৪ হাজার টাকার জন্য বন্ধুর কাছে ‘বউ বন্ধক’, অবশেষে উভয়কে জুতোপেটা

0
228

‘বউ বন্ধক’ নিয়ে অনেক সিনেমা-নাটকে থাকলেও বাস্তব জীবনে বউ বন্ধকের ঘটনা বিরল। কিন্তু বাংলা চলচ্চিত্রের ‘বউ বন্ধক’ নামে সিনেমাটির বাস্তব রূপ দিয়েছে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এক জুয়াড়ি স্বামী।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের নাওতলা গ্রামের আল-আমিন (২২) নামের এক স্বামী জুয়া খেলায় সর্বস্ব হারিয়ে ৪ হাজার টাকা ধার নেন সঙ্গীয় খেলোয়াড় কামালের কাছে থেকে। তারা একে-অপরের বন্ধু। ওই টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে পাওনাদার কামালের কাছে নিজের বউ বন্ধক রাখেন। আল-আমিন নাওতলা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। আর কামাল হোসেন একই গ্রামের মমতাজ মিয়ার ছেলে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

স্থানীয় সূত্র জানায়, কামাল ও আল-আমিনসহ বেশ কয়েকজন যুবক একসঙ্গে প্রতিদিন জুয়া খেলে। গত সোমবার (২৭ আগস্ট) আল-আমিন জুয়ায় হেরে কামালের কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ধার নেয়।

মঙ্গলবার আবারও জুয়ার আসরে বসার পর আল-আমিনের কাছ থেকে আগের পাওনা টাকা চায় বন্ধু কামাল। কিন্তু আল-আমিন ওই টাকা দিতে পারছিল না। এ সময় কামাল টাকার পরিবর্তে আল-আমিনের বউকে চেয়ে বলে, ‘টাকা দিতে না পারলে তোর বউকে দুইদিনের জন্য আমার কাছে বন্ধক দে।’ একপর্যায়ে আল-আমিন রাজি হয়ে যায়।

বুধবার দুপুরে আল-আমিন নিজের স্ত্রীকে কামালের সঙ্গে রাত কাটানোর জন্য নির্দেশ দিয়ে বলে- ‘আজ রাতে কামাল আসবো। তার সঙ্গে দুই রাত কাটাইতে হইবো।’

এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। বিকেলে আল-আমিন বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে তার স্ত্রী বাড়ির অন্যান্য লোকজনকে বিষয়টি জানায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী বুধবার রাত ১০টায় কামাল আল-আমিনের ঘরে প্রবেশ করলে আশপাশের লোকজন তাকে আটক করে মারধর করে।

পরদিন বৃহস্পতিবার বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কানে যায়। শুক্রবার রাতে মাধাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অহিদ উল্লাহর সভাপতিত্বে সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চু মিয়া, ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল হালিম ও সাবেক মেম্বার আব্দুল মমিনের উপস্থিতিতে সালিশ ডাকা হয়। সালিশে বউ বন্ধক দাতা আল-আমিন ও বন্ধক গ্রহীতা কামালকে দোষী সাব্যস্ত করে তাদেরকে জুতাপেটা করা হয়।

এ ব্যাপারে ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল হালিম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে সালিশে শুরু থেকে ছিলাম না। মাঝামাঝি অবস্থায় সালিশে হাজির হয়েছি। সালিশের রায় অনুসারে তাদেরকে জুতাপেটা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. অহিদ উল্লাহ বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এলাকার সম্মানহানিও বটে। তাদের দুইজনকে সবার সামনে জুতাপেটা করা হয়েছে।

 

 

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
526 জন পড়েছেন