শাহরাস্তির উয়ারুক রহমানিয়া উবি’র পরিচালনায় অনিয়ম বিষয়ে অভিভাবকদের অভিযোগ

0
18

শাহরাস্তির উয়ারুক রহমানিয়া উবি’র পরিচালনায় অনিয়ম বিষয়ে অভিভাবকদের অভিযোগ ॥ এলাকায় ক্ষোভ

ষ্টাফ রিপোটারঃ শাহরাস্তির উয়ারুক রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনায় বিভিন্ন অনিয়ম বিষয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় অভিভাবকরা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

স্থানীয় অভিভাবকদের পক্ষে ঢুশুয়া গ্রামের মোঃ ফরিদ হোসেন, উয়ারুক গ্রামের মোঃ জাকির হোসেন, রাড়া গ্রামের আমির হোসেন, আলীপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেন ও উয়ারুক গ্রামের মোঃ জাকির হোসেন গত ১৮ জুন, ২০১৮ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, ঐহিত্যবাহি উয়ারুক রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় ১৫ শতাধীক শিক্ষার্থী ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নরত রয়েছে। যা উপজেলার ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থীর প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত। গত ২৬ ফেব্রুয়ারী এডহক পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। বিধি মোতাবেক পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়, কিন্তু টামটা ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে স্কুলের অভিভাবকগণ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পরে।

একপক্ষ স্কুল নির্বাচনে পাশ করা সম্ভাবনা না দেখে আইনের আশ্রয় নেয়। আদালত নির্বাচন সম্পন্ন করার পক্ষে রায় দেন। নির্বাচন বন্ধ করতে না পেরে নির্বাহী কর্মকর্তা অফিসের সামনে আদালতে মামলা করার পক্ষের কিছু লোকজন নিয়ে নির্বাচন বন্ধ করার আন্দোলন শুরু করে। প্রিজাইডিং অফিসার ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্বাচনী এলাকার আইন-শৃঙ্খলা অবনতি দেখে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে। ২০০৯ ও ২০১১ সালে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এডহক কমিটি গঠনের ৭নং অনুচ্ছেদে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়, এডহক কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর কমিটি বাতিল বলে গণ্য হবে। এ অবস্থায় প্রধান শিক্ষক ও নির্বাহী কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষরে বিদ্যালয়ের সমুদ্বয় বিল পাশের নিয়ম রয়েছে। উক্ত ২ জন ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি সংযুক্ত ছাড়া বা প্রতিনিধি থাকার বিধান নেই। অথচ সাবেক অভিভাবক সদস্য মোশারফ হোসেনকে শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিনিধি হিসেবে মৌখিকভাবে অনুমতি দেন। যাহা বিধি সম্মত নয়। মোশারফ হোসেনের অনৈতিক তদারকিতে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও এলাকার জনগন চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তার এ অনিয়ম বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সুখরঞ্জন দাস কোন ব্যবস্থা নেননি।

এছাড়াও মোশারাফ হোসেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুখরঞ্জন দাসের উপর চাপ প্রয়োগ করে বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত অফিস সহকারী (করনিক) মোঃ সফিকুর রহমান মৌখিকভাবে পুনরায় নিয়োগ দেওয়ায় শিক্ষক অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে অভিভাবকগণ সকল অনিয়ম বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের নিকট জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুখরঞ্জণ দাস জানান শুনেছি এ বিষয়ে অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আশা রাখি প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
228 জন পড়েছেন