হাজীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান আ. রহমান

0
45

হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি :
হাজীগঞ্জ উপজেলার কৃতী সন্তান বিশিষ্ট সমাজ সেবক, এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের নির্যাতিত ছাত্রনেতা আব্দুর রহমান চৌধুরী। যিনি কৈশোর বয়স থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শতাব্দির বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

ডায়াবেটিস থেকে চিরমুক্তির জন্য সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ভেষজ ঔষধ পেতে যোগাযাগ করুন- হাকীম মিজানুর রহমান : 01742057854, 01777988889, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, চাঁদপুর। যোগাযোগ : সকাল দশটা হতে রাত দশটা। নামাজের সময় ব্যতীত। এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

এক সময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা জীবনের তাগিদে দীর্ঘদিন প্রবাস জীবনে অতিবাহিত করেন। সৌদিআরব আওয়ামীলীগের রাজনৈতিতে জড়িত থেকে শেখ হাসিনার আগমনে নেতৃত্বে দিয়ে একাধিকবার বরণ করেন এ নেতা। দেশে এসেও যেন বসে থাকতে দেখা যায়নি। গেল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টার দায়িত্বসহ গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

http://picasion.com/

আসন্ন হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান আব্দুর রহমান। ইতিমধ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপ-আলোচনার পাশাপাশি তৃণমূল নেতাকর্মীদের দৃষ্টি কাড়ার চেষ্টা করছেন এ প্রবীণ নেতা।

তিনি মূলত চিন্তা-ভাবনা, ধ্যান-ধারণা এবং দৃষ্টিভঙ্গি মহান মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সু-যোগ্য কন্যা, গণমানুষের প্রাণপ্রিয় জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গড়ে উঠা উন্নত বাংলাদেশের রূপকার, যার সু-চিন্তিত পরিকল্পনা, দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজে নিজেকে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত করার জন্য জনগনের দোয়া, সমর্থন ও উৎসাহে তিনি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

উপজেলার ১০নং গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পাচৈই চৌধুরী বাড়ীর মৃত চলেমান মিয়ার ছেলে। তার বাবা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সগ্রাম কমিটির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এইচএসসি পাস করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্রলীগের রাজনৈতিতে জড়িয়ে যাওয়ায় পড়াশুনা সম্পন্ন করতে পারেনি। ১৯৮৫ সালে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ঢাকার রাজপথে ছাত্রনেতা হিসাবে নেতৃত্বে দিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এছাড়াও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের তান্ডবে ৫ ঘন্টা পানির নিচে লুকিয়ে ছিলেন। জীবনের তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। সেখানেও আওয়ামীলীগের রাজনৈতিতে নিজেকে শামিল করে রেখেছেন। বর্তমানে ব্যক্তি জীবনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে সেবাদানে নিয়োজিত রয়েছেন।

আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উক্ত উপজেলা উপহার দিতে পারবেন বলে বিশ্বাস করেন। এ জন্য তিনি সকলের নিকট দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
399 জন পড়েছেন
http://picasion.com/