শাহরাস্তি ল্যাবরেটরী স্কুল: মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নের একটি প্রয়োগশালা

0
27

মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ (মারুফ) :
শিক্ষা হল অব্যাহত অনুশীলনের মাধ্যমে জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জন, যার মাধ্যমে মানুষের সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধন সম্ভব হয়। শিক্ষা মনুষ্যত্বের বিকাশকে সম্পদে পরিণত করে। সুশিক্ষা আলোকিত মানুষ সৃষ্টি করে। তাই পরিবার,সমাজ ও দেশকে আলোকিত করতে এবং একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চাই জীবনমুখী যুগোপযোগী কর্মভিত্তিক শিক্ষা।

মাঠ প্রশাসনে এক দশকেরও বেশী সময় কাজ করার সুবাধে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ শিক্ষাসংশ্লিষ্ঠ সকল মহলের সাথে কাজ করতে গিয়ে নানা অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, গত একদশকে বর্তমান সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় দেশে শহর-গ্রাম নির্বিশেষে শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও ভৌত অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে মানুষের মাঝে রয়েছে ব্যাপক হতাশা। এই হতাশার প্রতিফলন দেখা যায় ঢাকাসহ বড় শহরের মুষ্ঠিমেয় তথাকথিত কিছু ভাল স্কুল-কলেজে ভর্তিযুদ্ধের মধ্যে। রাজধানী ঢাকাসহ বড় বড় শহরের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাল লেখাপড়া হয় – এই হুযুগে সারাদেশের অভিভাবকগণ, যাদের সামর্থ আছে তারা ছুটে যাচ্ছে বড় শহরে। উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণও পরিবার-পরিজন বড় শহরে রেখে নিজেরা আসা-যাওয়া বা ব্যাচেলর থেকে চাকুরী করেন। এতে একদিকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মঘন্টা নষ্ট হয় অন্যদিকে কর্মকর্তার সার্বক্ষনিক উপস্থিাত না থাকায় সংশ্লিষ্ঠ এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডেও বিঘœ ঘটে। অন্যদিকে যারা উপজেলা পর্যায়ে বসবাস করেন তারাও সন্তানের ভাল ফলাফল, একটু বাড়তি যতœ বা স্কুলে একটু ভালভাবে দেখাশুনা হবে এই প্রত্যাশায় সন্তানকে কেজি স্কুলে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ কেজি স্কুলের শিক্ষা ব্যবস্থাা ও পদ্ধতি নিয়ে রয়েছে বিস্তর বিতর্ক।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

যখনই মানসম্মত শিক্ষা নিয়ে সম্মানিত শিক্ষক, অভিভাবক বা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি তখনই দেখেছি মফস্বলের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরস্পর দোষারোপের সংস্কৃতি চালু আছে। সম্মানিত শিক্ষকগণ অভিভাবকগণের অসচেতনা, শিক্ষার্থীদের শ্রেনী উপযোগী যোগ্যতা না থাকা, অবকাঠামোগত সমস্যা ইত্যাদির কথা বলেন। অভিভাবকগণ নিয়মিত ক্লাশ না হওয়া, শিক্ষকদের অযোগ্যতা, অবহেলাসহ নানা অভিযোগ করেন। পক্ষান্তরে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কোন সুস্পষ্ঠ বক্তব্য দিতে না পারলেও তাদের বিচ্ছিন্ন বক্তব্যে শিক্ষক-অভিভাবক দুই পক্ষেরই নানা সমস্যার কথা উঠে আসে। তাছাড়া শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে মফস¦লের প্রায় প্রতিটি বিদ্যালয়।

