Rafik saharasti

‘স্বাধীনতাবিরোধী শকুনেরা যেনো স্বাধীনতার মর্যাদা নষ্ট করতে না পারে’

শাহরাস্তিতে মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় মেজর রফিক

‘স্বাধীনতাবিরোধী শকুনেরা যেনো স্বাধীনতার মর্যাদা নষ্ট করতে না পারে’

মোঃ কামরুজ্জামান সেন্টু, বিশেষ প্রতিনিধি :
স্বাধীনতা বিরোধি শকুনেরা যেন স্বাধীনতার মর্যাদা নষ্ট করতে না পারে। অনেক ত্যাগ আর বুকের তাজা রক্তে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় আলবদর-আলশামছ বাহিনীকে একেবারে শেষ করা সম্ভব হয়নি। এখনো তাদের দোসররা বাংলার মাটিতে অবস্থান করছে। সেই স্বাধীনতা বিরোধী চক্র মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে অতীতেও চক্রান্ত করেছে বর্তমানেও চক্রান্ত করে যাচ্ছে। চক্রান্তকারীদের চক্রান্ত থেমে নেই। তারা দেশে জ্বালাও-পোড়াও করে দেশটাকে ধ্বংস্স্তুপে পরিণত করেছে। আজকে তারাই দেশের মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করছে। নতুন প্রজন্ম কখনোই ওই সকল স্বাধীনতা বিরোধিদের সুযোগ দিবে না। যারা বন্ধবন্ধুর সোনার বাংলাকে চিরতরে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছে নতুন প্রজন্ম তাদের কখনোই ক্ষমতায় আসতে দিবে না। আগামী ৩০ ডিসেম্বর স্বাধীনতার স্বপক্ষের প্রতীক নৌকায় ভোট দিয়ে বাংলার মানুষ পুনরায় আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনবে ইনশাল্লাহ।

রোববার সন্ধ্যায় নিজমেহার মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর কমান্ডার, সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও চাঁদপুর-৫ নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে আরো বলেন, মাতৃভূমিকে রক্ষার জন্য যুদ্ধ করেছি। কখনোই নিজের কিংবা পরিবারের জন্য ভাবিনি। যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলার মা-বোনদের অনেক অবদান ছিলো যা স্বীকার না করলে তাদের অবমাননা করা হবে। এছাড়া বাংলার কৃষক-যুবকরাই মুক্তিযুদ্ধের প্রধান চালিকা শক্তি ছিলো। একটি সুখি সমৃদ্ধশালি দেশ গঠনের জন্যই এ দেশ স্বাধীন করা হয়েছে। তরুণরাই দেশকে আগামীতে উন্নয়নের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাবে। দেশ ও দেশের মানুষ কখনোই পিছনে ফিরে যেতে চায় না। তারা উন্নয়ন দেখেছে-সে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পুনরায় জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অধিষ্ঠিত করবে এমনটাই প্রত্যাশা।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফরিদ উল্যাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান মিন্টু’র সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সফিকুর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ হুমায়ুন কবির মজুমদার, পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক পৌর মেয়র আলহাজ্ব আবদুল লতিফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র মোঃ মোশারফ হোসেন পাটোয়ারী মুশু, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এম এ মান্নান মোল্লা, কেন্দ্রিয় তাঁতীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দিন মোল্লা, পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক কাউন্সিলর তুষার চৌধুরী রাসেল, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ইমদাদুল হক মিলন প্রমুখ।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শাহাব উদ্দিন পাটোয়ারী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক খোকন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গির মোহাম্মদ আদেল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জেড এম আনোয়ার, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল মান্নান বেপারী, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আহসান মঞ্জুরুল ইসলাম জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক দর্জি, মাহফুজুল কবির, পৌর যুবলীগের আহবায়ক রেজাউল করিম বাবুল, যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন, ইউপি আওয়ামী লীগ সম্পাদক ডা. মাহবুবুর রহমান, দিদার হোসেন পাটোয়ারী, আওয়ামী লীগ নেতা নেছার আহমেদ পাটোয়ারী, ডা. মফিজুর রহমান, যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন অন্তর, এফ কাদের বাবু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মহিন উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল হোসেন সহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ।

প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রি. সোমবার

608 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন