বোনকে বাঁচাতে গিয়ে আরো ২ ভাইবোনের মৃত্যু

0
30

১০ জুন, ২০১৮ ১৮:১২:৩৪

ফরিদপুর প্রতিনিধি:

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১০ জুন) দুপুরে উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের কাঠালবাড়ী গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

স্থানীয়রা জানায়, কাঠালবাড়ী গ্রামের জামের আলী মাতুব্বরের ছেলে সাজ্জাদ (৫) ও মেয়ে জেমি আক্তার (৮) এবং একই এলাকার বাসার মাতুব্বরের মেয়ে মিম আক্তারী (৪) পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায়। নিহত তিন শিশুই আপন চাচাতো ভাইবোন।

ধারণা করা হচ্ছে, পুকুরের পাড়ে তিন ভাইবোন গোছল করতে নেমে প্রথমে একবোন পানিতে ডুবে যায়। এরপর সঙ্গে থাকা অপর দুই ভাইবোনও তাকে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়। এভাবেই বাঁচার চেষ্ঠা করে তিনভাইবোনের সলিল সমাধি ঘটে। এর মধ্যে সাজ্জাদ ও জেমি আক্তারী সদরপুর সরকারি আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জেমি আক্তারী কাঠালবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।

ভাঙ্গা থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) সাঈদুর রহমান জানায়, জামের আলী সদরপুর বাজারে একজন ফল ব্যবসায়ী। রোববার তার নিজ গ্রাম কাঠালবাড়ীতে ইফতার মাহফিল ছিল। দুপুরে তার দুই ছেলে-মেয়ে ও পাঁশের বাড়ির অপর একটি মেয়ে পার্শ্ববর্তী পুকুরে গোসল করতে নামে। পুকুরটিতে ইতিপুর্বে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় পানি অনেক গভীর ছিল। গোসল করার এক পর্যায় গভীর পানিতে তিন শিশুই ডুবে যায়। এসময় বাড়ির লোকজন তাদেরকে পানিতে অনেক খোঁজাখুজি করার পর তিনজনকেই উদ্ধার করে সদরপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকার লোকজনের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে এবং পুরো এলাকা শোকে স্তব্ধ হয়ে যায়।

এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা কাজী মাহাবুব উর রহমান দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শোকার্ত পরিবারগুলোর পাঁশে দাঁড়ান এবং গভীর শোক প্রকাশ করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে প্রাথমিক ভাবে লাশ তিনটি দাফন-কাফনের জন্য ৩০ হাজার টাকা প্রদান করেন।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
239 জন পড়েছেন