পক্ষান্তরে কেজি স্কুলগুলোতে অতিরিক্ত পাঠ্য বই, মুনাফা লাভের নিমিত্ত অভিভাবকদের উপর নানা খরচের বোঝা, চটকদার বিজ্ঞাপন ও স্কুলের নাম, অতি অল্প বেতনে অস্থাায়ী ও খন্ডকালিন শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষকদের কম শিক্ষাগতে যোগ্যতা, শিক্ষকদের কোন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থাা না থাকা, কেজি স্কুলগুলো পরিচালনার কোন সরকারী নীতিমালা না থাকা, শিক্ষা বিভাগের তদারকি না থাকা এবং পরীক্ষা গ্রহন ও ফলাফল প্রদানে অভিভাবকদের মনোরন্জনের প্রচেষ্ঠা প্রভৃতির সমস্যা যা আগের কিস্তির লেখাতে বিস্তারিত লেখা হয়েছে। এসব কারণে কেজি স্কুলগুলোতে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সুদূর পরাহত হয়ে আছে।

এই বহুমুখী সমস্যার প্রকৃতি উদঘাটন করতে গিয়ে উপলব্ধি হল- কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে ঐ এলাকার মানুষের আর্থ-সামাজিক ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে মানসম্মত শিক্ষার নীতি ও পদ্ধতিকে স্বনির্বাচিত (Customized) করে নেয়া জরুরী। উপজেলা পর্যায়ে একটি মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হলে ঐ এলাকার মানুষের আর্থিক সামর্থ, সামাজিক সংস্কার এবং ধর্মীয় মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিয়ে সুচিন্তিতভাবে শিক্ষা ও শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রম গ্রহন করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক: এই ত্রিপক্ষীয় প্রচেষ্ঠায় একটি প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা যায়। এজন্য প্রাথমিক শিক্ষায় নিয়মিত মা সমাবেশ বা অভিভাবক সমাবেশ করার সরকারী নীতিমালা রয়েছে। এজন্য কিছু নির্দিষ্ট গাইড লাইনও রয়েছে। কিন্তু ঢাকার অভিজাত এলাকা কিংবা জেলা সদরের একটি বিদ্যালয় এবং উপজেলা সদর কিংবা গ্রামের একটি স্কুলের অভিভাবক ও মায়েদের আর্থ-সামাজিক ও ধর্মীয় বাস্তবতা কোনমতেই এক হতে পারেনা। এজন্য মা সমাবেশ বা অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে কাঙ্খিত ও কার্যকর ফলাফল পেতে হলে সরকারী নীতিমালাকে সংশ্লিষ্ঠ এলাকার বাস্তবতার আলোকে স্বনির্বাচিত (Customized) করে নেয়া জরুরী। এই নানামুখী সমস্যার বাস্তবমূখী এবং কার্যকর সমাধানের জন্য এবং একটি স্বনির্বাচিত পদ্ধতি বাস্তবায়নে একটি প্রয়োগশালা বা ল্যাবরেটরী তৈরী করার জন্য উপজেলা প্রশাসন, শাহরাস্তি কর্তৃক উদ্যেগ নেয়া হয়। এই প্রেক্ষাপটে উপজেলা প্রশাসন,শাহরাস্তি এর উদ্যেগে প্রতিষ্ঠা করা হয় শাহরাস্তি ল্যাবরেটরী স্কুল যা একদিকে এতদঅঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থাা এবং ধর্মীয় অনুভুতিকে প্রাধান্য দিবে, অন্যদিকে সরকারের ’ড্রিম স্কুল’ ধারনার বৈশিষ্ঠসমূহ বাস্তবায়ন এবং একটি কার্যকর ডিজিটাল ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে একটি (Customized) পদ্ধতি অবলম্বন করে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করব। এজন্য শাহরাস্তি ল্যাবরেটরী স্কুলে কোন নতুন গবেষনা/পদ্ধতি/ধারনা অবলম্বন না করে বরং সরকারের প্রণীত সিলেবাস, ’ড্রিম স্কুল’ ধারনা এবং বিভিন্ন স্কুলের Best Practices- যা এখানকার মানুষের আর্থ-সামাজিক ও ধর্মীয় অনুভুতির সাথে সামনজ্স্যপূর্ণ তাই নিয়ে স্কুলের একাডেমিক এবং শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রম প্রণয়ন করা হয়েছে যা নিম্নে আলোচনা করা হবে।

