কুমিল্লায় গৃহকর্তার রহস্যময় মৃত্যু

0
28

জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ ১২ সেপ্টেম্বর ১৮

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

কুমিল্লা গিয়াসউদ্দিন (৫০) নামের এক গৃহকর্তার ঝুলন্ত লাশ উদ্বার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ। শহরতলীর দৌলতপুর পূর্বপাড়া এলাকায় সৌদিয়া হাউজ থেকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে বাঁধা অবস্থায় মর দেহটি উদ্ধার করা হয়।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

তবে তা হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ধ্রুমজাল তৈরী হয়।

নিহত গিয়াউস উদ্দিনের স্বজনদের দাবী স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের ধরে স্ত্রীর স্বজনরা তাকে হত্যা করে পরে লাশ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিচ্ছেন। স্বজনদের অভিযোগ, গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী সাজেদা বেগম এবং তার বড় ভাই পুলিশ কর্মকর্তা মাহে আলম গিয়াসউদ্দিনকে হত্যা করে।

অপর দিকে স্ত্রীর স্বজনদের ভাষায় গিয়াসউদ্দিন মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। আর এ কারনে সে আত্মহত্যা করে।

জানা যায়, নিহত গিয়াসউদ্দিনের পৈত্রিকবাড়ী বাড়ি জেলার বুড়িচং উপজেলার কাবিলা এলাকার দুর্গাপুর (নোয়াপাড়া) গ্রামে। তিনি ওয়ি গ্রামের তোফায়েল আহম্মেদের ছেলে। বেশ কয়েক বছর আগে গিয়াস উদ্দিন দৌলতপুর রেল-লাইনের পশ্চিম পাশে নিজ বাড়ি ‘সৌদিয়া হাউজ’ বসবাস করে আসছিলেন। তিনি ওই বাড়ির নিচতলায় ‘সৌদিয়া টেইলার্স’ এর মালিক।

তার বাড়ির সাথেই স্ত্রী’র বড় ভাই পুলিশ কর্মকর্তা মাহে আলমের বাড়ি। মাহে আলম বর্তমানে লক্ষীপুর জেলার একটি ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানান তার স্ত্রী খোদেজা আলম।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে গিয়াসউদ্দিন ও তার স্ত্রী সাজেদা বেগমের সাথে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। মঙ্গলবার সকালে স্বামী-স্ত্রী ঝগড়ার জের ধরে স্ত্রী ও তার বড় ভাই পুলিশ কর্মকর্তা মাহে আলমসহ মিলে গিয়াসকে মারধর করে হাত বেঁধে বাসার সামনে ডোবার মধ্যে ফেলে রাখে। ঘটনার পরই দুপুরে খবর পেয়ে কোতয়ালী থানার পুলিশ বাড়ির নিচতলায় ‘সৌদিয়া টেইলার্স’ থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত গিয়াসউদ্দিনের লাশ উদ্ধার করে।

অপরদিকে পুলিশ কর্মকর্তা মাহে আলমের স্ত্রী খোদেজা আলম জানান, গিয়াসউদ্দিন মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। সে প্রায়ই স্ত্রীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ করত। মঙ্গলবার সকালে তারা আবারো ঝগড়া করে। সে স্ত্রী সাজেদা বেগমকে মারধর করে। আমার স্বামী তার বোনকে উদ্বার করে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। পরে ৯৯৯ এ খবর পেয়ে পুলিশ এসে ঝুলন্ত লাশ উদ্বার করে।

তিনি আরো জানান, ঝগড়ার জের ধরে স্ত্রী তাকে মারধর করে হাত বেধে ডোবার ফেলে রাখায় রাগে-ক্ষোভে গিয়াসউদ্দিন সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।

নিহতের ভাই কবির হোসেন জানান, গত কিছু দিন আগে আমার ভাই গিয়াস উদ্দিনের কাছ থেকে পুলিশ কর্মকর্তা মাহে আলম বাড়ির জায়গা কেনেন। দীর্ঘদিন হয়ে গেলও কোন টাকা দেয়নি। সকালে তাকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে রাখে। তারপর তাকে হত্যা করে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে। আমি মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। তারা নাকি অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর সাথে কথা বলেছে।

কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক তদন্ত সালাউদ্দিন জানান, দুপুরে কুমিল্লা দৌলতপুর রেলওয়ে রোড এলাকা একটি বাসা থেকে এক গৃহকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আত্মহত্যা না হত্যা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে এই ঘটনায় মৃত গৃহকর্তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে।

নিহত গিয়াস উদ্দিনের এক ছেলে এক মেয়ে রয়েছে। মেয়ে বিবাহিত ও শিশু পুত্র স্থানীয় অশোকতলা ইকরা স্কুলে পড়াশুনা করে।

আপডেট : বাংলাদেশ সময় ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  খ্রি. বুধবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

 

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
412 জন পড়েছেন