হাইমচর মডেল কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

0
41

শিক্ষা অফিসারের সরেজমিন পরিদর্শন

হাইমচর মডেল কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সাহেদ হোসেন দিপু :

হাইমচর উপজেলা হাইমচর বাজার এলাকায় সরকারী প্রজ্ঞাপন ছাড়াই নিজেদের ইচ্ছা-মাফিক গায়ের জোরে চালাচ্ছে হাইমচর মডেল কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের কার্যক্রম। প্রাথমিক ও কিন্ডার গার্ডেন/ বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার লক্ষে সরকারী প্রজ্ঞাপন মোতাবেক ব্যাংকে টেজারী চালান ফরম অস্থায়ী নিবন্ধন করতে হয়।

পরবর্তিতে স্থায়ী নিবন্ধন করতে হয়। হাইমচর মডেল কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের সরেজমিনে পরিদর্শনকালে আসল তথ্য বেরিয়ে আসে। হাইমচর মডেল স্কুল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই অনিয়ম ও নানান অভিযোগের মধ্যে দিয়ে বিদ্যালয়টি শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

বিদ্যালয়ের নিজস¦ সম্পত্তি না থাকায় ভুয়া অন্যের জমি দখল করে জোর পূর্বক প্রতিষ্ঠানটি চালু করে। বিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত বেতন ফ্রি ও শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নেই কোন রেজুলেশন শিক্ষক বাতিলে নেই কোন শিক্ষক নিয়োগ কমিটির অনুমোদন। নিজেরা একটি পারিবারীক স্কুল কমিটি গঠন করে নিজেদের মনগড়া অনুযায়ী স্কুল পরিচালনা করছেন।এধরনের সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ আহাসানুজ্জামান লুলু বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। এব্যাপারে সাংবাদিকদের তিনি জানান বিদ্যালয়টি সরকারী প্রজ্ঞাপন এর বাহিরে পরিচালিত হয়ে আসছে। তাদের স্কুল প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিদ্যালয়ের নামে জমি বন্দবস্ত নেই, নেই নিবন্ধন।তারা নিজেদের ইচ্ছামাফিক শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষক বাতিল করছে। যা সরকারী প্রজ্ঞাপনের বর্হিভুত।

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ মুকবুল মাষ্টার উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসারের কোন প্রশ্নের উত্তরই দিতে পারে নাই। শিক্ষা অফিসারের প্রশ্নের জবাব না দিতে পারায় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নাজাহেল অবস্থায় পড়ে। বিদ্যলয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার মাষ্টার শিক্ষা অফিসার ও সাংবাদিকদের দেখে গাও ঢাকা দিয়ে চলে যায়। যেসকল শিক্ষকদের অবৈধ ভাবে বাতিল করায় তাদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ বিষয় নিয়ে শিক্ষক অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজনের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
582 জন পড়েছেন