সরকারের ‘ড্রিমস্কুল’ ধারনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন শাহরাস্তি এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে “শাহরাস্তি ল্যাবরেটরী স্কুল”। শিক্ষাক্ষেত্রে পথপ্রদর্শকের ভুমিকা পালনে আগ্রহী এই স্কুলে রয়েছে :
০১. গ্রুপ স্টাডির মাধ্যমে পাঠ প্রস্তুত:- স্কুলের পড়া প্রস্তুতিতে অত্যন্ত কার্যকরী এই গ্রুপ স্টাডি পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের স্কুল সময়ের আগে ও পরে নির্দিষ্ট ক্লাশ রুমে ৭-১০ জনের গ্রুপে বিভক্ত করা হয়। শিক্ষার্থীরা গ্রুপে তাদের পরের দিনের স্কুলের পড়া প্রস্তুত করে থাকে। এতে তারা পরস্পর আলোচনায় পড়া আত্মস্থ করার সুযোগ পায়। দুর্বল শিক্ষার্থী অগ্রসর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গণিত,ইংরেজীসহ অন্যান্য বিষয়ের ঐদিনের পড়া শিখে নিতে পারে এবং ভাল শিক্ষার্থী তার পড়া আত্মস্থ করে নিতে পারে। তাছ্ড়াা একসাথে দলবদ্ধভাবে পড়তে গিয়ে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক ইতিবাচক প্রতিযোগিতার সৃষ্ঠি হয় যা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার প্রতি আরো মনোযোগী করে তুলে। এখানে স্কুলের শিক্ষার্থীদের সারাদিনের লেখাপড়ার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেয়া হয়েছে । এজন্য স্কুল ছুটির পর ছাত্র-ছাত্রীদের প্রায় দুই ঘন্টা গ্রুপ স্টাডি করানো হয়। স্কুলের নিজস্ব ভবন হলে ক্রমান্বয়ে গ্রুপ স্টাডি স্কুল আরম্ভের আগে সকালেও করানো হবে।

লেখকের একটি ইনোভেশনমূলক এই ধারনাটি বর্তমানে শাহরাস্তি উপজেলার বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গত বছর শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় বাস্তবায়ন করে খুব ভাল ফল পাওয়া গেছে। স্কুলের পড়া প্রস্তুতিতে অত্যন্ত কার্যকরী এই গ্রুপ স্টাডি পদ্ধতি নিয়ে আরেকদিন আলোচনা করা হবে।

(২) মুসলমানদের জন্য নুরানী পদ্ধতিতে মক্তব ও অন্যান্য ধর্মের জন্য ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা:- মুসলমান শিক্ষার্থীদের জন্য মক্তবের মাধ্যমে কোরআন শিক্ষা এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় শিক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে যার মূল লক্ষ্য হল শিক্ষাক্রমে আধুনিক শিক্ষার সাথে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয় সাধন করা । ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে আধুনিক শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে নৈতিক গুনাবলী সম্পন্ন আদর্শ মানুষ তৈরী করা এবং এই এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভুতিকে গুরুত্ব দেয়াই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

(৩) একটিভ গার্ডিয়ান ফোরাম: (অঈঞওঠঊ এটঅজউওঅঘ ঋঙজটগ): বিদ্যালয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, সেবার মানোন্নয়ন এবং অভিভাবকদের সন্তানের সুশিক্ষা এবং সুস্বাস্থ্য বিষয়ে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালনের নিমিত্ত গঠন করা হয়েছে শ্রেনীভিত্তিক অভিভাবক ফোরাম- একটিভ গার্ডিয়ানস ফোরাম(অএঋ)। স্কুলের ’ডিজিটাল ক্যাম্পাস’ গঠনে অনন্য ভুমিকা পালনকারী এই ফোরামের মাধ্যমে অভিভাবক এবং শিক্ষকমন্ডলী প্রতিনিয়ত পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে নিজ নিজ সন্তানের শিক্ষা এবং স্কুলের শিক্ষার মানোন্নয়নে ভুমিকা রাখছে। ফলে প্রধান শিক্ষক- শ্রেণী শিক্ষক-অভিভাবকগণের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ও সম্মিলিতভাবে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে। তাছাড়া সাময়িক ছুটিতে থাকা শিক্ষকের শ্রেণি পাঠদান ঐ অভিভাবক কমিটি নিশ্চিত করে। ফলে সাময়িক ছুটিতে থাকা শিক্ষকের শ্রেণি পাঠদান ব্যহত হবেনা।

