সবার চোখে ধুলা দিয়ে রাতারাতি কোটিপতি জামাই-শ্বশুর

0
752

পাম অয়েল ও বাটার অয়েল মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিয়ে ভেজাল ঘি তৈরি করতেন জামাই-শ্বশুর। এসব ভেজাল ঘি মিষ্টির দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন দোকানে পাইকারি দরে বিক্রি করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যান জামাই-শ্বশুর।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

দীর্ঘদিন গোপনে এমন অপকর্ম করে এলেও অবশেষে সন্ধান মিলেছে সেই ভেজাল ঘি কারখানার। পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার পৌর শহরের সরদারপাড়া মহল্লায় এ ভেজাল ঘি তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়ে সোমবার রাতে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদুর রহমান।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এ সময় কারখানা থেকে ৪০ মণ ভেজাল ঘি, ৫ ব্যারেল পাম অয়েল, ৩৭ কার্টন বাটার অয়েল, ৪ বস্তা ঘির ফ্লেবার ও ঘি তৈরির সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে ভেজাল ঘি তৈরির মূলহোতা কারখানার মালিক পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর উপজেলার গোপালনগর গ্রামের সুলতান শাহের ছেলে শহিদুল ইসলাম পালিয়ে যান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ভেজাল ঘি তৈরির সময় ওই কারখানা থেকে ছয়জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এরপর রাতেই জব্দকৃত মালামাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- ফরিদপুর উপজেলার গোপালনগর গ্রামের বাসিন্দা মিলন, বিষ্ট, কামরুল ইসলাম, জীবন ঘোষ, শহিদুল ইসলাম ও ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের সরদারপাড়া মহল্লার রজব আলী।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯-এর ৪৩ ধারায় প্রত্যেককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি শহিদুল ইসলাম ও তার শ্বশুর শামসুল আলমের বিরুদ্ধে পুলিশকে মামলা করার নির্দেশ দেন। ভেজাল ঘি প্রস্তুতকারক শহিদুল ইসলাম তার শ্বশুর শামসুল আলমের সরদারপাড়া মহল্লায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল ঘি তৈরি করে আসছিলেন। কারখানার প্রধান ফটক সারা দিন বন্ধ রাখা হতো।

অপরিচিত লোকদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হতো না। পরে তৈরিকৃত ভেজাল ঘি পাইকারি দরে পাবনাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হতো। সবার চোখে ধুলা দিয়ে এভাবে রাতারাতি জামাই-শ্বশুর হয়ে যান কোটিপতি। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে কারখানা বন্ধ করে হয়েছে বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদুর রহমান।

আপডেট : বাংলাদেশ সময় : ০১:৪২ পিএম, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ খ্রি.মঙ্গলবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
750 জন পড়েছেন