ফরিদগঞ্জে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীকে কটুক্তি ও ক্লাস থেকে বিতাড়িত, ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

0
32

আপডেট : বাংলাদেশ সময় ১৯ আগস্ট ২০১৮ রোববার

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি :

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক নামের ৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে কটুক্তি করায় এবং ক্লাস থেকে বিতাড়িত করায় ছাত্রীটি মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বাড়ী গিয়ে ফ্যানের সাথে উড়না পেঁচিয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

আজ ১৯ আগস্ট ২০১৮ খ্রি. রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে ফরিদগঞ্জ উপজেলার গাজীপুর মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ে।

ছাত্রীর মা মুন্নি বেগম জানায়, স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল লতিফ খাঁন ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্লাস পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবক হিসেবে আমাকে স্কুলে যেতে বলে। আমি অসুস্থ্যতার কারণে স্কুলে যেতে পারি নাই। স্কুলের অফিস সহায়ক রাসেলকে আমি ফোন করে অসুস্থ্যতার কথা বলি এবং প্রধান শিক্ষক স্যারকে বিষয়টি জানাতে বলেছি। আমি সুস্থ্য হলে স্কুলে আসবো। কিন্তু ঘটনার দিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল লতিফ খাঁন ৯ম শ্রেণির কক্ষে প্রবেশ করেন এবং ক্লাস পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেই শিক্ষার্থীদের অভিভাবক আসে নাই তাদের দাঁড়াতে বলে। আমার মেয়েসহ করেকজন শিক্ষার্থীরা দাঁড়ানোর এক পর্যায়ে আমার মেয়েকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল লতিফ খাঁন বলে তোমার মা আসেনি কেন? আমার মেয়ে বলে স্যার মা আসেনি, তিনি অসুস্থ। চাঁদপুর ডাক্তারের কাছে যাবে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক বলে তুমি মিথ্যে বলছো, তোমার মা সুস্থ। আমার মেয়ে বলে না স্যার সত্যি বলছি। এতে প্রধান শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মেয়েকে কটাক্ষ ভাষায় গালমন্দ করার এক পর্যায়ে গালি দিয়ে স্কুল ব্যাগ রেখে ক্লাস থেকে বের করে। আমার মেয়ে লজ্জায়, ভয়ে, আতঙ্কে মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে স্কুল থেকে বাড়ী এসে বসতঘরের একটি রুমের দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সাথে উড়না পেঁচিয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। আমার ছোট মেয়ে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আমিসহ রুমের দরজা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করি। পরে আমার মেয়ে সুস্থ্য হওয়ার পর আমাকে পুরো বিষয়টি অবহিত করে। এ বছরের জানুযারীর দিকে শিক্ষাধীরা স্কুলে ক্যাস পরে না আসায় শিক্ষার্থীদেরকে খালি পায়ে রোদে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিলো বলে জানা গেছে। আমি সাথে সাথে আমার ভাসুরের ছেলে মাইন উদ্দিনসহ আমার এক নিকট আত্মীয়কে স্কুলে বিষয়টি জানার জন্য পাঠালে স্কুলে প্রধান শিক্ষক আবদুল লতিফ খাঁন বিষয়টি বাড়াবাড়ি না করার জন্য বলে হুমকি দেয়। বাড়াবাড়ি করলে আমার মেয়েকে স্কুল থেকে টিসি দেওয়া হবে এবং আমার আত্মীয়ের বিরুদ্ধে মামলা করবে বলে হুমকি দেয়।

এদিকে, বিদ্যালয়ের একাধিক অভিভাবক ও এলাকাবাসী জানান, প্রধান শিক্ষক আবদুল লতিফ খাঁনের নির্মম এ ঘটনার বিচার দাবী করছি এবং এমন ঘটনার আর কোন দিন যাতে পূণরাবৃত্তি না ঘটে সেই লক্ষ্যে আইনসম্মত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।

এই বিষয়য়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল লতিফ খাঁন বলেন, আমি ছাত্রীকে নিয়ে আমি কুটুক্তি করিনি। আপনারা ক্লাসের সব শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞেস করেন। সাগর নামের মানিকরাজের একটি ছেলে এই বিষয়টি নিয়ে স্কুলে এসে আমাকে হুমকি দেয়। তবে আমি ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি জানতে পেরে সাথে সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যারকে ও আমার একাডেমিক স্যারকে অবহিত করি। এই বিষয়য়ে স্কুল থেকে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বিষয়টি শুনেছি কিন্তু অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

 

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

 

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
379 জন পড়েছেন