(৪) অভিভাবক-শিক্ষক-কর্তৃপক্ষ নিয়মিত মতবিনিময় সভা: (১) বিদ্যালয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, সেবার মানোন্নয়নের জন্য সপ্তাহের প্রতি শনিবারে শিক্ষক এবং পরিচালনা পরিষদের নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের কল্যাণে যে কোন বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হচ্ছে । (২) প্রতি মাসের ৫-১০ তারিখের মধ্যে শ্রেণীভিত্তিক অভিভাবক,শ্রেণী শিক্ষক এবং প্রধান শিক্ষকের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ফলে পারস্পরিক সমন্বয়, আন্ত:সম্পর্ক এবং দায়িত্বপালনে সতর্কতা ও আন্তরিকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। (৩) প্রতি ২-৩ মাস অন্তর শিক্ষক-অভিভাবক-পরিচালনা পরিষদ ত্রিপক্ষীয় সভার আয়োজন করা হচ্ছে। যাতে শিক্ষক- পরিচালনা পরিষদ এবং শিক্ষক-অভিভাবক সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ পর্যালোচনাপূর্বক সকলের সার্বিক কল্যাণে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহন করা যায়।

(৫) উচ্চ শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পাঠদান এবং ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার/সরকারী কর্মকর্তা দ্বারা বিশেষ পাঠদান:- উচ্চ শিক্ষিত শিক্ষকশ্রেণী পাঠদান এবং বিসিএস কর্মকর্তা/ডাক্তার/ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা বিশেষ ক্লাশ। শিক্ষার্থীরা সাধারনত ডাক্তার /ইঞ্জিনিয়ার/ ম্যাজিস্ট্রেটহবার স্বপ্ন দেখে। গবেষনা বলে – স্বপ্নের লোক সামনে দেখতে পেলে শিশুর মনে দারুণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলে যা জীবনব্যাপী অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।

শাহরাস্তি ল্যাবরেটরী স্কুলে নতুন কোন গবেষনা, পদ্ধতি বা ধারণা অবলম্বন না করে বরং সরকারী সিলেবাস, মানসম্মত শিক্ষার বিভিন্ন পদ্ধতি এবং নামকরা স্কুলসমূহের ইবংঃ চৎধপঃরপবং নিয়ে একাডেমিক ও শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রম প্রণয়ন করেছে। এই স্কুলে বাস্তবায়নাধীন অন্যান্য বৈশিষ্ঠ্যসমূহ পরবর্তী কিস্তিতে লেখা শেষ হবে। আশা করি সম্মানিত পাঠকবৃন্দ এই বৈশিষ্ঠসমূহ পাঠ করলে শাহরাস্তি উপজেলার সীমান্তবর্তী কুমিল্লা-নোয়াখালি-লক্ষীপুরসহ চাঁদপুর জেলার অভিভাকদের কাংখিত মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিতকরণে শাহরাস্তি ল্যাবরেটরী স্কুলের প্রচেষ্ঠা সম্পর্কে একটি ধারনা পাবেন।
…………………………………………………………………………………………………………………….
লেখক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শাহরাস্তি , চাঁদপুর।

 

আপডেট : বাংলাদেশ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  খ্রি.শনিবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

 

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
276 জন পড়েছেন