ফরিদগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ

0
161

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি :
চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য দপ্তরের ব্যাপক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত অর্থ বছরে ১শ ৭৪টি সরকারি গভীর নলকূপ বরাদ্দ পাওয়া যায়। প্রতিটি গভীর নলকুপে ৭ হাজার টাকা সরকারী জমার স্থলে ৫০০ টাকা খরচ রাখার কথা থাকলেও বাড়তি ৫০০ টাকা হারে অতিরিক্ত নিয়ে প্রতিটি নলকূপে ৮ হাজার টাকা করে আদায় করেছে জনস্বাস্থ্য উপ-সহকারী প্রকৌশলী শফী মোহাম্মদ হাসানের জোগসাজসে মেকানিক হেলাল মিয়া।

এছাড়া ওই দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শফী মোহাম্মদ হাসান সপ্তাহে মাত্র ১দিন এমনকি মাসে সর্বোচ্চ ৪-৫ দিন অফিসে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে, বাকি দিনগুলো ফিল্ডের অযুহাত দেখিয়ে অফিসে আসেন না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিষয়টি জানিয়েছে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে নেওয়ার বিষয়ে আমির হোসেন, ইসলাম, মনির হোসেন, রিপণ পাটওয়ারী সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমাদের কাছ থেকে খরচ বাবদ ৫‘শ ও অতিরিক্ত ৫‘শ টাকা হারে আদায় করেছে হেলাল মিয়া।

কার্যালয়ে আসা সাধারণ মানুষ তাদের কাজ উপ সহকারী প্রকৌশলী শফীর অনুপস্থিতিতে সারতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, এ দপ্তরের কর্মকর্তা অফিসে নাই। কোথায় আছেন জানতে চাইলে কখনও ফিল্ডে আবার কখনও ছুটিতে রয়েছেন এমনটাই অফিসে থাকা অন্যরা জানাচ্ছেন। এদিকে দীর্ঘদিন যাবৎ এ দপ্তরের অনিয়মের কথা লোকজন জানিয়ে আসলেও কার্যতঃ কোনো লাভ হয়নি।

মঙ্গলবার সরেজমিন উপ-সহকারী প্রকৌশলী শফী মোহাম্মদ হাসানকে নলকূপ পিছু ৫‘শ টাকা আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার অফিসের মেকানিক হেলাল মিয়া এ কাজ করেছে। আমি এ বিষয়ে তাকে ডেকে বলার পর অনেকের টাকা ফেরৎ দিয়েছে। অফিসে সাপ্তাহে ১দিন আসেন? প্রশ্নের জবাবে বলেন, সঠিক নয়, আমি নিয়মিত আসি। সাধারণ মানুষ আপনাকে অফিসে পাচ্ছেন না এমন অভিযোগকে অস্বীকার করে বলেন, আমাকে মাঝে মধ্যে হয়তো ফিল্ডে থাকতে হয়। বিধায় লোকজন তখন নাও পেতে পারে। এ দপ্তরের সুবিধা–অসুবিধা নিয়ে তিনি আরোও জানান, আমার এ দপ্তরের জন বলের অভাব রয়েছে। এখানে পদ সংখ্যা হচ্ছে ০৮টি তন্মধ্যে শূন্য পদ রয়েছে ০৪টি। শূন্য পদগুলো হচ্ছে অফিস সহকারী– ০১টি, মেকানিক-০২টি, নিরাপত্তা প্রহরী–০১টি। ।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
324 জন পড়েছেন