মেঘনা নদীর এখলাছপুরে বাল্কহেডের ধাক্কায় ২শ’ যাত্রী নিয়ে গ্রীনলাইন-৩ বিকল

0
35

গোলাম নবী খোকন :
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীর এখলাছপুর লঞ্চ ঘাটের দক্ষিন পার্শ্বে মেঘনা নদীতে বালুভর্তি বাল্কহেটের সাথে ধাক্কা লেগে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরিশালগামী এমভি গ্রীন লাইন-৩ দুই শতাধিক যাত্রী নিয়ে বিকল হয়ে পড়েছে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01777988889 অথবা
01762240650
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

শুক্রবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় দূর্ঘটনার কবলে পড়ে দ্রুতগামী এ লঞ্চটি। লঞ্চটি জহিরাবাদ ইউনিয়নের জহিরাবাদ চরে ভাসমান রয়েছে। তবে কেউ হতাহত হয়নি।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এমভি গ্রীন লাইনের ম্যানেজার মো. শামছুল আরেফীন জানান, সকাল ৮টায় ২শতাাধিক যাত্রী নিয়ে সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসে গ্রীন লাইন-৩। ঘটনাস্থলে এসে দুই পাশে থাকা বেশ কয়েকটি বাল্কগেটের গতিবেগ উল্টাপাল্টা দেখে মাইকিং করে সরে যাওয়ার জন্য বলা হয়। তারপরেও একটি কালো কালারের বাল্কহেটের মাথায় আঘাত লেগে গ্রীন লাইনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। তিনি জানান, এটি দুপুর ২টায় বরিশালে পৌঁছানোর কথা ছিল।

গ্রীন লাইনের মাষ্টার মো. নাছির উদ্দিন জানান, দুপুর ১২টায় সদরঘাট থেকে গ্রীন লাইন-১ যাত্রীদের উদ্ধার করার জন্য রওয়ানা হয়েছে। এটি যাত্রীদের বরিশাল পৌছাবে এবং ফেরার পথে গ্রীন লাইন-৩ কে টেনে সদরঘাটে নিয়ে যাবে।

দূর্ঘটনার খবর পেয়ে অগ্নি বিলাস নামক জাহাজে করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা এখলাছপুর ঘটনাস্থলে চলে আসে।

সরেজমিনে মেঘনা নদীর এখলাছপুর এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে স্থানীয় জহিরাবাদ চরে গ্রীন লাইন-৩ ঘটনাস্থলেই আছে। আর ধাক্কা খেয়ে বাল্কহেটটি নদীতে ডুবে গেছে। বাল্কহেটে থাকা ৩ জন সাঁতরিয়ে পাড়ে উঠেছে। নিরাপত্তার জন্য বর্তমানে গ্রীন লাইন-৩ এর নিকট মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা নিয়োজিত রয়েছেন।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
355 জন পড়েছেন