টাক পড়া রোধের সবচেয়ে সহজ উপায়

0
340

লাইফস্টাইল ডেস্ক :

কারো কারো চুল বিশেষ যত্ন-আত্তি ছাড়াই সুস্থ ও সুন্দর থাকে। তবে তা সংখ্যায় খুবই কম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যত্নের অভাবে চুল রুক্ষ হতে শুরু করে, অনেকসময় শুরু হয় চুল পড়ার সমস্যা। আর এই সমস্যা থেকে দেখা দিতে পারে টাকও! চুল পড়া ঠেকাতে চটজলদি কোনো সমাধান হাতের কাছে থাকে না। তখন দ্বারস্থ হতে হয় চিকিৎসকের।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আরও পড়ুন: শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও প্রতিকার

তবে খুব সহজ একটি ঘরোয়া উপায় রয়েছে যার নিয়মিত ব্যবহারে মুক্তি পাওয়া সম্ভব টাকের সমস্যা থেকে। সেজন্য আপনার খরচও হবে সামান্যই। চলুন জেনে নেই কী সেই উপায়-

একটি পাত্রে ডিম ফেটিয়ে নিন। তাতে এক টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে নিন। ক্যাস্টর অয়েলের পরিবর্তে নারিকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণ ভালো করে মিশিয়ে একটা মাস্ক তৈরি করে নিন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই মাস্ক ভালো করে চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত লাগিয়ে নিন। মাথার তালুতে মাসাজও করুন। এই অবস্থায় আধ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিন। শ্যাম্পুর পর চুলে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন।

ডিমে থাকা প্রোটিন, ভিটামিন বি ১২, আয়রন, জিঙ্ক এগুলো চুলের বৃদ্ধি ও ঘনত্বে বিশেষ কাজে আসে। ক্যাস্টর অয়েল বা নারিকেল তেলে প্রচুর ভিটামিন ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস থাকে যা চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগাতে অপরিহার্য। তাই এই মিশ্রণের প্রভাবে টাক পড়া রোধ তো হবেই, চুলও হবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

পাকা চুল কাঁচা করার ঘরোয়া উপায়

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চুল পাকা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু অস্বাভাবিক হয় তখনই যখন অল্প বয়সেই চুল পেকে যায়। চিকিৎসকেরা বলেন, খাদ্যাভ্যাস, বংশগত কারণ ও লিভারের নানা সমস্যা থেকে অকালে চুল পেকে যেতে পারে। এমনকি অনিয়মিত ঘুম, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, কর্মব্যস্ততা ও পেটের নানা সমস্যা থেকেও চুল পেকে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।

আরও পড়ুন: যৌন সমস্যায় করণীয়

শরীরে ভিটামিন এ, জিঙ্ক ও কপারের অভাব চুলকে প্রভাবিত করে। মেলানিন কমে যাওয়ায় চুলের রং কালো থেকে ধূসর বা সাদা হয়। অকালে চুল পেকে গেলে অনেকেই অবসাদে ভোগেন।

অনেকেই বাজার থেকে কেনা হেয়ারডাইয়ের রাসায়নিক ব্যবহার করে চুলে রং করেন। কিন্তু এসব রাসায়নিক চুল ও ত্বকের ক্ষতি করে। অনেকসময় চুল ঝরে যাওয়া, মাথায় ঘা হওয়া, এমনকি রাসায়নিক মেশানো নানা হেয়ারডাই ব্যবহার করে অ্যালার্জির সমস্যায়ও ভুগতে হয় অনেককে।

এক্ষেত্রে তাই ঘরোয়া উপায় বেছে নেয়া ভালো কারণ তাতে কোনোরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে না। তাই চলুন জেনে নেই এমনই একটি কার্যকরী ঘরোয়া উপায়-

আলু ছাড়িয়ে তার খোসাগুলো একটি পাত্রে রাখুন। এতে দুই-তিন কাপ পানি যোগ করুন। এবার এই পানিতে আলুর খোসাগুলিকে সেদ্ধ হতে দিন। আলুর খোসা সেদ্ধ হয়ে এলে পানিতে ছেঁকে নিন। এবার এই আলুর খোসা ছাঁকা পানি ঠান্ডা হলে একটি বোতলে ভরে রাখুন। ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে এই পানি মাখিয়ে নিন চুলে। এরপর আর চুল ধোবেন না। বরং তোয়ালে দিয়ে চেপে রাখুন কিছুক্ষণ। তারপর চুল শুকিয়ে গেলে আঁচড়ে নিন। আলুর খোসার গন্ধে অস্বস্তি হলে এই পানিতে এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে রাখুন। গন্ধ দূর হবে।

এভাবে কয়েক সপ্তাহ ব্যবহার করলেই ফিরে পাবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত চুল।

প্রকাশিত: ১১:৫৫ এএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
308 জন পড়েছেন