dead kill

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ভাবিকে হত্যা, দেবরের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট ২০১৮ খ্রি. মঙ্গলবার ০৯:০০ পিএম

মো. কামরুজ্জামান সেন্টু, বিশেষ প্রতিনিধি :
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার পাথৈর এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের স্ত্রী খোদেজা বেগমকে (৩৮) হত্যার অপরাধে দেবর মো. মহরম আলীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত।

Night King Sex Update
নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

১৪ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খাঁন এ রায় দেন।

জানা যায়, হত্যার শিকার খোদেজা বেগম পাথৈর গ্রামের কলওয়ালা বাড়ির কৃষক মো. ইউনুছ মিয়ার স্ত্রী। আর কারাদন্ডপ্রাপ্ত মহরম আলী ইউনুছ মিয়ার ছোট ভাই। তার পিতার নাম মৃত লুৎফর রহমান প্রকাশ আম্মর আলী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ২২ মে বিকেল সাড়ে ৪টার সময় নিহত খোদেজা বেগমের সাথে গায়ে সাবান মাখা নিয়ে তার ননদ নেহার আক্তারের কথা কাটাকাটি হয়। ওই সময় বাড়িতে থাকা খোদেজার দেবর মহরম আলী ক্ষিপ্ত হয়ে তার তলপেটে সজোরে লাথি মারে। এতে খোদেজা বেগম অজ্ঞান হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে খোদেজার স্বামী ইউনুছ মিয়া ফসলি জমির কাজ থেকে বাড়িতে এসে দেখেন স্ত্রী মাটিতে শোয়ানো অবস্থায় রয়েছে এবং বাড়িতে বহু মানুষের ভীড়। তিনি তাৎক্ষনিক পাশ^বর্তী খিলাবাজার থেকে পল্লী চিকিৎসক বাবুল দাসকে বাড়িতে এনে তার স্ত্রীকে দেখান। ওই পল্লী চিকিৎসক খাদিজা বেগমকে দেখে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় কৃষক ইউনুছ মিয়া ঘটনার দিনই শাহরাস্তি থানায় ভাই মো. মহরম আলীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মহরম আলীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন সময়ের শাহরাস্তি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল মান্নান ওই বছরের ৩১ জুলাই আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আমান উল্যাহ জানান, মামলাটি দীর্ঘ ৫ বছর চলমান অবস্থায় ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহন করা হয়েছে। সাক্ষ্য ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামীর উপস্থিতিতে বিচারক তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন অ্যাড. মোক্তার আহম্মেদ এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আলহাজ¦ মো. ইকবাল-বিন-বাশার।

631 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন

Leave a Reply