হাইমচরে পুলিশের গাড়িতে আগুন॥ ওসি তদন্ত সহ আহত ৩

0
47

বিশেষ প্রতিনিধি
হাইমচরে নির্বাচনে টহলরত পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে বিএনপি নেতা কর্মীরা। আগুনে পুলিশের গাড়িটি ছাই হয়ে গিয়েছে। গাড়িতে থাকা ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেনসহ ৩জন আহত হয়ে হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সব মিলিয়ে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে হাইমচরে শান্তিপূর্ন ভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচ সুষ্ঠ ভাবে সমাপ্ত হয়েছে।

রবিবার বেলা ১১ টায় আলগী উত্তর ইউনিয়নের ছৈয়াল মোড় কমলাপুর রাস্তায় একদল বিএনপি জামায়াত নেতা কর্মীরা সুসজ্জিত অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে রশিদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (৫নং ওয়ার্ড) ও কমলাপুর ভোট কেন্দ্রে হামলার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথেই অস্ত্রধারিরা টহলরত পুলিশের গাড়ির উপর এলোপাতালি হামলা চালায়। হামলায় হাইমচর থানা ওসি তদন্ত আলমগীর হোসেন (৩৮), গাড়ি চালক শাহাদাত মিজি (২২), কনেস্টবল শফিকুল ইসলাম(৩২) গুরুতর আহত হয়। পরে পুলিশ তাদেরকে ধাওয়া করে সামনে এগোলে পিছন থেকে পুলিশের গাড়িতে পেট্টল দিয়ে আগুন লাগিয়ে পুরো গাড়ি জালিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সেনাবাহিনী পৌছলে দুর্বিত্তরা পালিয়ে যায়। এ সময় দুর্বিত্তরা বিএনপি নেতা কর্মীদের ৩টি বসত ঘর সহ ২ টি দোকান লাগিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার সংবাদ পেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারী, হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ, সেনাবাহিনী কমান্ডার, বিজিবি ও আইনসৃংখলা বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দোকান ও বসতঘরে আগুন হাইমচর ও চাঁদপুর পুরান বাজার ফায়ার সার্ভিস ২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এ ব্যাপারে স্থানীয় লোকজন জানান, একদল বিএনপি সন্ত্রাসী বিভিন্ন কেন্দ্রে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিলে পুলিশ তাদেরকে ধাওয়া করে। তারাও পুলিশকে ধাওয়া করে পেট্টল দিয়ে পুলিশের গাড়ি জালিয়ে দেয়।

হাইমচর থানা ওসি তদন্ত আলমগীর হোসেন জানান, আমাদের কাছে সংবাদ আসে শান্তিপূর্ন পরিবেশে অশান্তি সৃষ্টিসহ বেশ কিছু কেন্দ্রে হামলার প্রস্তুতি নেয় বিএনপি নেতা কর্মীরা। আমরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া পথে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা কর্মীরা আমাদের উপর হামলা চালিয়ে আমাদের গাড়িটিকে পেট্টল দিয়ে জালিয়ে দেয়। বর্তমানে ঘটনাস্থল এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

প্রকাশিত : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রি. রোববার

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
152 জন পড়েছেন