টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা

0
22

মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ (মারুফ) :
সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা এবং মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল বা এমডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ অত্যন্ত সফল হয়েছে। সরকারি তথ্যমতে, বর্তমানে প্রাথমিক স্কুলে প্রকৃত ভর্তির হার ৯৭.৯৪ শতাংশ। ফলশ্রুতিতে জাতিসংঘ কর্তৃক এমডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে ’রোল মডেল’ ঘোষনা করা হয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে এমডিজি অর্জনের এই সাফল্য নির্ধারিত সময়ে টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা (এসডিজি) এর লক্ষ্য অর্জনে আমাদেরকে দৃঢ় আত্মবিশ্বাসী করে তুলে। তবে এমডিজি’র সাফল্য ধরে রাখা এবং এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশকে একদিকে ঝরে পড়া রোধ করতে হবে, অন্যদিকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে আরো নানাবিধ কৌশলগত নীতি এবং উদ্যেগ গ্রহণ করতে হবে।

বিশ্বের আরো ১৯৩ টি দেশের সাথে বাংলাদেশ ২০১৬-২০৩০ মেয়াদে ১৭ টি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষাসংক্রান্ত এসডিজি-৪ লক্ষ্যমাত্রায় সাতটি টার্গেট নির্ধারন করা হয়েছে যার মধ্যে টার্গেট ৪.১ এ বলা হয়েছে- ’ইু ২০৩০, বহংঁৎব ঃযধঃ ধষষ মরৎষং ধহফ নড়ুং পড়সঢ়ষবঃব ভৎবব, বয়ঁরঃধনষব ধহফ য়ঁধষরঃু ঢ়ৎরসধৎু ধহফ ংবপড়হফধৎু বফঁপধঃরড়হ ষবধফরহম ঃড় ৎবষবাধহঃ ধহফ বভভবপঃরাব ষবধৎহরহম ড়ঁঃপড়সবং’ অর্থাৎ এসডিজি অর্জনের জন্য স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ ২০৩০ সালের মধ্যে সকল ছেলে-মেয়ের জন্য বিনামূল্যে, সমতাভিত্তিক এবং মানসম্মত প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করবে যা কার্যকর শিখন ফলাফল নিশ্চিত করবে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

মানসম্মত শিক্ষাকে বিভিন্ন শিক্ষাবিদ বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। এসকল সংজ্ঞা হতে বলা যায়- মানসম্মত শিক্ষা হচ্ছে মূলত একগুচ্ছ বিষয় যার মধ্যে পরীক্ষার গ্রেড একটি অংশমাত্র। পরীক্ষার ভাল গ্রেডের পাশাপাশি যে শিক্ষা শিক্ষার্থীর শারিরিক, মানসিক, আত্মীক উন্নয়নসহ চিন্তন দক্ষতা ও বিশ্লেষন ক্ষমতা বাড়াবে তাই মানসম্মত শিক্ষা। তাই মানসম্মত শিক্ষার কর্মসূচী বাস্তবায়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া।

বর্তমান সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় দেশে শহর-গ্রাম নির্বিশেষে শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও ভৌত অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সরকার বেশকিছু কৌশলগত নীতি এবং উদ্যেগ গ্রহণ করেছেন। যেমন- যথাসময়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করে বই উৎসব পালন, শিক্ষার্থীদেরকে উপবৃত্তি প্রদান, ঝখওচ বরাদ্দ থেকে দরিদ্র শিশুদের জন্য পোশাক, খাতা-কলমের ব্যবস্থা, উদ্ভাবনী বিভিন্ন কার্য়ক্রমের মাধ্যমে প্রাথমকি শিক্ষার উদ্ভুদ সমস্যার সমাধানের প্রচেষ্ঠা, মা সমাবশে, হোম ভিজিট করে উপস্থিতি বৃদ্ধি, মানসম্মত পাঠদানের জন্য শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, প্রাক-প্রাথমিক কক্ষ সুসজ্জতিকরণ প্রভৃতি।

তবে এতসব পদক্ষেপ সত্বেও সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাসহ এমডিজিতে অর্জিত সাফল্য ধরে রাখা এবং এসডিজি অনুসারে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে এখনো বহু চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন-

(ক) ঝরে পড়া রোধ করা : বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার ৯৭.৬ শতাংশ হলেও ঝরে পড়ার হার ২০ শতাংশেরও বেশী। ঝরে পড়া শুধু এসডিজি অর্জনে অন্তরায়ই নয় বরং এটি এমডিজিতে অর্জিত সাফল্য ধরে রাখার জন্যও বিরাট চ্যালেঞ্জ। একটি গবেষণাপত্রে বাংলাদেশে ঝরে পড়ার সাতটি কারণ চিহিৃত করা হয়েছে। যথা- শিখন-শিক্ষণ পদ্ধতির মৌলিক দুর্বলতা, দারিদ্র, শিক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি, দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিকূলতা, এলাকাভিত্তিক পরিকল্পনার অভাব, শিক্ষায় প্রবেশাধিকার এবং শহরে বস্তির সমস্যা। এই সমস্যাগুলো পড়লেই বুঝা যায় এগুলো মানসম্মত শিক্ষার জন্যও অন্তরায়। এই কারণগুলো সমাধানের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নীচে তুলে ধরা হল।

