মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন

0
41

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় দশম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে মনির হোসেন নামে এক যুবককে দুটি ধারায় কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড এবং অপহরণের দায়ে ১৪ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

মঙ্গলবার বিকেলে আসামির অনুপস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মনির বাবুগঞ্জ উপজেলার মহিষাদি গ্রামের মৃত নাজেম আলী ফকিরের ছেলে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মো. আজিবর রহমান রায়ের বরাত দিয়ে জানান, মাদরাসায় আসা-যাওয়ার পথে মেয়েটিকে উত্ত্যক্ত করতো মনির। ২০০৯ সালের ৪ জুন মনির তার সহযোগীদের নিয়ে তাকে অপহরণ করে বরিশাল নগরীর একটি বাসায় রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরদিন মেয়েটিকে নিয়ে মনির ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশে নগরীর নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যায়। এ সময় মেয়েটির বাবাকে দেখে মনির পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ১০ জুন ওই মাদরাসাছাত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই আব্দুল মজিদ হাওলাদার একমাত্র মনিরকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক আজ এই রায় দেন।

তবে উভয় দণ্ড দণ্ডিত হওয়ায় একই সঙ্গে কার্যকরের ক্ষেত্রে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছর কারা ভোগ করতে হবে।

আপডেট : বাংলাদেশ সময় : ০৯:১২ পিএম, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ খ্রি.মঙ্গলবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
385 জন পড়েছেন