বরের বয়স ৩৫ শুনে বিষ খেল ১৫ বছরের স্কুলছাত্রী

0
703

৩৫ বছর বয়সী যুবকের সঙ্গে ১৫ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করেছে পরিবার। কিন্তু বিষয়টি মেনে নেয়নি স্কুলছাত্রী ইয়াসমিন আক্তার (১৫)। প্রতিবাদ করায় মারধরের শিকার হতে হয় তাকে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

উপায় না পেয়ে অবশেষে বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ইয়াসমিন। বুধবার সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। মৃত ইয়াসমিন সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে ও সৈয়দপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

স্থানীয়রা জানান, ইয়াসমিন গত বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করতে পারেনি। এজন্য একই শ্রেণিতে পড়ালেখা করছে। এর মধ্যে বাবা ইসমাইল ও মা লাকী বেগম তাকে বিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করে। একপর্যায়ে ফুফাতো ভাই কুয়েত প্রবাসী রাশেদের (৩৫) সঙ্গে বিয়ে দেয়ার জন্য তাকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। রাশেদ উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের সমাষপুর গ্রামের মোস্তফা মিয়ার ছেলে। তিনি এর আগেও বিয়ে করেছে। প্রায় ৩ বছর আগে পারিবারিক কলহের জের ধরে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তাই রাশেদকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় ইয়াসমিন।

এদিকে, বিয়েতে রাজি না হওয়ায় রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ওই ছাত্রীকে তার মা-বাবা মারধর করে। এতে অভিমান করে সোমবার সকালে সে বিষপান করে। পরিবারের লোকজন দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে দুপুরে মরদেহ উপজেলার দত্তপাড়ার সৈয়দপুরের বাড়িতে আনা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি আহসানুল কবির রিপন বলেন, বাল্যবিয়ে দেয়ার জন্য ওই ছাত্রীকে পরিবারের পক্ষ থেকে চাপ দেয়া হয়। এতে অভিমান করে বিষপান করে সে আত্মহত্যা করেছে।

দত্তপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপডেট : বাংলাদেশ সময় ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  খ্রি.বুধবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

 

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
734 জন পড়েছেন