দেশে বসেই ব্যারিস্টার হতে হলে করণীয়

0
36
অ্যাডভোকেট শাহজাহান শাওন

প্রকাশিত : ২৬ জুন ২০১৮ খ্রি.

অ্যাডভোকেট শাহজাহান শাওন, চট্টগ্রাম জজ কোর্ট, মুঠোফোন : 01746-576682

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ব্যারিস্টার অ্যাট-ল সংক্ষেপে বার অ্যাট-ল। ব্যারিস্টার হওয়ার জন্য ইংল্যান্ডে নয় মাসের একটি ‘বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্স’ (সংক্ষেপে বিপিটিসি) করতে হয়। এই কোর্সের সফল সমাপ্তি শেষে পাওয়া যায় ইংল্যান্ড বার কাউন্সিলের স্বীকৃতি ও সনদ। পূর্বযোগ্যতা থাকলে বিশোর্ধ্ব বয়সের যে কেউ এ কোর্স করতে পারেন।

বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সের পূর্বযোগ্যতা

ইংল্যান্ডের বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সে সরাসরি ভর্তি হওয়া যায় না। ভর্তি হতে চাইলে প্রথম শর্ত হলো, তাঁকে আইইএলটিএস করতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত হলো, নিচের তিন যোগ্যতার যেকোনো একটি থাকতে হবে:

১. কোনো ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা তার অধিভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণীর এলএলবি (সম্মান) পাস হতে হবে।

২. কোনো ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে আইনে অনার্স ডিগ্রিধারী কারও যদি তৃতীয় শ্রেণী থাকে, তবে তাঁকে কোনো ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা তার অধিভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীসহ এলএলএম (মাস্টার্স) পাস করতে হবে।

৩. ইংল্যান্ডের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ যদি অন্য কোনো বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন, তবে তাঁকে নয় মাসের আরেকটি কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অনার্স ডিগ্রিধারীদের উল্লিখিত প্রথম যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে
ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেউ অনার্স পাস করলে (যে বিষয়ই হোক), বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হতে হলে তাঁকে আবার নতুন করে কোনো ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে আইন বিষয়ে অনার্স করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা একটা বিশেষ সুবিধা পান, তা হলো, তাঁদের অনার্সের মোট ১২টি বিষয়ের মধ্যে তিনটি বিষয় কম পড়লেই চলে।

বাংলাদেশে বসেও ব্রিটিশ ডিগ্রি নেওয়া যায়
আমাদের দেশে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, যেখানে ইংল্যান্ডের পাঠ্যক্রম অনুযায়ী আইন পড়ানো হয়ে থাকে। ব্রিটিশ স্কুল অব ল, ভূঁইয়া একাডেমি, নিউ ক্যাসেল ল একাডেমি, লন্ডন কলেজ লিগ্যাল স্টাডিজ (এলসিএলএস) প্রভৃতি। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ইংল্যান্ডের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একই সময়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকেন। তাঁদের উত্তরপত্রের মূল্যায়নটাও হয় ইংল্যান্ডে। এসব স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে আইনে অনার্স পাস করার পর ইংল্যান্ডে সরাসরি বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়।

এইচএসসি বা সমমানের ডিগ্রিধারী যে কেউ এসব প্রতিষ্ঠানে তিন-চার বছর মেয়াদি এলএলবি (সম্মান) কোর্সে ভর্তি হতে পারেন। সে ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি মিলে তাঁদের জিপিও-৫ থাকতে হবে। অবশ্য এসব প্রতিষ্ঠানে পড়ার নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে আইন বিষয়ে অনার্স করা গেলেও নয় মাসের বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সের জন্য ইংল্যান্ডে যেতেই হবে।’

বার অ্যাট-লর সনদ
বার অ্যাট-ল ইংল্যান্ড বার কাউন্সিলের একটি অত্যন্ত সম্মানজনক সনদ। কোর্সটি ইংল্যান্ডের চারটি ইনেসর (লিনকনস ইন, গ্রেইস ইন, ইনার টেম্পল ও মিডল টেম্পল) মধ্যে যেকোনো একটি থেকে সম্পন্ন করতে হয়। সনদ ইন থেকে দেওয়া হলেও পড়াশোনাটা কোনো একটি ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেই করতে হবে।

খরচপাতি
‘বার অ্যাট-ল’ নেওয়া বরাবরই একটা ব্যয়বহুল স্বপ্ন। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্সের টিউশন ফি বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৫ লাখ ৪৬ হাজার থেকে ১৫ লাখ ৭৯ হাজার টাকা (১৪ হাজার ২০০ থেকে ১৪ হাজার ৫০০ পাউন্ড)।

ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রিটা যদি ঘরে বসে নিতে চান, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি ও বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি বাবদ কমপক্ষে ১৯ থেকে ২০ লাখ টাকা লাগবে। ইংল্যান্ডে গিয়ে নিতে চাইলে শুধু টিউশন ফি বাবদ লাগবে ২৬ থেকে ৫৬ লাখ। থাকা-খাওয়া-যাতায়াত খরচ মাসে কমপক্ষে ৪৪ থেকে ৬৫ হাজার টাকা (৪০০ থেকে ৬০০ পাউন্ড)।

তাতে দেশে বসে নেওয়া একটা বার অ্যাট-লর ক্ষেত্রে খরচ পড়বে ৪০ থেকে ৪৪ লাখ টাকা। আর ইংল্যান্ডে গিয়ে পড়তে চাইলে পড়বে ৬৩ লাখ থেকে এক কোটি টাকার মতো।

ইংল্যান্ডে পড়াশোনার খরচের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে আসলে কিছুই বলা সম্ভব নয়। একেক বিশ্ববিদ্যালয়ের একেক রকম ফি। বছর বছর আবার সে ফি বাড়ছে। এক বিপিটিসি কোর্সের টিউশন ফি-ই প্রতিবছর ২০০ থেকে ৫০০ পাউন্ড করে বাড়ে।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
378 জন পড়েছেন