ফরিদগঞ্জের লাল বাদশার খেল খতম

0
25

ফরিদগঞ্জের লাল বাদশার খেল খতম
পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে পিচ্চি হান্নানের সহযোগী ও শীর্ষ এই মাদক ব্যবসায়ী নিহত
২৯ মে, ২০১৮

ফরিদগঞ্জে লাল বাদশা অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। এলাকার মানুষের ভাষায় বললে বলতে হয়, খেল খতম হলো লাল বাদশার।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01777988889 অথবা
01762240650
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

রোববার গভীর রাতে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ইতিপূর্বে নিহত আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নানের সহযোগী শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আবু সাঈদ বাদশা ওরফে লাল বাদশা (৪৫) নিহত হয়েছে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের বৈচাতরী এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। বাদশা একই উপজেলার ১০নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ ছৈয়ালের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় ৭টি, চাঁদপুর সদরে ২টি, চট্টগ্রামে ১টিসহ ১০টি মাদক মামলা রয়েছে।

ফরিদগঞ্জ থানা সূত্রে জানায়, গোপন সূত্রে নিশ্চিত হয়ে রোববার রাত ১০টার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আবু সাঈদ বাদশা ওরফে লাল বাদশাকে তার বাড়ির সামনে থেকে মাদক বিক্রির সময় দুই বারে ১১১ পিচ ইয়াবাসহ আটক করে।

চাঁদপুর ডিবি পুলিশ ও ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযান চালায়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে আরেক শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এই মাদক কিনেছে বলে সে পুলিশকে জানায়।

বাদশার তথ্যানুযায়ী তাকে নিয়ে পুলিশের একটি দল অভিযানে বের হয়। পুলিশ তাকে নিয়ে গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের চাঁদপুর সেচ প্রকল্প বাঁধের বৈচাতরী এলাকায় গেলে সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপর হামলা ও গুলি চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয় আবু সাঈদ ওরফে লাল বাদশা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েনেয়া হলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

থানা পুলিশ জানায়, বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে পুলিশের এএসআই বাবুল, এএসআই সুমন, এএসআই সুমন চৌধুরী, কনস্টেবল আশরাফ ও দেলোয়ার আহত হন। তারা ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চিকিৎসা নেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১শ’ ১১ পিচ ইয়াবা, ১টি একনলা বন্দুক, ৩টি ককটেল ও ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ আলম বন্দুকযুদ্ধের কথা স্বীকার করে বলেন, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে গুলি বিনিময়ের সময় তারা ১২ রাউন্ড পাল্টা গুলি ছোড়েন।

গতকাল সকালে নিহত লাল বাদশার লাশের প্রাথমিক সুরতহালের সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম মাহফুজুর রহমান ও ইউএইচও ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম শিপন উপস্থিত ছিলেন।

পরে লাশ চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এবং অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। (দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ)

আরো পড়ুন : কে এই লাল বাদশা ?

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
171 জন পড়েছেন