ও ইসমাইল হাজী ।

শুধু কি তাই গাইড ওয়ালটি ২.৫০ ফুট প্রস্থ করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে মাত্র ২০ ইঞ্চি। আর এই গাইড ওয়ালটি ষ্টেশন ভবনের পাশ থেকে ৩৩ ফুট দূর পর্যন্ত করার কথা থাকলেও তা করা হয়েছে মাত্র ২২ ফুট। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি এ ষ্টেশন নির্মাণের শুরুতে উক্ত ষ্টেশনের সকল স্থাপনাসহ অনেক গাছপালা কেটে পরিস্কার করে কাজ শুরু করেন। কিন্তুু অজ্ঞাত কারণে অলি বেপারী (অলি কান্ডার) ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান কোনো ধরনের ছোঁয়া না লাগিয়ে তাকে ব্যবসা করার জন্য নিবিঘেœ সুযোগ করে দিয়েছেন। এক কথায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ার সুমনের সাথে স্থানীয় অলি কান্ডা ও ইসমাইল হাজীর নেতৃত্বে একটি স্বার্থন্বেষী মহলের কারসাজিতে এই ষ্টেশন নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারের অনুমোদিত নকশা ও সিডিউলকে পাশ কাটিয়ে কাজটি শুরু থেকেই করছেন।

এ অবস্থায় উক্ত কাজটি নিয়ে স্থানীয় জনগনের মাঝে বেশ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি এ বিষয়টি নিয়ে যে কোনো মুহূর্তে স্থানীয় জনগণের সাথে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে। তাই স্থানীয় জনগনের দাবী অবিলম্বে মধুরোড রেলওয়ে ষ্টেশনের বর্তমানে চলমান কাজটি বন্ধ করে, সরকারের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী করা হোক।

এ বিষয়ে ডি.আর.এম বা বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল মহা-ব্যবস্থাপকের সাথে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন ০১৭১১৫০৬১৩৮ নাম্বারে কথা হলে তিনি বলেন, আমার জানামতে নকশা অনুযায়ী কাজ না করায় কাজটি বন্ধ রয়েছে। তবে আপনি দয়া করে রেলওয়ের গণপুর্ত বিভাগের বা এ কাজের দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট প্রধানের সাথে যোগাযোগ করলে আমার চাহিতে আরও বলতে পারবে। পরবর্তীতে উক্ত বিভাগের প্রধানের সাথে যোগাযোগের মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর গণপুর্ত বিভাগের বা রেলওয়ের এ ধরনের কাজের দায়িত্বরত বিভাগের চাঁদপুর-লাকসাম, কুমিল্লার দায়িত্বরত একজন ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তার সাথে মোবাইলে কথা হলে তিনি তার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমার জানা মতে মধুরোড রেল ষ্টেশনের কাজটি বন্ধ রয়েছে। কাজটি বর্তমানে চলছে এমন তথ্য আমার জানা নেই। আর অনুমোদিত নকশাকে বাদ দিয়ে ঠিকাদার স্থানীয় স্বার্থন্বেষী মহলের স্বার্থ উদ্ধারে কাজ করলে সেটি অবশ্যই অবৈধ। আপনি আগামীকাল অফিস সময়ে স্যারের সাথে মোবাইলে কথা বললে পুরো বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাবে। দয়া করে আগামীদিন ফোন দিন।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
384 জন পড়েছেন