মতলব উত্তরের সমাজ সেবক শাহজাহান সরকারের দাফন সম্পন্ন

0
9

বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ

শফিকুল ইসলাম রানা, মতলব উত্তর প্রতিনিধি :

মতলব উত্তর উপজেলার বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিল্পপতি মরহুম মনির হোসেন সরকার-এর ছোট ছেলে ও আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন সরকার এর ছোট ভাই, সৎসঙ্ঘ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা, বাংলাদেশ বাউল সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের বিশিষ্ট গীতিকার সূফী শাহজাহান সরকার সাদুল্যাপুরীর ১ম নামাজের জানাযা নামাজ ঢাকার নিজ বাড়ী ঝিগাতলায় আজ ২৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দ্বিতীয় নামাজের জানাযা বাদ আছর তার দেশের বাড়ী সাদুল্যাহপুর সূফী দরবার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাযা শেষে নিজস্ব কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

জানাযার পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায়সভায় উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মরহুম শাহজাহান সরকারের বড় ভাই আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন সরকার, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এম এ কুদ্দছ, বাংলাদেশ বাউল সমিতির সভাপতি আঃ ছোবহান সরকার, সাধারন সম্পাদক আবুল সরকার (ছোট আবুল) প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক সামছুল আলম জুলফিকার, সদস্য শহিদুল ইসলাম খোকন, মতলব উত্তর উপজেলা শাখার আহবায়ক শওকত বকাউল, মতলব উত্তর গুণীজন স্মৃতি সংসদের সভাপতি মিজানুর রহমান, গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান খোকন চৌধুরী, সাদুল্যাহপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি আঃ করিম মোল্লা, আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইউছুফ মিয়া, সাবেক সাধারন সম্পাদক আক্তার ঢালী, যুবলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম আক্তার ঢালী, সাধারন সম্পাদক আরিফুল ইসলাম খোকা।

উল্লেখ্য ২৫ সেপ্টেম্বর ভোর ৪.৪৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে ১ভাই ৩ বোন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ বাউল সমিতি, সৎ সঙ্গ ফাউন্ডেশন, সাদুল্যাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান, লোকমান হোসেন মুন্সী, মতলব উত্তর একতা ক্লাবের সভাপতি মিরান হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন প্রমুখ।

আপডেট : বাংলাদেশ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  খ্রি. মঙ্গলবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
31 জন পড়েছেন