(খ) শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সংকট: ইউনেস্কোর সুপারিশ মতে প্রতি ক্লাশের জন্য কমপক্ষে একজন করে শিক্ষক দরকার। সে অনুযায়ী প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণীসহ কমপক্ষে ছয় জন শিক্ষক প্রয়োজন। তাছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতের আদর্শমান থাকাও জরূরী । কিন্তু বহু বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নেই । বিশেষ করে গ্রাম পর্যায়ের স্কুলগুলোতে শিক্ষকের তীব্র সংকট রয়েছে। সেই সাথে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে কর্মচারীর সংকট রয়েছে। ২০১৭ সালের অ্যানুয়েল প্রাইমারী স্কুল সেন্সাস (এপিএসসি) রিপোর্ট মতে, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৪ হাজার ১২২ টি।এর মধ্যে ৩৮ হাজার ৮৫৬টি স্কুলে ছয়জনের চেয়ে কম শিক্ষক রয়েছে। ৮ হাজার ৫৬৪টি স্কুল চলছে তিনজন করে শিক্ষক নিয়ে। তাছাড়া অনেক উপজেলায় শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তার সংকট। উদাহরণস্বরূপ, শাহরাস্তি উপজেলায় চারজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পদ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র দুইজন। বর্ণিত এই সমস্যা সমাধানে সরকার নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছেন। তবে শিক্ষক নিয়োগ যেন স্কুলগুলোর ন্যুনতম চাহিদা পূরণে সক্ষম হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। অনেক স্কুলে দপ্তরী নেই। তাই দপ্তরী পদে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা জরূরী । তাছাড়া প্রধান শিক্ষকের উপর দাপ্তরিক কাজের চাপ কমাতে বিদ্যালয়ে অফিস সহকারীর একটি পদ সৃজন করা যেতে পারে। এজন্য বাজেটে অর্থসংস্থানসহ স্কুলের জনবল কাঠামোতে পরিবর্তন আনা জরুরী।

(গ) শিক্ষক-অভিভাবক-স্কুল কমিটির মধ্যে সমন্বয় না থাকা: স্কুল পরিচালনায় স্থানীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা, জবাবদিহিতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং বিদ্যালয়কে একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রতিষ্ঠানে রূপদান এবং শিক্ষক-অভিভাবক-স্কুল কমিটির পারস্পরিক সমন্বয়ের জন্য সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে এসএমসি, পিটিএসহ নানা কমিটি রাখলেও এসএমসি ব্যতিত অন্যান্য কমিটির কোন সক্রিয় ভুমিকা দেখা যায়না। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো দরকার। স্কুলের বিভিন্ন কমিটির মাধ্যমে এই সমন্বয় বাড়াতে হলে শুধু কমিটি গঠন এবং এর একটি রূপরেখা প্রদান করলে হবেনা। কমিটিগুলোর কার্যপরিধি এমনভাবে নির্ধারন করতে হবে যা শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের শিক্ষাসংক্রান্ত নানা প্রয়োজন মেটাতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রাথমিক বিদ্যালয়কে একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রতিষ্ঠানে রূপদানের জন্য শিক্ষক-অভিভাবক সমিতি গঠনের নিয়ম করা হয়। কিন্তু এই সমিতির কার্যপরিধি অনেক বড়, এর কাজে এসএমসি অনাগ্রহ ও অসহযোগিতা, অভিভাবকদের অসচেতনতা, কোনরূপ আর্থিক বরাদ্দ না থাকা প্রভৃতি কারণে এটির কোন কার্যকর ভুমিকা স্কুলগুলোতে দেখা যায়না। এজন্য কমিটিগুলো যেন কার্যকর হয় তার জন্য সৃজণশীল নানা উদ্যেগ নেয়া জরুরী। উদাহরণস্বরুপ, বর্তমান লেখকের একটি সৃজনশীল উদ্যেগে একটিভ গার্ডিয়ান ফোরাম প্রচলিত পিটিএ’র বিপরীতে কার্যকরভাবে শাহরাস্তি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

