অভিনয় সূত্রে পরিচয়, বাসায় ডেকে এসবি কর্মকর্তাকে খুন

0
34

প্রকাশিত: ০৩:২৮ পিএম, ১৯ জুলাই ২০১৮

প্রায়ই টেলিভিশনের বিভিন্ন ক্রাইম সিরিয়ালে অভিনয় করতেন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মামুন ইমরান খান (৩৪)। সেই সূত্রে পাঁচবছর আগে রহমতউল্লাহ নামে এক প্রকৌশলীর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় তার।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

রহমতউল্লাহর পরিচিত মেহেরুন্নেছা স্বর্ণা ওরফে আফরিন ওরফে আন্নাফিও তাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় অভিনয় করেছেন। রহমতউল্লাহর সঙ্গে আফরিনের মাঝে মধ্যে সেই সুবাদে যোগাযোগ হতো। সেই সূত্রে গত ৮ জুলাই আফরিন রহমতউল্লাকে তার বাসায় জন্মদিনের দাওয়াত দেন।

রহমতউল্লাহ ওই জন্মদিনের অনুষ্ঠানে পুলিশ বন্ধু মামুনকেও যাওয়ার অনুরোধ করেন। আর সেখানে গিয়েই খুন হন মামুন।

বুধবার (১৮ জুলাই) দিনগত রাতে রাজধানীর বাড্ডা ও হাজারীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৪ জনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মিজান শেখ, মেহেরুন্নেছা স্বর্ণা ওরফে আফরিন ওরফে আন্নাফি, সুরাইয়া আক্তার ওরফে কেয়া, ফারিয়া বিনতে মীম।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন।

তিনি বলেন, ঘটনার দিন রহমতউল্লাহ নিজের গাড়ি নিয়ে এবং মামুন মোটরসাইকেল নিয়ে আফরিনের বনানীর বাসায় যান। এর কিছুক্ষণ পর স্বপন, মিজান, দিদার ও আতিক বাসায় ঢুকে তারা (রহমতউল্লাহ ও মামুন) অপকর্মে লিপ্ত ছিল বলে দাবি করে। তখন মামুন নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিলে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে রহমতউল্লাহ ও মামুনকে বেঁধে মারধর শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, রহমতউল্লাহকে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায় করা ছিল দুর্বৃত্তদের টার্গেট। কিন্তু মামুন পুলিশ পরিচয় দেয়ায় তাদের টার্গেট পাল্টে যায়। মারধরের এক পর্যায়ে মধ্যরাতে মামুন মারা যায়। এতে তারা চিন্তিত হয়ে পড়ে এবং রহমতউল্লাহর বাঁধন খুলে দেয়। তখন রহমতউল্লাহ মামুনকে ডেকে এনেছে বলে নিজেও ফেঁসে যাবে ভেবে তাদের সঙ্গে মিলে যায়।

পরদিন সকালে মামুনের লাশ বস্তায় করে তারা রহমতউল্লাহর গাড়িতে উঠায়। স্বপন, দিদার ও আতিক সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। সেই সূত্রে তারা গাড়ি নিয়ে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে যায় এবং খাওয়া-দাওয়া করে। এ সময় মিজান অন্যদের কাছে মামুনের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার পরিকল্পনা জানায় এবং সেনানিবাসের একটি পাম্প থেকে পেট্রোল কেনে।

সন্ধ্যার দিকে তারা গাড়ি নিয়ে কালীগঞ্জের দিকে যায়। এরপর জঙ্গলে লাশ নামিয়ে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। পরে তারা রহমতউল্লাহকেও মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়।

এরপর গত ১০ জুলাই বাসায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই রহমতউল্লাহকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী বুধবার তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল বাতেন বলেন, তারা বনানীর ওই বাসাটি দুই মাস আগে ভাড়া নিয়েছিল। মানুষকে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায় করাই তাদের লক্ষ্য ছিল। আর তাদের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতো রবিউল। ওই বাসাটি ভাড়া নিয়েছিল নজরুল নামের একজন। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নজরুলের সম্পৃক্ততা কেউ স্বীকার করেনি।

আব্দুল বাতেন আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িত অন্তত আরও চারজনের বিস্তারিত নাম পরিচয় পাওয়া গেছে। আমা করি তাদেরকে খুব শিগগিরই গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
323 জন পড়েছেন