হাইমচরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন

0
30

হাইমচরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন
ঈশানবালাা করলা দ্বীপে মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গন

সাহেদ হোসেন দিপু, হাইমচর প্রতিনিধি :
গত ক’দিনের প্রবল বর্ষণে চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার ৪নং নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালায় মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে মেঘনার ভাঙ্গনে ওই এলাকার স্কুল, মসজিদ, মাদরাসা, বসতবাড়িসহ তিন শতাধিক স্থাপনা বিলীন হয়েছে। জনগণের মাঝে নতুন করে আতংক বিরাজ করছে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ঈশানবালার সরদার কান্দি ও মোল্লাকান্দি গিয়ে দেখা যায়, মেঘনায় তীব্র স্রোতে ওই এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এলাকার বেশকিছু ঘর-বাড়ি নদী ভাঙ্গনে বিলীন হলেও অনেকেই নতুন আশ্রয়স্থল খুঁজে বেড়াতে দেখা গেছে।

মোল্লা কান্দির আনোয়ারা বেগম অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে চাঁদপুর রিপোর্টকে জানান, এ পর্যন্ত তার পরিবার ৬ বার মেঘনার ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। এ পর্যন্ত সরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা না পেয়ে ভিটে-মাটি হারিয়ে অভাবের তাড়নায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।

৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. মিজানুর রহমান চাঁদপুর রিপোর্টকে জানান, টানা বর্ষণে নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালার বিভিন্ন এলাকায় মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গন চলছে। এ পর্যন্ত ঈশানবালা বাজার, সরকার কান্দি, জহুরা কান্দি, মোল্লা কান্দি, কামল সরদার কান্দি এবং ঈশানবালার পুরান বাজারে মেঘনা নদী ভেঙ্গে প্রায় সাড়ে ৩শত পরিবারকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধ স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে আর ক’মাসের মধ্যেই নীলকমল ইউনিয়নের বেশিরভাগ অংশই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

নীলকমল ইউনিয়ন ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরদার চাঁদপুর রিপোর্টকে জানান, ভারী বর্ষণে নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালার প্রায় ১১টি স্থানে মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গন চলছে। এতে এ পর্যন্ত একটি হাইস্কুল, ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কয়েকটি মসজিদ সহ প্রায় ৩ শত পরিবারের ভিটেমাটি বিলীন হয়েছে। ইতোপূর্বে মেঘনার ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিওটেক্সটাইল বালি ভর্তি ব্যাগ নদীতে ফেলেও কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় ঈশানবালাবাসীর মাঝে ভয়াবহ ভাঙ্গন আতংক বিরাজ করছে। স্থায়ীভাবে ভাঙ্গন প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে আগামী বর্ষার পূর্বেই করলা দ্বীপের ঈশানবালাকে মেঘনা গিলে ফেলবে।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
203 জন পড়েছেন