চাঁদপুরের শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গা যাত্রী ছাউনির জায়গা অবৈধ দখলদারের কবলে

0
23

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট ২০১৮ খ্রি.

শাহরাস্তির দোয়াভাঙ্গা যাত্রী ছাউনির জায়গা অবৈধ দখলদারের কবলে, যাত্রীদের ভোগান্তি

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

শাহরাস্তি ব্যুারো :
শাহরাস্তি গেইট দোয়াভাঙ্গায় যাত্রী ছাউনি না থাকায় সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। প্রতিদিনে শাহরাস্তি গেইট দোয়াভাঙ্গায় বাস ষ্ট্যান্ডে শাহরাস্তি, নোয়াখালী, রামগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুরের শত শত যাত্রী দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করলেও যাত্রী ছাউনি না থাকায় রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, রাস্তার দক্ষিণ পাশে না থাকায় এবং উত্তর পাশের যাত্রী ছাউনিটি পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় স্থানীয় পৌরসভা যাত্রী ছাউনিটি প্রায় ৮-১০ বছর পূর্বে ভেঙ্গে ফেলে। যার ফলে সাধারণ যাত্রীগণ ও পথচারী সামান্য মেঘ-বৃষ্টি হলে ভোগান্তি নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষায় থাকতে হয়।

এদিকে প্রশাসনের নাকের ডোগায় অবস্থিত শাহ্রাস্তি গেইট দোয়াভাঙ্গায় স্থানীয় প্রভাবশালী কতিপয় ব্যক্তি যাত্রী ছাউনির জায়গা দখল করে এবং বিভিন্নভাবে যাত্রী ছাউনি জায়গা ভাড়া দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। অপর দিকে পরিত্যক্ত যাত্রী ছাউনির আঙ্গিনায় প্রভাবশালী ব্যক্তিগণ দোকান, স’মিল, ভাড়া দিয়ে রাস্তার পাশে খালি জায়গা ভাড়া দিয়ে বড় বড় গাছ ও গাছের ডাল, টুকুরো ও পাইলিং রেখে যাত্রী ছাউনির জায়গা দখল করে রেখেছে। যার ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আগত যাত্রীরা চরম ভোগান্তি স্বীকার হতে হচ্ছে, এবং অবৈধ উপায়ে দোকান নির্মান করে প্রতি মাসে দোকান ভাড়া দিয়ে হাজার হাজার টাকা আয় করলেও সরকার তাদের কাছ থেকে কোন রাজস্ব পাচ্ছে না।

উল্লেখ্য চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে (সওজ) কর্তৃক গত ১৩-১৪ অর্থ বছরে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করলেও পুনরায় অবৈধ দখলদারীরা দোকান নির্মান করে যাচ্ছে।

স্থানীয় সিএনজি চালিত অটোরিক্সার ক’জন চালক জানান, যাত্রী ছাউনি না থাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অবৈধ ভাবে যাত্রী ছাউনি জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করায় গাড়ি পার্কিং করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ও দুর্ঘটনা ঘটছে। উল্লেখিত যাত্রী ছাউনির স্থানে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করলে স্থানীয় ও দূর-দূরান্ত যাত্রীদের ভোগান্তি দূর হবে বলে সাধারণ জনগণ জানায়।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
640 জন পড়েছেন