(ঘ) পেশাগতভাবে যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষকপুল তৈরী: মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে প্রথমে মানসম্মত শিক্ষক তৈরী করতে হবে। এজন্য শিক্ষকতা পেশায় যোগ্য ও মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে নীতিগত উপায় উদ্ভাবন খুবই প্রয়োজন। আশার কথা হল যে, বর্তমান সরকার সরকারী কর্মচারীদের বেতন দ্বিগুনের ও বেশী বৃদ্ধি করাতে এখন শিক্ষকদের বেতন কম একথা বলা যাবেনা। এখন যা করা যেতে পারে তা হল: শিক্ষক এবং শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের বেতনস্কেল উচ্চধাপে উন্নীতকরণের যে দাবী আছে তা সহানুভুতি সহকারে বিবেচনা করা। শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষন দেয়া এবং শিক্ষকগণ প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান যাতে শ্রেণী পাঠদানে প্রয়োগ করেন তা নিশ্চিত করা। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রেষনা যেমন দিতে হবে তেমনি কার্যকর তদারকিও নিশ্চিত করতে হবে। তাছাড়া শিক্ষক নিয়োগে বিদ্যমান শিক্ষাগত যোগ্যতা পূনর্মূল্যায়ন করে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে ¯œাতক করা জরুরী। প্রধান শিক্ষকের ন্যুনতম যোগ্যতা মাস্টার্স ও কাজের পূর্বঅভিজ্ঞতা থাকা জরুরী। একই সাথে দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক পেতে বিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরেপক্ষ হওয়া বিশেষ প্রয়োজন। এজন্য বর্তমানে প্রচলিত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যেন প্রশ্ন ফাঁস না হয় এবং অবৈধ তদবিরমুক্ত হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে করা যেতে পারে।

(ঙ) নৈতিক শিক্ষা ও জীবনদক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার অভাব: প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের সিলেবাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে নৈতিক শিক্ষা বা নীতিকথার চেয়ে তাত্ত্বিক কথা বেশী যা শিশুরা মুখস্থ করে পরীক্ষা পাশের জন্য। আচরনগত শিক্ষা দেয়া হয় খুবই কম, এমনকি প্রতিদিন লাইনে দাঁড় করিয়ে যে শপথ বাক্য পাঠ করানোর কথা তাও অনেক স্কুলে হয়না । অপরদিকে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় একজন শিক্ষার্থী তার ব্যক্তিগত জীবনে আত্মনির্ভরশীল হবার শিক্ষাও পাচ্ছেনা। তাই মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে মৌলিক শিক্ষার পাশাপশি নৈতিক শিক্ষা এবং জীবনদক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।

(চ) শিক্ষার অনুকুল পরিবেশের অভাব: বাংলাদেশে গ্রাম পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষার জন্য যেরকম পরিবেশ দরকার তার অভাব রয়েছে বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মাঠ প্রশাসনে কাজ করতে গিয়ে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, অনেক বিদ্যালয়ে বসার পর্যাপ্ত বেঞ্চসহ অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ নাই। শিক্ষার অনুকুল পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষাসামগ্রী যোগানের জন্য সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যেগ বাড়াতে হবে।

(ছ) শিক্ষাসহায়ক কার্যাবলীর প্রাধান্য: শিক্ষাকে আনন্দদায়ক করতে এবং শিশুর নান্দনিক বিকাশ লাভে বিদ্যালয়ের সিলেবাসে সংগীত, চারু-কারু প্রভৃতি অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। এসকল বিষয় পড়ানোর জন্য শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। তবে এসকল বিষয় যেন শিশুর উপর অতিরিক্ত বই এবং পরীক্ষার নতুন বোঝা তৈরী না করে সেজন্য বিষয়গুলো পরীক্ষার আওতাবহির্ভূত রাখতে হবে।

(জ) মিড-ডে মিল সঠিক বাস্তবায়ন: স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পুষ্ঠি নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ করতে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি অনুপম উদ্যেগ মিড-ডে মিল চালু করণ। বর্তমানে সমাজের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বচ্ছল ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা এসএমসির সহায়তায় মিড-ডে মিল চালু হয়েছে। তাছাড়া সরকার ও স্থানীয় উদ্যেগে সকল শিক্ষার্থীকে টিফিন বক্স দেয়া হয়েছে। এই কার্যক্রমকে টেকসই এবং কার্যকর করতে সন্তানের মায়েরাই যেন বাসা হতে খাবার দেন তা নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বোপরি , প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সংশ্লিষ্ঠ অন্যান্যদের দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরনগত পরিবর্তন সাধন জরুর্।ী কেবলমাত্র প্রশিক্ষনের মাধ্যমে মানুষের আচরনগত পরিবর্তন আনয়ন সম্ভব । এজন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষন জোরদার করতে হবে। নতুন প্রজন্মের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আচরন, মন-মানসিকতা ও চিন্তার জগতে পরিবর্তন আনতে হবে। উপরিউক্ত বিষয়গুলো নির্ধারিত সময়ে নিশ্চিত করা গেলেই মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২০১৬-২০৩০ সাল মেয়াদে এসডিজি-৪ বাস্তবায়নের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে।

আপডেট : বাংলাদেশ সময় ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  খ্রি.রোববার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
580 জন পড়েছেন