মাকে গভীর রাতে রাস্তায় ফেলে দিলো ছেলে ও পুত্রবধূ, অবশেষে মায়ের মৃত্যু

0
37

জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর :

ছেলে ও পুত্রবধূ গভীর রাতে রাস্তায় ফেলে যাওয়া বৃদ্ধা মা জোবেদা খাতুন অবশেষে মারা গেলেন। সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, মেহ-প্রমেহ, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

মাদারীপুরের সিভিল সার্জন ডা. ফরিদ উদ্দিন মিয়া তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় শাহ মাদার দরগা শরিফ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, গত ৩১ অক্টোবর গভীর রাতে মাদারীপুর শকুনী লেক পাড়ের রাস্তায় বৃদ্ধা জোবেদা খাতুনকে ফেলে যায় তার সন্তান ও পুত্রবধূ।

পরদিন (১ নভেম্বর) বিলাস হালদার ও মেহেদী হাসান নামে দুই শিক্ষার্থী সকালে হাঁটতে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে। পরে তারা ওই বৃদ্ধাকে ভর্তি করান মাদারীপুর সদর হাসপাতালে। প্রথম দিন নিজের নাম আর সন্তান-বউ মিলে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার কথাটুকু বলতে পারলেও তারপর থেকে আর কথা বলতে পারেননি এই বৃদ্ধা।

১১ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। রাত সোয়া ৮টার দিকে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর ঘটনার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে সিভিল সার্জন, সমাজসেবা কর্মকর্তা ও মাদারীপুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ছুটি যান হাসপাতালে। পরে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল ৯টায় শাহমাদার দরগা কবরস্থানে জোবেদা খাতুনকে দাফন করা হয়।

মাদারীপুর সিভিল সার্জন ডা. ফরিদ উদ্দিন মিয়া বলেন, গত ১১ দিন মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। গত রাতে তিনি মারা যান। তাকে দাফন করা হয়েছে।

আপডেট : বাংলাদেশ সময় :০৯:৪৩ পিএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৮ খ্রি.মঙ্গলবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন এবং শেয়ার করুন …

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
388 জন পড়েছেন