চাঁদপুরের হাইমচরে হত্যা মামলার ৩ আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণ

0
29

সাহেদ হোসেন দিপু, হাইমচর প্রতিনিধি :
চাঁদপুর জেলার হাইমচরে নিখোঁজ হওয়ার পর খুন হওয়া গরু ব্যবসায়ী সাহেব আলি হত্যা মামলার এজহারভুক্ত ২ আসামী এবং সন্দেহভাজন এক আসামীকে আটক করে কোর্টে প্রেরণ করেছে হাইমচর থানা পুলিশ।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

সাহেব আলি হত্যা মামলায় তার ছেলে জুয়েল মৃধা বাদী হয়ে হাইমচর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। (মামলা নং ৩ তারিখ ৯.৯.১৮)। এজহারভুক্ত আটককৃত আসামীরা হলো মাঝের চরের বেপারী কান্দির মৃত অলি মাঝির ছেলে জাহাঙ্গীর মাঝি, একই গ্রামের মৃত আলি আরশাদ সরদারের ছেলে বাচ্চু সরদার। এছাড়া সন্দেহভাজন হিসেবে উত্তর আলগী গ্রামের মৃত আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়ার ছেলে উপজেলা সদর আলগী বাজারের মাংস ব্যবসায়ী শফিক ভূইয়াকে আটক করা হয়েছে। গতকালই তাদেরকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ রনোজিত রায় জানান, মামলার এজহারভুক্ত আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে। ইতিমধ্যে এজহারভুক্ত ২ আসামী ও সন্দেভাজন ১ জনকে আটক করে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, হাইমচর উপজেলার আলগী দক্ষিণ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা গরু ব্যবসায়ী সাহেব আলি মৃধা প্রতিদিনের ন্যায় নীলকমল ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে গরু কেনাবেচা করতো। তার সঙ্গে ব্যবসায়ী অংশিদার হিসেবে কয়েকজন ব্যবসা করতো বলে জানা গেছে। গত শুক্রবার সকালে সাহেব আলি হাইমচর তেলির মোড় ঘাট হতে ট্রলার যোগে নীলকমল ইউনিয়নে মাঝের চরে গরু কেনার উদ্দেশ্যে রওনা করে। ওপারে যাওয়ার পরপরই বেলা ১২টা সময় তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। অবশেষে তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর গত রবিবার সকাল ৯টায় মাঝের চরের চোকিদার কান্দির ধনচে ক্ষেতে সাহেব আলির অর্ধগলিত ক্ষত-বিক্ষত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে লোকজন হাইমচর থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরে প্রেরণ করে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে টাকার লোভেই পরিকল্পিতভাবে অতি প্রশিক্ষিত খুনিরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। যাতে সাহেব আলির মৃত দেহ চিনতে না পারা যায় তার জন্য খুনিরা মৃতদেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গ কেটে ফেলে।

সাহেব আলির মেয়ের জামাই জসিম পেদা জানান, তার শশুর আড়াই লাখ টাকা নিয়ে মাঝের চরে গরু কিনতে যান। ওইদিনই তিনি নিখোঁজ হন এবং তিনদিন পর তার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়।

তিনি আরো জানান, খুনিরা পরিকল্পিতভাবেই আমার শশুরকে হত্যা করেছে। আমরা খুনিদের ফাঁসি দাবি করেছি।

আপডেট : বাংলাদেশ সময় ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  খ্রি. সোমবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

 

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
373 জন পড়েছেন