ফেন্সি খুনের ঘটনায় অ্যাডঃ জহির ও দ্বিতীয় স্ত্রী জেলহাজতে

0
24

অধ্যক্ষ ফেন্সি খুনের ঘটনায় স্বামীকে প্রধান আসামী করে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা অ্যাডঃ জহির ও দ্বিতীয় স্ত্রী জেলহাজতে

০৬ জুন, ২০১৮

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

চাঁদপুর শহরে কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অধ্যক্ষ শাহিন সুলতানা ফেন্সি খুনের ঘটনায় তার স্বামী জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডঃ জহিরুল ইসলামসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে আসামী করে চাঁদপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী হচ্ছেন নিহত অধ্যক্ষ ফেন্সির ভাই মোঃ ফোরকান উদ্দিন খান। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং ১০, তাং ৫/৬/২০১৮ খ্রিঃ। গতকাল সন্ধ্যায় মামলার ১নং বিবাদী অ্যাডঃ জহিরুল ইসলাম ও ২নং বিবাদী তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগমকে চাঁদপুর পুলিশ কোর্টে (জিআরও কোর্ট) হাজির করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01777988889 অথবা
01762240650
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

৪ জুন সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত পৌনে ১১টার মধ্যে চাঁদপুর শহরের ষোলঘর পাকা মসজিদের বিপরীত পাশে শেখ বাড়ি রোডে অ্যাডঃ জহিরুল ইসলামের নিজ বাসার দ্বিতীয় তলায় খুন হন তার স্ত্রী অধ্যক্ষ শাহিন সুলতানা ফেন্সি। নির্মম ও লোমহর্ষক এ খুনের ঘটনায় পুরো জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর ওই রাতেই পুলিশ অ্যাডঃ জহিরকে তার বাসা (ঘটনাস্থল) থেকেই আটক করে। আর তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগমকে চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়াস্থ ভাড়া বাসা থেকে একই রাতে আটক করা হয়। গতকাল বিকেল পর্যন্ত অ্যাডঃ জহির ও জুলেখা দম্পতি চাঁদপুর মডেল থানায় পুলিশ হেফাজতে ছিলো। তাদের সাথে তাদের তিন বছরের কন্যা সন্তানও ছিলো।

তবে তাদের দু’জনকে জেলহাজতে পাঠানো হলেও কন্যা সন্তানকে জুলেখা বেগমের অপর দুই সন্তানের হেফাজতে দিয়ে দেয়া হয়। জুলেখা বেগমের পূর্বের স্বামীর সংসারে ১ কন্যা সন্তান ও ১ পুত্র সন্তান রয়েছে। মেয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ে এবং পুত্র ৫ম শ্রেণিতে পড়ে। এই দুই সন্তানকে মডেল থানায় খবর দিয়ে এনে থানা থেকেই অ্যাডঃ জহির ও জুলেখা দম্পতির তিন বছরের কন্যা সন্তানকে তাদের হেফাজতে দিয়ে দেয়া হয়। অ্যাডঃ জহিরুল ইসলামের সহকর্মী আইনজীবীদের নিকট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মামলার এজাহারে যে চারজনকে বিবাদী করা হয়েছে তারা হচ্ছেন নিহত অধ্যক্ষ ফেন্সির স্বামী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডঃ জহিরুল ইসলাম, তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগম, ছোট ভাই চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল ইসলাম নয়ন ও বোন রানু বেগম।

মামলার এজাহারে বাদী মোঃ ফোরকান উদ্দিন খান যে বিবরণ উল্লেখ করেন তার সারসংক্ষেপ হচ্ছে-ফোরকান বলেন, আমার বোন অধ্যক্ষ শাহিন সুলতানা ফেন্সি ৩ কন্যা সন্তানের জননী। প্রায় তিন বছর পূর্বে আমার ভগি্নপতি অ্যাডঃ জহির তার স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত দ্বিতীয় বিবাহ করেন এবং ওই স্ত্রীকে নিয়ে চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়ায় বাসা ভাড়া করে থাকেন। দ্বিতীয় বিবাহের পর থেকেই অ্যাডঃ জহির আমার বোনকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। এছাড়া দ্বিতীয় স্ত্রীকে দিয়ে আমার বোনকে প্রায়ই হুমকি দিতো। আমার বোন আমাদেরকে জানানোর পর আমি বহুবার অ্যাডঃ জহিরের সাথে আপস করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু জহির তার প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে আমাদেরকে কোনো পাত্তাই দিত না। সবশেষে অ্যাডঃ জহির ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী অন্য বিবাদীদের যোগসাজশে আমার বোনকে হত্যা করে। আমি আমার বোনের এই নির্মম হত্যাকান্ডের বিচার চাই।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
274 জন পড়েছেন