অধ্যক্ষ ফেন্সি হত্যায় মেডিকেল ছাত্রের স্বীকারোক্তি

0
35

চাঁদপুরে আলোচিত কলেজ অধ্যক্ষ ও মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী শাহীন সুলতানা ফেন্সি হত্যাকাণ্ডের ২২ দিন পর নানা তথ্য বেরিয়ে আসেছে। এই মামলার প্রধান আসামি অ্যাডভোকেট জহির খুনের কথা স্বীকার না করলেও পরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়ার বিষয়ে রাকিবুল হাসান নামে মেডিকেলেন এক ছাত্র মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশ এ বিষয়ে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মুখ খোলেনি।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পুলিশ সুপার শামচ্ছুন্নাহার বিস্তারিত জানাবেন।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ওই যুবক অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা বেগমের চাচাতো ভাই। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে তিনি ছাড়াও আরেক যুবক সরাসরি জড়িত। ওই যুবকও জুলেখার আরেক চাচাতো ভাই। ফেন্সিকে হত্যার পরপরই রাকিব ও তার অন্য সহযোগী ওই রাতেই লঞ্চযোগে ঢাকায় ফিরে যান। ফিরে যাওয়ার সময় ফেন্সিকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত জিনিসগুলো মেঘনায় ফেলে দেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একটি সূত্র জানায়, এই দুই আসামি মামলার এজহারভুক্ত না হলেও মামলার প্রধান আসামি ফেন্সির স্বামী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম ও দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা, জহিরের ভাই-বোনকে আটকের পর রিমান্ড ও অন্যান্য জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও কয়েকজনের নাম। যাদের মধ্যে একজন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

রাকিবুল হাসানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও বিভিন্ন সূত্র জানায়, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এ হত্যাকাণ্ডে বেশ কয়েকজনই জড়িত রয়েছে। রাকিবের জবানবন্দিতে এসেছে, তারা টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে হিসেবে এ হত্যাকাণ্ডে জড়ায়। হত্যার সময় রাকিব ফেন্সির পা দু’টি ঝাপটে ধরে আর অন্যরা মাথায় আঘাত করে।

প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার গল্লাক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহীন সুলতানা ফেন্সির (৫০) রক্তাক্ত মরদেহ চাঁদপুর শহরের পাকা মসজিদ এলাকায় তার নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্বামী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিররুল ইসলাম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখাকে আটক করা হয়।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
228 জন পড়েছেন