পঞ্চগড়ের ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

0
16

এন এ রবিউল হাসান লিটন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

পঞ্চগড়ের দু’টি আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এ দু’টি আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।

জেলা রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের চেয়ে কম ভোট পাওয়ায় তারা জামানত হারিয়েছেন।

পঞ্চগড়-১ আসনে মোট ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২০৭ ভোটারের মধ্যে ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৯৭ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে মোঃ মজাহারুল হক প্রধান (নৌকা) ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৯ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির (ধানের শীষ)। এই আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলাম আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল্লাহ (হাতপাখা) ৩ হাজার ৪৫৩, জাকের পার্টির সুমন রানা (গোলাপ ফুল) ৩ হাজার ৩৯৯, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির আল রাশেদ প্রধান (হুক্কা) ১ হাজার ৪১২, জাতীয় পার্টির আবু সালেক (লাঙ্গল) ৭২৯ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শেখ মোঃ হাবিবুর রহমান (আম) ১৩২ ভোট পেয়েছেন।

পঞ্চগড়-২ আসনে মোট ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৮৭৬ ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭৫ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে এ্যাডঃ নূরুল ইসলাম সুজন (নৌকা) ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫১৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১ লাখ ১১ হাজার ৯৫ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফরহাদ হোসেন আজাদ (ধানের শীষ)। এই আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কামরুল হাসান প্রধান (হাতপাখা) ২ হাজার ৫২৬, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির তাসমিয়া প্রধান (হুক্কা) ১ হাজার ৬৭০, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আশরাফুল আলম (কাস্তে) ৬৪১, জাতীয় পার্টির লুৎফর রহমান রিপন (লাঙ্গল) ৩৫৪ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ফয়জুর রহমান মিঠু (আম) ১৩২।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে এক-অষ্টমাংশের চেয়ে কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। এ নিয়মে পঞ্চগড়ের দু’টি আসনের ১০ প্রার্থী তাদের নিজ নিজ জামানত হারিয়েছেন।

প্রকাশিত : ০১ জানুয়ারি ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
205 জন পড়েছেন