ফেঁসে গেলেন কাউন্সিলরের গার্লফ্রেন্ড

0
44

আপডেট: ০৫:৫১ পিএম, ১৮ আগস্ট ২০১৮

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শহীদুর রহমান শিপন ও তার গার্লফ্রেন্ড শ্যামলী আক্তার সুমিকে ২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করেছে পুলিশ।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

শুক্রবার দুপুরে গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়। চলমান মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে কাউন্সিলর শিপন আত্মগোপনে ছিলেন।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ২২ জুন ৫০০ পিস ইয়াবাসহ কাউন্সিলর শিপন ও তার গার্লফ্রেন্ড শ্যামলী আক্তার সুমি আটক করেছিল পুলিশ। ওই মামলায় চার মাসের বেশি জেলহাজতে থেকে জামিনে মুক্ত হন তারা।

মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর আত্মগোপনে থাকা কাউন্সিলর শিপন ও সুমিকে ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশ। কিন্তু স্ত্রী শ্যামলীর নামে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠালেও কাউন্সিলর শিপনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

শ্যামলী আক্তার সুমি বলেন, সার্কেল এএসপি, মির্জাপুর থানার ওসি ও এএসআই শুক্রবার দুপুরে চন্দ্রা এলাকার ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে আমাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আমাদের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে কিছুই পায়নি পুলিশ। তারপরও মোটা অংকের টাকা নিয়ে কাউন্সিলর শিপনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। টাকা দিতে না পারায় আমার কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে মামলা দিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, কাউন্সিলর শিপনকে আটকের পর ছেড়ে দেয়ার কথা অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশের তিন কর্মকর্তা স্বীকার করলেও আটকের সময় ও স্থান নিয়ে তারা ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন।

অভিযানে অংশ নেয়া মির্জাপুর থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বিশ্বজিৎ বলেন, শুক্রবার রাত ৭টার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।

তবে মির্জাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুল হক বলেন, শুক্রবার বিকেলে মির্জাপুর ক্যাডটে কলেজ এলাকা থেকে প্রথমে শ্যামলী আক্তার সুমিকে আটকের পর তাকে তল্লাশি করে ২০০ পিস ইয়াব উদ্ধার করা হয়। কিছুক্ষণ পর একই স্থান থেকে কাউন্সিলর শিপনকে আটক করা হয়। তবে শিপনের কাছে ইয়াবা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

পাশাপাশি অভিযানে অংশ নেয়া টাঙ্গাইলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মির্জাপুর সার্কেলের এএসপি আফসার উদ্দিন খান বলেন, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গোড়াই ক্যাডেট কলেজ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

এদিকে, দুই মাস আগে আদালত থেকে কাউন্সিলর শিপনের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয় বলে মির্জাপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল আলম জানিয়েছেন। আত্মগোপনে থাকা কাউন্সিলর শিপনকে আটকের সময় ও স্থান নিয়ে পুলিশের তিন কর্মকর্তার ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
452 জন পড়েছেন