চাঁদপুরের ইলিশের ডিম যাচ্ছে বিদেশে

0
27
ইলিশের ডিম আলাদা পাত্রে রেখে ওজন করছেন শ্রমিকেরা।

চাঁদপুর থেকে ইলিশের পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে রপ্তানি করা হচ্ছে ইলিশের ডিম। প্রতিদিন অন্তত ৫০০ কেজি করে ইলিশের ডিম প্রক্রিয়াজাত করার পর ছোট ছোট বাক্সে করে পাঠানো হচ্ছে চট্টগ্রামে। সেখান থেকে এসব ইলিশের ডিম ভারত হয়ে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো হচ্ছে। চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মাছঘাটের আশপাশ ঘুরে, ইলিশের ডিম প্রক্রিয়াজাতকারক ও সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা যায়।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আজ মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মাছঘাট এলাকায় ছোট ছোট কক্ষে নরম ও ফুলে ওঠা ইলিশ কাটায় ব্যস্ত শত শত নারী ও পুরুষ শ্রমিক। তাঁরা একদিকে ইলিশের ডিম ছাড়িয়ে প্লাস্টিকের ছোট আকারের বাক্সে ভর্তি করছেন। অন্যদিকে ডিম ছাড়ানো ইলিশ লবণ দিয়ে মাখিয়ে স্তূপ করে রাখছেন।

ইলিশ ডিম প্রক্রিয়াজাতকারক ও বিক্রেতা আজাদ হোসেন বলেন, কয়েক বছর ধরে স্থানীয় ও চট্টগ্রামের কিছু ব্যবসায়ী ইলিশের ডিম চাঁদপুর থেকে প্রক্রিয়াজাত করে ট্রেনে করে প্রথমে চট্টগ্রাম নিয়ে বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে দিচ্ছেন। সেখান থেকে এসব ডিম বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। আড়াই কেজি করে ইলিশের ডিম প্রতিটি বাক্সে ভর্তি করার পর বরফজাত করা হয়। পরে ককশিটের ভেতর ঢুকিয়ে চট্টগ্রাম পাঠানো হয়। আর এসব ইলিশ ও ডিম ছাড়ানোর জন্য ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে চুক্তিতে শত শত শ্রমিক দিনরাত কাজ করছেন। লোনা ইলিশ মণ হিসেবে ১২ হাজার টাকায় এবং ইলিশের ডিম কেজি ১ হাজার ২০০ টাকায় পাইকারি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এক মণ ইলিশে প্রায় পাঁচ কেজি ডিম পাওয়া যায়। ডিমওয়ালা নরম ইলিশ ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা পাইকারি দামে বিক্রি হয়।

চাঁদপুর মাছঘাটের ইলিশ ব্যবসায়ী আবদুল মালেক খন্দকার বলেন, ইলিশ ও ইলিশের ডিমের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু এ বছর ইলিশ কম থাকায় ইলিশের ডিমও কম। তবে স্থানীয়ভাবে ইলিশের ডিমের চাহিদা কম থাকলেও বিদেশে এর চাহিদা অনেক বেশি। তবে সরকার সরাসরি বিদেশে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ রাখায় চট্টগ্রামে এই ইলিশের ডিম পাঠানো হচ্ছে। সেখানকার ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কৌশলে এসব ডিম বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল বাকী বলেন, ‘প্রতিবছর ইলিশ মাছের ডিম চট্টগ্রাম হয়ে বিদেশে এবং লোনা ইলিশ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টিন ভর্তি করে যাচ্ছে শুনেছি। কিন্তু এসবের হিসাব ও পরিসংখান আমরা রাখি না। আমরা শুধু কী পরিমাণ ইলিশ এই ঘাটে আসছে, সেটার হিসাব রাখছি।’ (প্রথম আলো)

আপডেট : বাংলাদেশ সময় ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  খ্রি. বুধবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
539 জন পড়েছেন