নিজের মাথায় নিজেই গুলি করেন ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল

0
27

প্রকাশিত: ০৪:০৩ পিএম, ৩১ মে ২০১৮

কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাজমুল (৩০) নিজবাড়িতে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়ার আলোচিত ঘটনার রহস্য উদঘাটন হয়েছে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01777988889 অথবা
01762240650
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, নিজের মাথায় নিজেই গুলি করেন ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল। নিজের গুলিতেই মারা যান তিনি। ওই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঝামেলায় পড়তে পারে মনে করে আত্মহত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিল তার পরিবারের লোকজন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এসব কথা জানান। এ সময় নাজমুলের বাবা আলতাফ হোসেন, মা নাজমা খাতুন, সদ্য বিবাহিত স্ত্রী উর্মি খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের বলেন, হতাশাগ্রস্ত অবস্থা থেকেই নাজমুল আত্মহত্যা করেছেন। তবে কি কারণে জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি, সদ্য বিবাহিত নাজমুল হতাশ ছিলেন তা নিশ্চিত করেননি তিনি। বিষয়টির সঠিক তথ্য দিতে পারেনি পরিবারের সদস্যরাও।

নাজমুলের মা নাজমা খাতুন বলেন, গুলির শব্দে নাজমুলের ঘরে গিয়ে দেখি গুলিবিদ্ধ নাজমুল মেঝেতে পড়ে আছে। ভয়ে দ্রুত অস্ত্রটি তুলে নিয়ে পাশের বাড়িতে লুকিয়ে রাখি। তখন নববধূ নাজমুলের পাশে কাঁদছিল। আত্মহত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের ফারাজি পাড়ায় নাজমুলের নিজ ঘরের মেঝে থেকে তার মাথায় গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার হয়।

এরপর থেকে নাজমুলের হত্যা নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের দাবি, নাজমুল অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সব সময় তিনি অস্ত্র সঙ্গে নিয়ে চলাফেরা করতেন।

ঘটনার দিন রাতে মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ঊর্মি ও নাজমুলের বাবা আলতাব হোসেনকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। কয়েক ঘণ্টা থানায় রাখার পর দুপুরে দুজনকে বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়।

তবে ঊর্মির কাছ থেকে কী তথ্য পাওয়া গেছে এ ব্যাপারে কিছু জানাতে চায়নি পুলিশ। বুধবার থানা-পুলিশের হেফাজত থেকে বের হয়ে আসার পর এক সাংবাদিকের সঙ্গে নাজমুলের বাবা আলতাব হোসেনের কথা হয়।

তিনি দাবি করেন, দলীয় কোন্দলের কারণে তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। তার ছেলের বিরুদ্ধে কেবল অস্ত্র আইনে একটি মামলা রয়েছে। তাছাড়া নাজমুল কখনো মাদক সেবন করেননি। পুলিশের উপ-পরিদর্শক হওয়ার জন্য পড়াশোনা করতেন তার ছেলে।

ওই সময় নাজমুলের স্ত্রী স্বামীর মৃত্যু সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো ধারণা দেননি। মৃত্যুর ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে নাজমুল ঘর থেকে বের হয়ে যান বলে জানান বলে দাবি করেন স্ত্রী ঊর্মি খাতুন।

তিনি বলেন, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাইরে বের হন তার স্বামী। এরপর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। রাতে নিজের ডান হাতের তর্জনীতে আঘাত পেয়ে জেগে ওঠেন। দেখতে পান, তার তর্জনী দিয়ে রক্ত ঝরছে। পাশে তাকিয়ে দেখেন, নাজমুলের গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত মরদেহ মেঝের ওপর পড়ে আছে। এ সময় তাদের ঘরের দরজা খোলা ছিল বলে তিনি জানান।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
258 জন পড়েছেন