Hamla faridgonj

ফরিদগঞ্জে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ৩০ ॥ আটক ২

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি:
বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব এম এ হান্নান জেলা রির্টানিং অফিস থেকে প্রতীক পাওয়ার পর ফরিদগঞ্জে দলীয় নেতা-কর্মী নিয়ে উপজেলা সদরে শো-ডাউন জন্য স্থানীয় বাসষ্ট্যান্ডে সবাই সমবেত হয়। পরে বিকাল সাড়ে ৪ টায় কয়েক হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে এম এ হান্নান সদর বাজারে প্রবেশ করলে মধ্যে বাজারে পুলিশের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সময় পুলিশসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়। পুলিশ আরিফ হোসেন ও ইমাম হোসেন নামে এক সাবেক ছাত্র নেতাকে আটক করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ ও ৬ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়ে।

আরো পড়ুন : ফরিদগঞ্জে পুলিশী হামলার অভিযোগ করে এমএ হান্নানের সংবাদ সম্মেলন

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বিএনপি’র প্রার্থী আলহাজ্ব এম এ হান্নান জেলা রির্টানিং অফিস থেকে প্রতীক পাওয়ার পর বিকালে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে সদর বাজারে নির্বাচনী প্রচারে প্রবেশ করে। এই সময় মধ্য বাজারে পুলিশের সাথে সংর্ঘষ ঘটে। এই সময় পুলিশসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়।

আহতদের মধ্যে এস আই ওমর ফারুক, এস আই সুমন্ত মজুমদার, এস আই আবুল কালাম ও এস আই গোলাম রসুল। বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে- উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক শরীফ মোহাম্মদ, পৌর বিএনপি’র সাধারন সম্পাদ আমানত গাজী, সাবেক ভিপি মজিবুর রহমান, মহিলা নেত্রী ফরিদা ইয়াছমিন, শ্রমীক দলের দলের সভাপতি আজিম বিএনপি নেতা- মানিক, নান্নু মিজি, ইকবাল হোসেন, শাহিন।

সংর্ঘষের বিষয়ে থানা অফিসার ইন-চার্জ, হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচনী আচর বিধি লঙ্ঘন করে বিএনপি’র প্রার্থী হান্নান সাহেব বিশাল শো-ডাউন নিয়ে বাজারে প্রবেশ করে। এই সময় কোন কারণ ছাড়াই বিএনপির নেতা-কর্মীরা পুলিশের উপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় এই সময় আমাদের ৪ জন অফিসার আহত হয়।

বিএনপি’র প্রার্থী এম এ হান্নান জানান, আমি নির্বাচনী প্রতীক পাওয়ার পর আমার দলের নেতাকর্মীদে নিয়ে ফরিদগঞ্জ বাজারে নির্বাচনী প্রচারণার সময় কোন কারণ ছাড়াই আমার নেতা-কর্মীদের উপর নির্মম হামলা চালায়। তাদের হামলা আমাদের দলের সেক্রেটারীসহ কমপক্ষে ৩০/৪০ জন আহত হয়। আমি হামলা জন্য পুলিশকে দায়ী করছি।

আপডেট : বাংলাদেশ সময় :০৯:০২ পিএম, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রি. সোমবার

 

659 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন