ছেংগারচর পৌরসভায় ঘর পেয়ে মহাখুশি হতদরিদ্র পরিবারগুলো

0
8

প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের
ছেংগারচর পৌরসভায় ঘর পেয়ে মহাখুশি হতদরিদ্র পরিবারগুলো

সফিকুল ইসলাম রানা, মতলব উত্তর প্রতিনিধি :
মতলব উত্তর উপজেলার ছেঙ্গারচর পৌরসভায় ৩২৯ টি অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবার ঘর পেয়েছে। মোট ৩২৯টি ঘরের মধ্যে ৩১০টি ঘরের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

মহাখুশি হতদরিদ্র পরিবারগুলো। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অগ্রাধিকার প্রকল্প আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধিনে “যার জমি আছে ঘর নেই” কর্মসূচীর আওতায় এমন দরিদ্র পরিবারের জন্য ঘরগুলো নির্মাণ কাজ চলমান আছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মতলব উত্তর উপজেলায় দরিদ্র পরিবারের জন্য এ প্রকল্পের আওতায় মোট ৪৭০ টি ঘর নির্মাণ করা হবে। এরমধ্যে এখলাছপুর ইউনিয়নে ১৪১ টি ও ছেঙ্গারচর পৌরসভায় নির্মাণ হচ্ছে ৩২৯ টি ঘর। ছেঙ্গারচর পৌরসভার ৩২৯ টি ঘরের মধ্যে ৩১৯ টি ঘর ভিটি পাকাকরণ ও টয়লেট নির্মাণসহ সম্পূর্ণ শেষ হয়েছে। তবে ভিটি পাকাকরণ ও টয়লেট নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার বলেন, ছেঙ্গারচর পৌরসভায় মোট ৩২৯ টি ঘর নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ৩১৯টি ঘরের নির্মাণ কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। ঘরগুলো হতদরিদ্র পরিবারদেরকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য ঘরগুলোর নির্মাণ শেষ হলেই পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এখনো কিছু ঘরের ভিটি পাকা ও টয়লেট নির্মাণ কাজ চলছে। আশা রাখি দ্রুত এ কাজ শেষ হয়ে যাবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন মজুমদার জানান, ছেংগারচার পৌরসভায় ৩২৯টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলছে। এর মধ্যে ৩১৯টি ঘরের নির্মাণ কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। এতে করে এলাকার হতদরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফুটছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ কর্মসূচীর আওতায় বাংলাদেশে একটি পরিবারও গৃহহীন থাকবে না। এ আলোকে যার জমি আছে ঘর নেই, কর্মসূচীর আওতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে মতলব উত্তর উপজেলায় ৪৭০টি ঘরের বরাদ্দের আলোকে কর্মসূচীর কাজ চলমান আছে। ইতিমধ্যে অধিকাংশ ঘরের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। অবশিষ্ট ঘরের কাজ চলমান অবস্থায় আছে।

গৃহহীন পরিবারগুলো নতুন ঘর পেয়ে তাঁরা খুবই আনন্দিত ও উল্লাসিত। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপি’র সহযোগিতায় ও সার্বিক দিক নির্দেশনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে প্রাক্কলন ও নীতিমালা অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ঘনিয়ারপাড় গ্রামের নবীর হোসেনের স্ত্রী তামান্না আক্তার (৩০) জানান, আমরা ঘর পেয়ে মহাখুশি। বর্তমান সরকার আমাদেরকে ঘর দিয়েছেন। এ ঘরে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছি। এ সরকার আমাদেরকে বাসস্থান দিয়েছে।

ঘনিয়ারপাড় গ্রামের মো. জাফর ইকবাল জানান, আমার ঘর নাই। সরকার আমাদেরকে ঘর দিয়েছে। অহন আমি স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে নিয়ে অনেক সুখে আছি। আমার ছেলে-মেয়েরা মনের আনন্দে নতুন ঘরে বসবাস করছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার ছেংগারচার পৌর এলাকার নব নির্মিত ঘরের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন । এ সময় তিনি হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন।

আপডেট : বাংলাদেশ সময় : ১২:৩৭ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০১৮  খ্রি.শনিবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
33 জন পড়েছেন